
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় এ বছরও অংশ নিতে পারছেন না বাংলাদেশের প্রকাশকরা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই বইমেলায় বাংলাদেশের কোনো প্যাভিলিয়ন থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজকরা।
এর আগে প্রতিবছর কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের অনেক প্রকাশক অংশ নিতেন। মেলায় বাংলাদেশি লেখকদের বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো, বিক্রিও হতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গত বছর থেকেই কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, চলতি বছরেও সেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চ্যাটার্জি বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বছর মেলায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ জানানো হয়েছিল। তবে আমরাই তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিচ্ছি না।’
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাসের সূত্রগুলোও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, এবারের বইমেলায় অংশ নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ত্রিদিব চ্যাটার্জি বলেন, ‘বর্তমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত ছাড়া বাংলাদেশকে মেলায় অংশগ্রহণের ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব নয়। সেই সবুজ সংকেত না আসায় বাংলাদেশ মেলায় থাকছে না। তবে কোনো ভারতীয় স্টলে কেউ যদি বাংলাদেশের বই রাখেন, তাতে আমাদের আপত্তি নেই।’
এদিকে নিয়মিত অংশগ্রহণকারী আরেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রও এ বছর কলকাতা বইমেলায় থাকছে না। বাজেট বরাদ্দ না পাওয়াকেই এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আয়োজকরা।
আর্জেন্টিনাকে এবারের বইমেলার থিম দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো বইমেলায় অংশ নিচ্ছে ইউক্রেন। এ ছাড়া দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও চীনের প্যাভিলিয়ন দেখা যাবে মেলায়।
মোট ২১টি দেশ এবং ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের এক হাজারের বেশি প্রকাশক এবারের বইমেলায় স্টল দিচ্ছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা সল্টলেকের স্থায়ী ‘বইমেলা প্রাঙ্গণ’-এ অনুষ্ঠিত হবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেলার উদ্বোধন করবেন।
উল্লেখ্য, কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম অ-বাণিজ্যিক বইমেলা হিসেবে পরিচিত। জনসমাগমের দিক থেকেও এটি বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় বইমেলাগুলোর একটি।

আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় এ বছরও অংশ নিতে পারছেন না বাংলাদেশের প্রকাশকরা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই বইমেলায় বাংলাদেশের কোনো প্যাভিলিয়ন থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজকরা।
এর আগে প্রতিবছর কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের অনেক প্রকাশক অংশ নিতেন। মেলায় বাংলাদেশি লেখকদের বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো, বিক্রিও হতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গত বছর থেকেই কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, চলতি বছরেও সেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চ্যাটার্জি বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বছর মেলায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ জানানো হয়েছিল। তবে আমরাই তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিচ্ছি না।’
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাসের সূত্রগুলোও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, এবারের বইমেলায় অংশ নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ত্রিদিব চ্যাটার্জি বলেন, ‘বর্তমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত ছাড়া বাংলাদেশকে মেলায় অংশগ্রহণের ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব নয়। সেই সবুজ সংকেত না আসায় বাংলাদেশ মেলায় থাকছে না। তবে কোনো ভারতীয় স্টলে কেউ যদি বাংলাদেশের বই রাখেন, তাতে আমাদের আপত্তি নেই।’
এদিকে নিয়মিত অংশগ্রহণকারী আরেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রও এ বছর কলকাতা বইমেলায় থাকছে না। বাজেট বরাদ্দ না পাওয়াকেই এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আয়োজকরা।
আর্জেন্টিনাকে এবারের বইমেলার থিম দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো বইমেলায় অংশ নিচ্ছে ইউক্রেন। এ ছাড়া দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও চীনের প্যাভিলিয়ন দেখা যাবে মেলায়।
মোট ২১টি দেশ এবং ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের এক হাজারের বেশি প্রকাশক এবারের বইমেলায় স্টল দিচ্ছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা সল্টলেকের স্থায়ী ‘বইমেলা প্রাঙ্গণ’-এ অনুষ্ঠিত হবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেলার উদ্বোধন করবেন।
উল্লেখ্য, কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম অ-বাণিজ্যিক বইমেলা হিসেবে পরিচিত। জনসমাগমের দিক থেকেও এটি বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় বইমেলাগুলোর একটি।

শনিবার (৩০ মে) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর এশিয়ার এ নিরাপত্তা মঞ্চে ওয়াশিংটনের নীতিগত অবস্থান কেমন হবে, তা নিয়ে নানামুখী জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এ বক্তব্য সামনে এলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। পাশাপাশি উভয় দিকের জন্য ‘অবাধ নৌ চলাচলের’ উপযোগী করে হরমুজ প্রণালিকে পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং ওই জলপথে পাতা সব মাইন ধ্বংস করতে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, তিনি হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রস্তাবিত সমঝোতা নিয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেবেন। এই চুক্তি কার্যকর হলে এপ্রিলের শুরুতে হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়বে এবং স্থায়ী শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংকটের মধ্যেও আশার খবর রয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ২৭ মে ডিআরসিতে এক ইবোলা রোগী পরপর দুটি পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল পাওয়ার পর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলমান প্রাদুর্ভাবে এটিই প্রথম নিশ্চিত সুস্থতার ঘটনা।
১৯ ঘণ্টা আগে