
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাড়তি শুল্কের চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘শূন্য শুল্ক’ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসার চেষ্টা করেছে ভারত। তবে তাতে এখনো সাড়া দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলছেন, ভারত এখন এসে এই যে কাজটি করছে, সেটি তাদের ‘বহু বছর আগে করা উচিত ছিল’।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন।
ভারতের ওপর কেন তিনি বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন, ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ধরন— এসব বিষয় উঠে এসেছে ট্রাম্পের ওই পোস্টে। তিনি লিখেছেন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক একতরফাভাবে ভারতের দিকে ঝুঁকে ছিল এতদিন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ছিল বিপর্যয়কর।
ট্রাম্প লিখেছেন, “খুব কম মানুষই বোঝে, আমরা ভারতের সঙ্গে খুব সামান্য ব্যবসা করি। অথচ তারা আমাদের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যবসা করে। অর্থাৎ তারা আমাদের কাছে বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি করে। আমরা তাদের সবচেয়ে বড় ‘গ্রাহক’। কিন্তু আমরা তাদের কাছে খুব সামান্য পণ্যই বিক্রি করি।”
দুই দেশের এই বাণিজ্যিক সম্পর্ককে একতরফা অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘এতদিন এই সম্পর্ক ছিল সম্পূর্ণ একতরফা, যা বহু দশক ধরেই চলছে। কারণ ভারত আমাদের ওপর এত বেশি পরিমাণে শুল্ক আরোপ করেছে যে এর পরিমাণ অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি।’
এত উচ্চ শুল্কের কারণেই ভারতের কাছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উৎপাদিত পণ্য খুব একটা বিক্রি করতে পারে না বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে কার এই সম্পর্ক ‘একেবারেই একতরফা’, যা যুক্তরাষ্ট্র্রের জন্য ‘বিপর্যয়কর’!
বিভিন্ন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ভারতকেও ছাড় দেননি ট্রাম্প। বরং ভারত যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও সামরিক অস্ত্র কেনে, তার জন্য ‘শাস্তি’ হিসেবে রীতিমতো ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প আরও বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন।
এ প্রসঙ্গ উঠে এসেছে ট্রাম্পের সোমবারের পোস্টেও। তিনি লিখেছেন, ‘ভারত তেল ও সামরিক পণ্যের অধিকাংশই রাশিয়ার কাছ থেকে কিনে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনে খুব সামান্য।’
ট্রাম্প শুল্ক আরোপের পর ভারত যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুল্ক শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে, সে প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন তারা তাদের শুল্ক একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু সময় ফুরিয়ে আসছে। এটা তাদের বহু বছর আগে করা উচিত ছিল।’
ভারতকে নিয়ে দেওয়া এসব তথ্য শুধুই ভেবে দেখার জন্য সবার সামনে পরিবেশন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট— এমনটিই তিনি উল্লেখ করেছেন তার পোস্টে।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর নির্ধারিত রপ্তানি শুল্ক ছিল ১৫ শতাংশ। গত ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মাথায় এপ্রিলে গিয়ে এই শুল্ক ২৫ শতাংশে উন্নীত করেন ট্রাম্প।
তবে সেখানেই থেমে থাকেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও অস্ত্র কেনে, এটিকে তিনি ভারতের ‘অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করেন বলে জানান। আর এ কারণে এর ‘শাস্তি’ হিসেবে আরোপ করেন আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি শুল্ক দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা গত ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। উচ্চমাত্রার এ শুল্কের আঘাত এরই মধ্যে অনুভূত হচ্ছে ভারতের অর্থনীতিতে, যার কি না মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি এই শুল্কের চাপে শেষ পর্যন্ত ভারতকে হাত বাড়াতে হয়েছে চীনের দিকে, যে চীনের সঙ্গেই ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ সবচেয়ে প্রবল।
সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের চীনের বন্দর শহর তিয়ানজিনে গিয়েছিলেন মোদি। ওই সম্মেলনের ফাঁকে রোববার তিনি বৈঠক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, রোববারের এ বৈঠক হয়েছে হৃদ্যতাপূর্ণ। বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বলেছেন, চীন ও ভারত পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং তারা সহযোগিতার অংশীদার (কোঅপারেশন পার্টনারস)। তিনি আরও বলেছেন, দুই দেশ পরস্পরের জন্য হুমকি নয়, বরং একে অন্যের কাছে ‘উন্নয়নের সুযোগ’।
একই ধরনের বক্তব্য এসেছে ভারতের দিক থেকেও। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে এখন একটি ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ’ বিরাজ করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্কের কারণে চীন ও ভারত দুই দেশই অর্থনীতি নিয়ে প্রবল চাপের মুখে। সেই চাপই এবার দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মধ্যে ‘শত্রুতাপূর্ণ’ সম্পর্ক বজায় রেখে আসা চীন ও ভারতকে কাছাকাছি আসার সুযোগ করে দিয়েছে।
দেশ দুটি এই সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে লালন করতে পারলে সেটি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের জন্যই বুমেরাং হয়ে যাবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

বাড়তি শুল্কের চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘শূন্য শুল্ক’ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসার চেষ্টা করেছে ভারত। তবে তাতে এখনো সাড়া দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলছেন, ভারত এখন এসে এই যে কাজটি করছে, সেটি তাদের ‘বহু বছর আগে করা উচিত ছিল’।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন।
ভারতের ওপর কেন তিনি বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন, ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ধরন— এসব বিষয় উঠে এসেছে ট্রাম্পের ওই পোস্টে। তিনি লিখেছেন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক একতরফাভাবে ভারতের দিকে ঝুঁকে ছিল এতদিন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ছিল বিপর্যয়কর।
ট্রাম্প লিখেছেন, “খুব কম মানুষই বোঝে, আমরা ভারতের সঙ্গে খুব সামান্য ব্যবসা করি। অথচ তারা আমাদের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যবসা করে। অর্থাৎ তারা আমাদের কাছে বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি করে। আমরা তাদের সবচেয়ে বড় ‘গ্রাহক’। কিন্তু আমরা তাদের কাছে খুব সামান্য পণ্যই বিক্রি করি।”
দুই দেশের এই বাণিজ্যিক সম্পর্ককে একতরফা অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘এতদিন এই সম্পর্ক ছিল সম্পূর্ণ একতরফা, যা বহু দশক ধরেই চলছে। কারণ ভারত আমাদের ওপর এত বেশি পরিমাণে শুল্ক আরোপ করেছে যে এর পরিমাণ অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি।’
এত উচ্চ শুল্কের কারণেই ভারতের কাছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উৎপাদিত পণ্য খুব একটা বিক্রি করতে পারে না বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে কার এই সম্পর্ক ‘একেবারেই একতরফা’, যা যুক্তরাষ্ট্র্রের জন্য ‘বিপর্যয়কর’!
বিভিন্ন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ভারতকেও ছাড় দেননি ট্রাম্প। বরং ভারত যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও সামরিক অস্ত্র কেনে, তার জন্য ‘শাস্তি’ হিসেবে রীতিমতো ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প আরও বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন।
এ প্রসঙ্গ উঠে এসেছে ট্রাম্পের সোমবারের পোস্টেও। তিনি লিখেছেন, ‘ভারত তেল ও সামরিক পণ্যের অধিকাংশই রাশিয়ার কাছ থেকে কিনে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনে খুব সামান্য।’
ট্রাম্প শুল্ক আরোপের পর ভারত যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুল্ক শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে, সে প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন তারা তাদের শুল্ক একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু সময় ফুরিয়ে আসছে। এটা তাদের বহু বছর আগে করা উচিত ছিল।’
ভারতকে নিয়ে দেওয়া এসব তথ্য শুধুই ভেবে দেখার জন্য সবার সামনে পরিবেশন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট— এমনটিই তিনি উল্লেখ করেছেন তার পোস্টে।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর নির্ধারিত রপ্তানি শুল্ক ছিল ১৫ শতাংশ। গত ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মাথায় এপ্রিলে গিয়ে এই শুল্ক ২৫ শতাংশে উন্নীত করেন ট্রাম্প।
তবে সেখানেই থেমে থাকেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও অস্ত্র কেনে, এটিকে তিনি ভারতের ‘অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করেন বলে জানান। আর এ কারণে এর ‘শাস্তি’ হিসেবে আরোপ করেন আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি শুল্ক দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা গত ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। উচ্চমাত্রার এ শুল্কের আঘাত এরই মধ্যে অনুভূত হচ্ছে ভারতের অর্থনীতিতে, যার কি না মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি এই শুল্কের চাপে শেষ পর্যন্ত ভারতকে হাত বাড়াতে হয়েছে চীনের দিকে, যে চীনের সঙ্গেই ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ সবচেয়ে প্রবল।
সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের চীনের বন্দর শহর তিয়ানজিনে গিয়েছিলেন মোদি। ওই সম্মেলনের ফাঁকে রোববার তিনি বৈঠক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, রোববারের এ বৈঠক হয়েছে হৃদ্যতাপূর্ণ। বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বলেছেন, চীন ও ভারত পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং তারা সহযোগিতার অংশীদার (কোঅপারেশন পার্টনারস)। তিনি আরও বলেছেন, দুই দেশ পরস্পরের জন্য হুমকি নয়, বরং একে অন্যের কাছে ‘উন্নয়নের সুযোগ’।
একই ধরনের বক্তব্য এসেছে ভারতের দিক থেকেও। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে এখন একটি ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ’ বিরাজ করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্কের কারণে চীন ও ভারত দুই দেশই অর্থনীতি নিয়ে প্রবল চাপের মুখে। সেই চাপই এবার দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মধ্যে ‘শত্রুতাপূর্ণ’ সম্পর্ক বজায় রেখে আসা চীন ও ভারতকে কাছাকাছি আসার সুযোগ করে দিয়েছে।
দেশ দুটি এই সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে লালন করতে পারলে সেটি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের জন্যই বুমেরাং হয়ে যাবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেছেন, হামলাগুলো বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি একটি এলাকাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। বন্দর আব্বাস ইরানের দক্ষিণের একটি বন্দর শহর এবং হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি ইরানি নৌঘাঁটির আবাসস্থল।
৩ ঘণ্টা আগে
দুই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রাম্প মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের স্পষ্ট করে বলেন, যারা এখনো আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ নন বা ইসরায়েলের সঙ্গে যাদের কোনো শান্তি চুক্তি নেই, তারা যেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই জোটে যোগ দেন এবং ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
১ দিন আগে
স্কুলশিক্ষিকার সঙ্গে পুতিনের সেই সৌজন্য সাক্ষাতের দৃশ্যটি মূলত পশ্চিমা গণমাধ্যমের সেই দাবিকে উড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছিল। গত ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা রুশ নেতা নিজের যে ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন, এটি ছিল তারই বহিঃপ্রকাশ— একজন আত্মবিশ্বাসী, সাধারণ মানুষের কাছের রাষ্ট্রনেতা, যিনি ব্যস্ততার
২ দিন আগে