তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আমি দুই-একটি কথা বলতে চাই, ঢাকা মহানগর হচ্ছে কেন্দ্রবিন্দু। আমাদের সমস্ত আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যে ঢাকায়..এখানে সরকারের ভয়াবহ সেই দানবদেরকে পরাজিত করা। সেই কারণে ঢাকার মহানগরের দায়িত্ব অনেক বেশি। আমি অনুরোধ করব, মহানগরের নেতৃবৃন্দ… ঢাকাকে সেইভাবে গ
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন কখনোই পূরণ হবে না। যেকোনো মূল্যে এই অপশক্তিকে আমরা প্রতিহত করে আমাদের সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রক্ষা করব। আমরা যেকোনো মূল্যে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করব। এটি আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আমাদের লক্ষ্য
অন্যদিকে ভূরাজনীতিতে কারা সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে অশান্ত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাচ্ছে, কারা পৃষ্ঠপোষকতা করছে, তা-ও সরকারকে অনুসন্ধান করতে হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর অভিপ্রায় উপেক্ষা করে শুধু দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অপকৌশল পরিহার করতে হবে। যেসব নাগরিক
বাংলাদেশ কি যুদ্ধ করিডোর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে— প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘ডামি সরকার যখন দেশের সীমান্ত রক্ষায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, এমন এক টালমাটাল পরিস্থিতিতে বান্দরবানে শুরু হয়েছে ব্যাংক লুট, পুলিশের অস্ত্র লুট, অপহরণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা।’
তিনি বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের ঘটনা তো হতেই পারে। গোটা পাহাড় এখানে অশান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এখানে বিষয়টা হচ্ছে, বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, কিছুটা আলীকদম, এই এলাকাজুড়ে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট, বম নামে একটি উপজাতি; পার্বত্য চট্টগ্রামে কিন্তু খাগড়াছড়িতে চারটা উপজাতি—বাঙালিসহ চার এবং রাঙ্
দস্যুদের ওপর চাপ বিষয়ে তিনি বলেন, সেই জাহাজের আশপাশে বিদেশি জাহাজও প্রস্তুত আছে। আলোচনার পাশাপাশি হাইজ্যাকারদের ওপর নানামুখী চাপও রয়েছে। দিনক্ষণ বলা সম্ভবপর নয় তবে এ ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।
মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাজার অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু তাদের এই ডাকে দেশের কেউ সাড়া দেয়নি, এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীরাও সাড়া দেয়নি। বাজার আমরা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। অনেক পণ্যের দামও কমেছে।
বান্দরবানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কয়েক দিনের সন্ত্রাসী হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, নিজের ব্যক্তিস্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে আমরা দেশের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। ৯ মাসের স্বাধীনতা সংগ্রামে লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা বুকের রক্ত দিয়ে আমরা এই দেশ স্বাধীন করে ছিলাম। তাই আমরা চাই দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ নতুন
প্রথমত, এ প্রসঙ্গে শুরুতেই একটা বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। ছাত্ররাজনীতি কিংবা ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগের বক্তব্য রাখার কোনো নৈতিক অধিকার আছে বলে আমরা মনে করি না। যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন কিংবা গত এক দশকের মধ্যে পাশ করে বেরিয়েছেন, তারা জানেন ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলী
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ইটের ওপর ইট বিছিয়ে যেমন একটি স্তম্ভ গড়ে উঠে। আমাদের অবশ্যই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে সক্ষম হবো। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা সংগ্রাম আরও বেগবান করব। আমরা বিশ্বাস করি যে, আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলনের মাধ্যমেই্ এই ফ্যাসিবাদী সরকা
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। এই বেড়ে যাওয়ার পিছনে সরকার সমর্থিত সিন্ডিকেটের হাত আছে। তাই জিনিসপত্রের দাম কোনোভাবেই সরকার কমাচ্ছে না।
আজ নির্বাচন কমিশন এক তথ্য বিররণীতে জানায়, নির্বাচনে অংশগ্রহণেচ্ছু প্রার্থী যেকোন স্থানে অবস্থান করে অনলাইনে সম্পূর্ণ মনোনয়নপত্র দাখিল এবং প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংগ্রহ সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের নিমিত্তে অনলাইনে পছন্দসই প্রচলিত কার্যকর পদ্ধতিতে জামানত দিতে পারবে
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে সদরঘাটের চিরারিত চিত্র বদলে গেছে। এখানে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের আগে এটা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আগে স্পিড বোটে শ্যামপুর থেকে সদরঘাটে আসতে হয়েছে। আমি সরাসরি রাস্তা দিয়ে এখানে আসতে পারিনি। কারণ গোলাপ শাহ্ মাজার থেকে এ পর্যন্ত লোকে
অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুদ্ধির সক্ষমতা থেকে আমরা অনেকেই পিছিয়ে। যার কারণে প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণ করা অনেক ভালো কাজ আমরা বুঝতে পারি না। শেখ হাসিনা যেটি চিন্তা করে, যা করতে চাই, তা সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য করে।
রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ যে নেতিবাচক সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নিরাপত্তা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মুহিত। তিনি, রাখাইন পরিস্থিতির প্রতি নিয়মিত দৃষ্টি রাখা এবং রোহিঙ্গা সংকটের একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই সমাধানে দ্রুত ও অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নি
মন্ত্রী বান্দরবানের রুমাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। এ সময় তিনি বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। দুপুরে বান্দরবান সার্কিট হাউসে মতবিনিময় শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি।