তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন করতে গিয়ে তার ওপর সরকারের ভয়াবহ নিপীড়ন চলে। একাধিকবার সে কারানির্যাত হয়। এ ছাড়া বার বার গ্রেপ্তারের পর পুলিশি নির্যাতনও চলে তার ওপর।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘সরকারের গণবিরোধী নীতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, পানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, সব জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।’
দলের শীর্ষস্থানীয় পদ ছাড়াও মধ্যম সারির নেতাদের কারো পদোন্নতি দেওয়া, কাউকে পদাবনত করা হয়েছে, বাদ পড়েছেন কেউ কেউ।
এই আনন্দঘন ঈদে মানুষের মনে সুখ নেই, আনন্দ নেই। মানুষের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে এই লুটেরা সরকার বলেছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, মানুষের ঘরে খাবার নেই। উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরাও এখন অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা, তারাও কোরবানি করার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে। কোরবানির পশুর হাটে ক্
তিনি বলেন, এটা সরকারের ব্যর্থতা। আমাদের দ্বীপে আমরা যেতে পারছি না। সেই দ্বীপে অন্য দেশ থেকে গুলি করা হচ্ছে, গুলি করে মেরেও ফেলা হয়েছে। অথচ সরকার এই ব্যাপারে কোনো বক্তব্য পর্যন্ত দেয়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন- এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি, যা নিয়ে আমরা বক্তব্য দেব।
সূত্রাপুরের দুই ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে এরশাদ শাসনামলে সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হয়েছিলো জিন্টুর। ওই আদেশে আরো তিন জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে আবুল হাসনাত কামাল নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও বিদেশে পালিয়ে যায় জিন্টু।
শামসুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। যেকোনও সময় সরকারের পতন ঘটতে পারে। এই ফ্যাসিবাদের পতন হতে পারে। এত বড় লুণ্ঠনকারী, বেহায়া, স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনও ক্ষমতায় আসেনি।’
ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণসহ চার মহানগরে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ছাত্রদলের চার কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না’র নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি। সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণ ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে। আমরা হয়ত তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করত
গতকাল একটা ফোরামে নোয়াব (সংবাদপত্র মালিক সমিতি) এর একটা সেমিনারে দেশের সবচেয়ে স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদরা তারা বলেছেন যে, অর্থনীতি একটা বিপর্যয়ের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।
রিজভী বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষ এক দম বন্ধ করা পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছি, দিনযাপন করছি। একদিকে সরকারি আক্রমণ, একদিকে গুম খুন ক্রসফায়ার, আরেক দিকে ক্ষুধায় দারিদ্রতায় বঞ্চনায় মানুষ আত্মহত্যা করছে। মায়েরা, পিতামাতারা তার সন্তান বিক্রি করছে। এ উপহার দিয়েছেন সরকার।
মির্জা ফখরুল বলেন, নিজের স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে দেশকে কীভাবে বিক্রি করে দিচ্ছে, পরনির্ভরশীল করে ফেলেছে। তাদের (সরকার) কথা-বার্তায় সব বেরিয়ে আসছে। তারা আজকে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে কার স্বার্থে? সম্পূর্ণভাবে বিদেশিদের স্বার্থে। পরনির্ভরশীল একটা জাতিতে পরিণত করেছে সরকার।
শনিবার বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনসহ রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনটি বিএনপি কার
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,জাতীয় সংসদে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রাঘববোয়ালদের লুট করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বাঙালি জাগরণে করণীয় ও সিরাজুল আলম খান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় সমাজতা
এদিকে, শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে বাজেট প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট ‘কালো টাকার’। সুতরাং বাজেট নিয়ে কথা বলার দরকার নেই।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম হাফিজ কেনেডির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পেশাজীবী পরিষদের সদস্যসচিব