
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে এই দখলদার সরকার। এই সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। আমাদের সুর একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে, শীঘ্রই আমাদের আন্দোলন আরও বেগমান হবে বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১২ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট-উত্তরণের পথ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি।
সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণ ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে। আমরা হয়ত তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে, নতুন সূর্যোদয় হবেই সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একা নয়, দেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম। আমাদের লক্ষ্য একটাই এই সরকারকে সরিয়ে দেওয়া।
সরকারের অপকীর্তির কথা বলে শেষ করা যাবে না বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এরা রাজনৈতিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক কাঠামো দুইকেই ধ্বংস করেছে।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির মহাসচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অনেকেই।

আমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে এই দখলদার সরকার। এই সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। আমাদের সুর একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে, শীঘ্রই আমাদের আন্দোলন আরও বেগমান হবে বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১২ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট-উত্তরণের পথ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি।
সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণ ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে। আমরা হয়ত তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে, নতুন সূর্যোদয় হবেই সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একা নয়, দেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম। আমাদের লক্ষ্য একটাই এই সরকারকে সরিয়ে দেওয়া।
সরকারের অপকীর্তির কথা বলে শেষ করা যাবে না বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এরা রাজনৈতিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক কাঠামো দুইকেই ধ্বংস করেছে।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির মহাসচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অনেকেই।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে