অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন ‘আপনার ছেলেমানুষি মানায় না। ৮৪ বছর বয়সে আপনার এই ধরনের অভিমান মানায় না।’ আমরা আপনার পাশে আছি। আমরা সরকারের পাশে আছি বলেন তিনি।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কোরবানির পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে।আজ রোববার আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট এবং কাঁচা চামড়া ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
নির্দিষ্ট সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলা কী মহাপাপ? তাদের (উপদেষ্টা পরিষদ) কথা শুনে মনে হচ্ছে তারা বিভিন্ন মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কেন?'
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা সংস্কার করতে চাচ্ছি। বন্দর কাউকে দিচ্ছি না। রোববার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর ক্যাপিটাল মার্কেট সাংবাদিক ফোরামের আয়োজিত সিএমজেএফ টক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে গতকাল শনিবার বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রোববার আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
শনিবার (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা পৃথক পৃথক বৈঠকে এসব দাবি-দাওয়ার কথা জানিয়েছে। এসব বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সবগুলো রাজনৈতিক দলই প্রধান উপদেষ্টাকে আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে।
এ সময় দলটির স্থায়ী কমিটি সংগঠনের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, আবদুল কাদের হাওলাদার, এ টি এম মহব্বত আলী, করিম সিকদার, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, নাসিরুল হক নবাব; স্থায়ী কমিটির পর্যবেক্ষক সদস
তিনি বলেন, আমরা বলেছি দুইটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। একটা বলেছি, নির্বাচনটা কখন হবে? আপনি যে সময়সীমা দিয়েছেন, এর ভিতরেই জনগণের কোনো বড় ধরনের ভোগান্তি না হয়ে একটা কমফোর্টেবল টাইমে নির্বাচনটা হওয়া দরকার। দুই নম্বর আমরা বলেছি, এই নির্বাচনের আগে অবশ্যই সংস্কার এবং বিচারের কিছু দৃশ্যমান প্রক্রিয়া জনগণের সা
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে আমি, আমির খসরু সাহেব, মঈন খান সাহেব ও সালাহউদ্দিন আহমেদ এসেছিলাম। তবে আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু আগে জানানো হয়নি। তবুও আমরা বুঝতে পেরেছি যে, বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হবে।
শনিবার (২৪ মে) রাত ৮টায় তারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্য হলেন নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সরেজমিন দেখা যায়, বিএনপির প্রতিনিধি দলের মধ্যে প্রথমে যমুনায় প্রবেশ করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর বাকি ৩ সদস্য প্রবেশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ রাত ৮:৩০ টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বতী সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ বিবৃতিতে বলছে, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে, নির্বাচন-বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এ দেশে স্বৈরাচারের আগমন প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
এ সময় বাগছাস নেতাকর্মীরা 'এক দুই তিন চার, ডাকসু আমার অধিকার', 'আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই', 'সাম্য ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে', 'উই ওয়ান্ট ডাকসু', 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'জাস্টিস ফর সাম্য' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
দেশে চলমান সংকটে বিএনপি সরকারকে কী ধরনের পরামর্শ দেবে?— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোথায় সংকট? আমরা তো কোনো সংকট দেখছি না।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি, এই অন্তর্বর্তী সরকার একটি গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হয়েছে। ফলে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দায়বদ্ধতা রয়েছে। শুধু নির্বাচন আয়োজন নয়, বরং জুলাই গণহত্যাসহ বিগত সময়ের অপরাধসমূহের বিচার, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার মধ্য দিয়েই সরকারকে নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ‘উনি (প্রধান উপদেষ্টা) তো বলেননি যে উনি চলে যাবেন। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে থাকছেন। অন্য উপদেষ্টারাও থাকছেন।’