দেড় যুগ পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে। এ প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা নয়, বরং সর্বজনীন প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এ
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি নির্বাচন করব। নমিনেশন চেয়েছি। এখনো অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছি। এই পদ ছেড়ে দিয়েই ভোট করব। যথাসময়ে পদত্যাগ করব।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী আরও সাত নেতার জন্য আটটি আসনে প্রার্থী ছাড় দিয়েছে বিএনপি। নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি রয়েছেন এই তালিকায়।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাজধানীর তিনশ’ ফিট সড়কে দলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তবে এর আগে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে দেখা করে সেখানে যাবেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিতে যোগ দিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ।
অনুদান সংগ্রহ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন থেকে তার আসল লড়াই শুরু বলেও জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অনেকে খোঁটা দিয়েছেন। কেউ কেউ বলেছেন— বিএনপি শুধু ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু এখন এটিই প্রমাণিত হয়েছে, নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার কারণে অনেক ঘটনা তৈরি হয়েছে এবং নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার মতো অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন মানুষ নতুন করে ভাবছে, নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি?
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে জোটটি নির্বাচনের প্রস্তুতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলো। সংবাদ সম্মেলনে জোটের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. মুজিবুল হক চুন্নু।
সাধারণ মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানানোর মাত্র ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তার তহবিলে জমা হয়েছে ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, যা তার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও বেশি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতির পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই দিন তারেক রহমানকে দেওয়া সংবর্ধনায় অর্ধকোটি মানুষের মহামিলন ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
একই আসনে গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তিনি সদ্য লেবার পার্টিতে যোগ দেওয়া চৌধুরী ইরাদের ছোট ভাই।
জাইমা রহমান বলেছেন, সেই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছে পাওয়া নেতৃত্বের শিক্ষা। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও জানিয়েছেন, শেকড়কে কখনো ভুলে যাননি। নিজের আবেগ-অনুভূতি তুলে ধরে লিখেছেন— দেশে ফিরে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার পাশে থাকতে চান, সর্বাত্মক সহায়তা করতে চান বাবা তারেক রহমানকে, দায়িত্বশীল
বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের প্রতি যে আস্থা ছিল, বিশ্বাস করি তারা সেটি রাখবে। দেশে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে সরকারকে আরও সচেতন হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
নির্বাচনী সমীকরণে জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে আসনটি ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ধানের শীষের টিকিট পাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হলো রুমিন ফারহানার। প্রভাবশালী প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবের জন্য আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়ে
সমঝোতা অনুযায়ী, জমিয়তের প্রার্থীরা নির্দিষ্ট চারটি আসনে তাদের নিজস্ব প্রতীক ‘খেজুর গাছ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ভোটের মাঠে বিজয়ী হতে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে নির্বাচন না করলে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না— এটিকেই বাস্তবতা মানছেন সবাই। ফলে জোটের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় পেলেও আরপিও সংশোধনীর মারপ্যাচে ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার জন্য দল ছেড়ে সরাসরি যোগ দিতে হচ্ছে বিএনপিতেই।