
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী রমনায় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ‘ডিম হামলা’র শিকার হওয়ার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ‘সম্মতি’ ও নির্দেশ দেখছেন নাহিদ ইসলাম।
এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেছেন, এ হামলা ঘটেছে মির্জা আব্বাসের নির্দেশে, যিনি ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী তথা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিদ্বন্দ্বী। নাহিদের অভিযোগ, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি রয়েছে এ হামলায়। আর দলীয় এমন সম্মতি ও নির্দেশে ‘ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা পরিকল্পনা করে’ হামলা করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকার একটি মিলনায়তনে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ করেন। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও এ ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে বক্তব্য দেন।
পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা’ অভিহিত করে নাহিদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ও তারেক রহমানের সম্মতিতেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা হয়েছে। আপনারা একদিকে ভালো ভালো কথা বলবেন, আরেকদিকে বিরোধীদের সন্ত্রাসী কায়দায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে পুনর্বাসন করবেন— এটা আমরা এই বাংলাদেশে হতে দেবো না।’
‘আজ আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি নির্বাচন কমিশনের প্রতি, দেখতে চাই এর ব্যবস্থা কী নেয়। আমরা দেখতে চাই এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয় এবং বিএনপি দলীয়ভাবে এর কী ব্যবস্থা নেয়,’— বলেন নাহিদ ইসলাম।
‘মির্জা আব্বাসের ইতিহাস জানি’ মন্তব্য করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘ঢাকা শহরে বড় হয়েছি। আমরা মির্জা আব্বাসের ইতিহাস জানি। মির্জা আব্বাসকে ডেকে একটা হুন্ডা আর ৩০ টাকা দিয়ে জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমার সঙ্গে রাজনীতি করো। নির্বাচনে কাজ কারো। সেখান থেকেই তার রাজনীতির যাত্রা শুরু। বিএনপির রাজনীতি করেই ঢাকা শহরে সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন মির্জা আব্বাস। সেই সাম্রাজ্য কীভাবে হয়েছে, সেটা দেশের মানুষ জানে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরই তাদের উচিত ছিল দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’
মির্জা আব্বাসসহ বিএনপি নেতারা বিগত ১৬ বছর ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে’ রাজনীতি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ। বলেন, ‘তারা তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। তাই তারা রাজপথে সক্রিয়ভাবে নামেননি। অথচ ছাত্রদল ও যুবদলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জীবন দিতে প্রস্তুত ছিল। তাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তারা আমাদের সঙ্গে রাজপথে নেমে এসেছেন।’
মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘আগে যা করছেন করছেন, সেই আচরণ যদি পরিত্যাগ করতে না পারেন, তাহলে এবার নির্বাচনে পরিণতি ভালো হবে না। নির্বাচন মানে কথার লড়াই। আপনি একটা কথা বলবেন, আমি একটা কথা বলব। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কাকে ভোট দেবে। আপনারা জনগণকে কেন সিদ্ধান্ত নিতে দিচ্ছেন না? জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে কে বেয়াদব আর কে গ্যাংস্টার, কে সন্ত্রাসী আর কে জনগণের পক্ষে কথা বলে।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থানে হাসিনাকে হটিয়েছি, আর মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারব না? এসব ভয়ভীতি দিয়ে আমাদের আটকানো যাবে? এমনটি ভাবলে ভুল হবে।’
এ দিন মালিবাগের হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পিঠা উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সেখানে পৌঁছালে কিছু তরুণ তার উদ্দেশে স্লোগান দেয়। সেখানে ধাক্কাধাক্কিও হয়। একপর্যায়ে পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয়, শারীরিক আক্রমণেরও অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ফকিরাপুল মোড়ের দিকে অবস্থান নেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে দলীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
হামলার ঘটনায় ঢাকা-৮ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে নাসীর বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে মির্জা আব্বাসের বাহিনী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তারেক রহমানের কাছে মির্জা আব্বাসের বহিষ্কারের দাবি জানাই।’

রাজধানী রমনায় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ‘ডিম হামলা’র শিকার হওয়ার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ‘সম্মতি’ ও নির্দেশ দেখছেন নাহিদ ইসলাম।
এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেছেন, এ হামলা ঘটেছে মির্জা আব্বাসের নির্দেশে, যিনি ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী তথা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিদ্বন্দ্বী। নাহিদের অভিযোগ, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি রয়েছে এ হামলায়। আর দলীয় এমন সম্মতি ও নির্দেশে ‘ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা পরিকল্পনা করে’ হামলা করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকার একটি মিলনায়তনে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ করেন। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও এ ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে বক্তব্য দেন।
পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা’ অভিহিত করে নাহিদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ও তারেক রহমানের সম্মতিতেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা হয়েছে। আপনারা একদিকে ভালো ভালো কথা বলবেন, আরেকদিকে বিরোধীদের সন্ত্রাসী কায়দায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে পুনর্বাসন করবেন— এটা আমরা এই বাংলাদেশে হতে দেবো না।’
‘আজ আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি নির্বাচন কমিশনের প্রতি, দেখতে চাই এর ব্যবস্থা কী নেয়। আমরা দেখতে চাই এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয় এবং বিএনপি দলীয়ভাবে এর কী ব্যবস্থা নেয়,’— বলেন নাহিদ ইসলাম।
‘মির্জা আব্বাসের ইতিহাস জানি’ মন্তব্য করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘ঢাকা শহরে বড় হয়েছি। আমরা মির্জা আব্বাসের ইতিহাস জানি। মির্জা আব্বাসকে ডেকে একটা হুন্ডা আর ৩০ টাকা দিয়ে জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমার সঙ্গে রাজনীতি করো। নির্বাচনে কাজ কারো। সেখান থেকেই তার রাজনীতির যাত্রা শুরু। বিএনপির রাজনীতি করেই ঢাকা শহরে সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন মির্জা আব্বাস। সেই সাম্রাজ্য কীভাবে হয়েছে, সেটা দেশের মানুষ জানে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরই তাদের উচিত ছিল দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’
মির্জা আব্বাসসহ বিএনপি নেতারা বিগত ১৬ বছর ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে’ রাজনীতি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ। বলেন, ‘তারা তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। তাই তারা রাজপথে সক্রিয়ভাবে নামেননি। অথচ ছাত্রদল ও যুবদলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জীবন দিতে প্রস্তুত ছিল। তাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তারা আমাদের সঙ্গে রাজপথে নেমে এসেছেন।’
মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘আগে যা করছেন করছেন, সেই আচরণ যদি পরিত্যাগ করতে না পারেন, তাহলে এবার নির্বাচনে পরিণতি ভালো হবে না। নির্বাচন মানে কথার লড়াই। আপনি একটা কথা বলবেন, আমি একটা কথা বলব। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কাকে ভোট দেবে। আপনারা জনগণকে কেন সিদ্ধান্ত নিতে দিচ্ছেন না? জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে কে বেয়াদব আর কে গ্যাংস্টার, কে সন্ত্রাসী আর কে জনগণের পক্ষে কথা বলে।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থানে হাসিনাকে হটিয়েছি, আর মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারব না? এসব ভয়ভীতি দিয়ে আমাদের আটকানো যাবে? এমনটি ভাবলে ভুল হবে।’
এ দিন মালিবাগের হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পিঠা উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সেখানে পৌঁছালে কিছু তরুণ তার উদ্দেশে স্লোগান দেয়। সেখানে ধাক্কাধাক্কিও হয়। একপর্যায়ে পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয়, শারীরিক আক্রমণেরও অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ফকিরাপুল মোড়ের দিকে অবস্থান নেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে দলীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
হামলার ঘটনায় ঢাকা-৮ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে নাসীর বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে মির্জা আব্বাসের বাহিনী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তারেক রহমানের কাছে মির্জা আব্বাসের বহিষ্কারের দাবি জানাই।’

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে