
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার কুকি-চিনকে তোয়াজ করছে- এমন অভিযোগ তুলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কেন কুকি-চিনকে এত তোয়াজ করা হয়েছে, এর পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে আসল রহস্য।
শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যাতে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাখ লাখ সদস্য রাজধানীর তৎপর, অথচ সীমান্ত এলাকা অরক্ষিত।’
বাংলাদেশ কি যুদ্ধ করিডোর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে— প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘ডামি সরকার যখন দেশের সীমান্ত রক্ষায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, এমন এক টালমাটাল পরিস্থিতিতে বান্দরবানে শুরু হয়েছে ব্যাংক লুট, পুলিশের অস্ত্র লুট, অপহরণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা।’
রিজভী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, কথিত কুকি-চিন নামে সশস্ত্র গোষ্ঠী ব্যাংক লুট, অস্ত্র লুট, পুলিশ ক্যাম্প-থানায় হামলার সঙ্গে জড়িত।
গত ৪ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও একটি বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার বক্তব্যটি একধারে বেশ কৌতূহলোদ্দীপক এবং উদ্বেগজনক বটে! তিনি বলেছেন, ‘কুকি-চিন নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল। তারা আমাদের সীমানা পার হয়ে ভিন্ন কোনো দেশে আশ্রয় নিয়েছিল এবং সেভাবেই তারা অবস্থান করছিল। এখন তারা কোত্থেকে আসছে, কীভাবে আসছে; মাঝে মাঝে তাদের প্রতিনিধি এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলে। তারা বলছিল, তারা শান্তি চায়। অনেক কিছুই বলছিল’—স্বরাষ্ট্র এই বক্তব্যে স্পষ্টই প্রমাণিত, কুকি-চিন সম্পর্কে তিনি অবগত থাকলেও তাদের সম্পর্কে তিনি খোঁজ-খবর রাখেননি কিংবা রাখার প্রয়োজন মনে করেননি, যোগ করেন রিজভী।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বরং অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, কোনো এক অজ্ঞাত-অজানা কারণে কুকি-চিনকে তোয়াজ করা হয়েছে। কেন কুকি-চিনকে এত তোয়াজ করা হয়েছে, এর পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে আসল রহস্য। দেশবাসী জানে, এই সশস্ত্র বাহিনী প্রশাসনের নাকের ডগায় বেড়ে উঠলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুকি-চিনের পরিবর্তে পাহাড়ে তথাকথিত জঙ্গি ধরার নাটক করেছে।

সরকার কুকি-চিনকে তোয়াজ করছে- এমন অভিযোগ তুলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কেন কুকি-চিনকে এত তোয়াজ করা হয়েছে, এর পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে আসল রহস্য।
শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যাতে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাখ লাখ সদস্য রাজধানীর তৎপর, অথচ সীমান্ত এলাকা অরক্ষিত।’
বাংলাদেশ কি যুদ্ধ করিডোর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে— প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘ডামি সরকার যখন দেশের সীমান্ত রক্ষায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, এমন এক টালমাটাল পরিস্থিতিতে বান্দরবানে শুরু হয়েছে ব্যাংক লুট, পুলিশের অস্ত্র লুট, অপহরণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা।’
রিজভী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, কথিত কুকি-চিন নামে সশস্ত্র গোষ্ঠী ব্যাংক লুট, অস্ত্র লুট, পুলিশ ক্যাম্প-থানায় হামলার সঙ্গে জড়িত।
গত ৪ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও একটি বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার বক্তব্যটি একধারে বেশ কৌতূহলোদ্দীপক এবং উদ্বেগজনক বটে! তিনি বলেছেন, ‘কুকি-চিন নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল। তারা আমাদের সীমানা পার হয়ে ভিন্ন কোনো দেশে আশ্রয় নিয়েছিল এবং সেভাবেই তারা অবস্থান করছিল। এখন তারা কোত্থেকে আসছে, কীভাবে আসছে; মাঝে মাঝে তাদের প্রতিনিধি এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলে। তারা বলছিল, তারা শান্তি চায়। অনেক কিছুই বলছিল’—স্বরাষ্ট্র এই বক্তব্যে স্পষ্টই প্রমাণিত, কুকি-চিন সম্পর্কে তিনি অবগত থাকলেও তাদের সম্পর্কে তিনি খোঁজ-খবর রাখেননি কিংবা রাখার প্রয়োজন মনে করেননি, যোগ করেন রিজভী।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বরং অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, কোনো এক অজ্ঞাত-অজানা কারণে কুকি-চিনকে তোয়াজ করা হয়েছে। কেন কুকি-চিনকে এত তোয়াজ করা হয়েছে, এর পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে আসল রহস্য। দেশবাসী জানে, এই সশস্ত্র বাহিনী প্রশাসনের নাকের ডগায় বেড়ে উঠলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুকি-চিনের পরিবর্তে পাহাড়ে তথাকথিত জঙ্গি ধরার নাটক করেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসির এমনভাবে কাজ করা উচিত, যাতে নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশ না থাকে। কিন্তু কমিশনের বিভিন্ন আচরণে সেই নিরপেক্ষতা নিয়েই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির (উদার গণতন্ত্র) হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থি-রাষ্ট্রবিরোধীদের দখলে যাবে।
২০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
২১ ঘণ্টা আগে
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
২১ ঘণ্টা আগে