একই সঙ্গে মায়ের যেকোনো আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তার জন্যও ক্ষমা চান তিনি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় খালেদা জিয়ার জানাজা হবে। এ জানাজায় অংশ নিতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এরই মধ্যে পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে।
১৯৮১ সালের সেই সময় খালেদা জিয়া ছিলেন একজন গৃহবধু। দুই সন্তানকে নিয়ে তখন ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থান করছিলেন। কে ধরবে বিএনপির হাল এমন প্রশ্নে খোদ দলের মধ্যে দুইটি ভাগ তৈরি হয়। সেই সময় খালেদা জিয়া রাজনীতিতে যোগ দেন নেতাকর্মীদের আগ্রহে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শেষে এখনো চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে কাউকে ঘোষণা করা হয়নি বলে এসব আসনে স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলবে। নতুন করে তফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হবে না।
শোক বইয়ে এরই মধ্যে সই করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা— আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও এতে সই করেছেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময় দেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, মানবাধিকারের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করে গেছেন। জেল খেটেছেন, নির্যাতিত হ
বহিষ্কৃত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য- মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহবায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার ইমামতি কে করবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত্য হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা বজায় রাখতে গণমাধ্যমসহ সর্বস্তরের মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে, যাতে জানাজা ও দাফন কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, খালেদা জিয়া একদিকে যেমন সত্যি সত্যি অভিভাবক ছিলেন, অন্যদিকে মাতৃস্নেহে আমাদের দেখতেন। কোনো দিন বাসায় যাওয়ার পর কোনো কিছু না খেয়ে ওনার বাসা থেকে কখনো কেউ যেতে পারতো না।
তারেক রহমান বলেন, অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের মা। আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
দেড় দশকের বেশি সময় ধরে অবস্থান করছেন লন্ডনে। এর মধ্যেই তারেক রহমান পেয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। দলের স্থায়ী কমিটির সঙ্গে তাই নিয়মিতই বৈঠক করতে হয়েছে তাকে। তবে সেসব বৈঠকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হতেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে হার না মানার রেকর্ড গড়েছিলেন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি যতবার, যত আসন থেকেই সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, প্রতিবারই প্রতিটি আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।