
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোটের দিনটিকে দেশের ১৩ কোটি ভোটারের জন্য একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের বিষয়েও আশাবাদ জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজে সপরিবার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়ার পর কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তারেক রহমান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আশাবাদী জয়ের ব্যাপারে। এতুটুকু আসন প্রত্যাশা করছি, যেটা দিয়ে সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম হব।’
ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি যতটুকু দেখেছি, মানুষ উৎসাহ দিয়ে ভোট প্রদান করছেন। ১৭ বছর ধরে মানুষ বঞ্চিত ছিল। ১৩ কোটি ভোটারের জন্য এটি একটি স্মরণীয় দিন। লঞ্চ-স্টিমারে করে মানুষ দেশে গেছে। সেই উৎসাহের প্রতিফলন দেখব আশা করি।’
জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারলে গণতন্ত্রের সূচনা হবে বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। এ সময় বুধবার রাত থেকে গণমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছে জানিয়ে এ চেষ্টা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশার কথাও জানান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন। যারা এরই মধ্যে ভোট দিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন, তাদের প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।’
বাকিদেরও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আর যারা এখনো ভোট দেননি, অনুরোধ রইল, সময়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। আপনার একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন, সবাই মিলে একসাথে দেশ গড়ি, ইনশাআল্লাহ।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোটের দিনটিকে দেশের ১৩ কোটি ভোটারের জন্য একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের বিষয়েও আশাবাদ জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজে সপরিবার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়ার পর কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তারেক রহমান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আশাবাদী জয়ের ব্যাপারে। এতুটুকু আসন প্রত্যাশা করছি, যেটা দিয়ে সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম হব।’
ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি যতটুকু দেখেছি, মানুষ উৎসাহ দিয়ে ভোট প্রদান করছেন। ১৭ বছর ধরে মানুষ বঞ্চিত ছিল। ১৩ কোটি ভোটারের জন্য এটি একটি স্মরণীয় দিন। লঞ্চ-স্টিমারে করে মানুষ দেশে গেছে। সেই উৎসাহের প্রতিফলন দেখব আশা করি।’
জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারলে গণতন্ত্রের সূচনা হবে বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। এ সময় বুধবার রাত থেকে গণমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছে জানিয়ে এ চেষ্টা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশার কথাও জানান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন। যারা এরই মধ্যে ভোট দিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন, তাদের প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।’
বাকিদেরও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আর যারা এখনো ভোট দেননি, অনুরোধ রইল, সময়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। আপনার একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন, সবাই মিলে একসাথে দেশ গড়ি, ইনশাআল্লাহ।’

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে