আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে ভোটের প্রচারে উত্তরবঙ্গের ৮ জেলা সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করার আগে সেখানের ডমেস্টিক লাউঞ্জে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ কথা বলেন।
ভোটের প্রচারের মাঠে নামতেই দেখা গেল, এত সব প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক বার্তা যেন নিছক কথার কথা। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)— তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেই উঠে এলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বার্তা।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জয়ী হলে এই রূপরেখায় সরকার চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পৃথকভাবে জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
জামায়াত আমির বলেন, ‘তারা গতকাল শুধু ভাইদের গায়ে নয়, আমাদের মা বোনদের গায়েও হামলা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ওরা কি মায়ের পেট থেকে জন্ম নেয় নাই? তাদের ঘরে কি মা-বোন নেই? আমরা আর এ ধরনের নোংরা অবস্থা দেখতে চাই না।’
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চরমোনাইর পিরসাহেব, ইসলামী আন্দোলনের আমির, উনি নির্বাচন করছেন না। সেই জায়গায় উনাদের যে নায়েবে আমির আছেন, ফয়জুল করীম সাহেব, আমরা তার জন্য আমাদের ক্যান্ডিডেটকে উইথড্র করবে। কারণ আমরা তো জোটে ছিলাম। সেই কন্ট্রিবিউশনের একটা সৌজন্যতার জন্য এ সিদ্ধান্ত।
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এই বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে জামায়াত।
এই বিশেষ বৈঠকে দলের নির্বাচনী পলিসি পেপার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আমীরের দেশব্যাপী সফরসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে ২৫৩টি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে। সেদিন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছিল না ইসলামী আন্দোলন। দলটির জোটে থাকা নিয়ে পরিষ্কার ঘোষণাও ছিল না। তাদের জন্য বাকি ৪৭টি আসন রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিল জামায়াত। তবে গতকাল শুক্রবার ব
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর জামায়াতের আমির যে জাতীয় সরকারের কথা বলেছিলেন, সেটিও সন্দেহের উদ্রেক করেছে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে। তারা ভাবছে, বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে গোপন কোনো সমঝোতা হয়েছি কি না, যার মধ্য দিয়ে পাতানো একটি নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।