
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে বিজয়ী দল বিএনপি। দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে রাষ্ট্র পরিচালনায় দলের অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতাদের ওপর ভরসা না করে তরুণ এবং নতুন মুখের প্রাধান্য দিয়েছে দলটি। ফলে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন দলটির বেশ কয়েকজন সিনিয়র ও প্রভাবশালী নেতা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে এবার মন্ত্রিসভা গঠনে ‘পরিবর্তন ও তারুণ্যের’ ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।
বাদ পড়েছেন যারা
মির্জা আব্বাস
ঢাকা-৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। এবারও তাকে মন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছিল। কিন্তু মন্ত্রীদের তালিকায় পাওয়া যায়নি তার নাম। অর্থাৎ, তাকে কোনো মন্ত্রণালয় দেয়নি বিএনপি সরকার।
ড. আব্দুল মঈন খান
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই রাজনীতিককে মন্ত্রী করা হতে পারে, তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে পারেন- এমন নানা আলোচনা ছিল। কিন্তু মন্ত্রী হিসেবে তার জায়গায় হয়নি বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায়। দল থেকে তাকে কী দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকে তাকিয়ে সবাই।
ড. রেজা কিবরিয়া
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির টিকিটে ভোটে লড়েছেন, বিজয়ীও হয়েছেন। রেজা কিবরিয়া তার বাবার মতো অর্থমন্ত্রী হতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন ছিল। কিন্তু মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের সময় তার নাম ডাকা হয়নি, অর্থাৎ তাকে কোনো মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়।
ফজলুর রহমান
এবারের নির্বাচনের প্রার্থিতা ঘোষণার বহু আগেই থেকেই নানা কারণে আলোচনায় ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান। তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন কি না, এ নিয়ে ছিল বড় সংশয়। অবশেষে ফজলুর রহমানকে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে প্রার্থী করে বিএনপি, বিপুল ভোটে তিনি বিজয়ীও হয়েছেন।
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই জোর গুঞ্জন চলছিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন ফজলুর রহমান। কিন্তু আদতে তিনি কোনো মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্ব পাননি।
এছাড়াও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় থাকা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওসমান ফারুক, রুহুল কবির রিজভী, আমানুল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান দুদু ও লুৎফুজ্জামান বাবরও মন্ত্রিত্ব পাননি। তারা প্রত্যেকেই আলোচনায় ছিলেন।
এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ওসমান ফারুক রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় আছেন। আবার এদের মধ্য থেকে যে কেউ জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে পারেন বলেও গুঞ্জন আছে।
অন্যদিকে তরুণ তুর্কীদের মধ্যে এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হতে পারেন বলে শোনা গিয়েছিল। এছাড়া সেলিম ভূঁইয়া, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, আজিজুল বারী হেলাল, হুম্মম কাদের চৌধুরী, রকিবুল ইসলাম বকুল প্রমুখও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় নেই।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ পড়েন নতুন সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়েন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর আগে সকাল ১০টায় প্রথমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ পড়েন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটের এমপিদের শপথ পড়ান সিইসি।

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে বিজয়ী দল বিএনপি। দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে রাষ্ট্র পরিচালনায় দলের অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতাদের ওপর ভরসা না করে তরুণ এবং নতুন মুখের প্রাধান্য দিয়েছে দলটি। ফলে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন দলটির বেশ কয়েকজন সিনিয়র ও প্রভাবশালী নেতা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে এবার মন্ত্রিসভা গঠনে ‘পরিবর্তন ও তারুণ্যের’ ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।
বাদ পড়েছেন যারা
মির্জা আব্বাস
ঢাকা-৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। এবারও তাকে মন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছিল। কিন্তু মন্ত্রীদের তালিকায় পাওয়া যায়নি তার নাম। অর্থাৎ, তাকে কোনো মন্ত্রণালয় দেয়নি বিএনপি সরকার।
ড. আব্দুল মঈন খান
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই রাজনীতিককে মন্ত্রী করা হতে পারে, তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে পারেন- এমন নানা আলোচনা ছিল। কিন্তু মন্ত্রী হিসেবে তার জায়গায় হয়নি বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায়। দল থেকে তাকে কী দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকে তাকিয়ে সবাই।
ড. রেজা কিবরিয়া
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির টিকিটে ভোটে লড়েছেন, বিজয়ীও হয়েছেন। রেজা কিবরিয়া তার বাবার মতো অর্থমন্ত্রী হতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন ছিল। কিন্তু মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের সময় তার নাম ডাকা হয়নি, অর্থাৎ তাকে কোনো মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়।
ফজলুর রহমান
এবারের নির্বাচনের প্রার্থিতা ঘোষণার বহু আগেই থেকেই নানা কারণে আলোচনায় ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান। তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন কি না, এ নিয়ে ছিল বড় সংশয়। অবশেষে ফজলুর রহমানকে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে প্রার্থী করে বিএনপি, বিপুল ভোটে তিনি বিজয়ীও হয়েছেন।
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই জোর গুঞ্জন চলছিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন ফজলুর রহমান। কিন্তু আদতে তিনি কোনো মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্ব পাননি।
এছাড়াও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় থাকা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওসমান ফারুক, রুহুল কবির রিজভী, আমানুল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান দুদু ও লুৎফুজ্জামান বাবরও মন্ত্রিত্ব পাননি। তারা প্রত্যেকেই আলোচনায় ছিলেন।
এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ওসমান ফারুক রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় আছেন। আবার এদের মধ্য থেকে যে কেউ জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে পারেন বলেও গুঞ্জন আছে।
অন্যদিকে তরুণ তুর্কীদের মধ্যে এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হতে পারেন বলে শোনা গিয়েছিল। এছাড়া সেলিম ভূঁইয়া, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, আজিজুল বারী হেলাল, হুম্মম কাদের চৌধুরী, রকিবুল ইসলাম বকুল প্রমুখও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় নেই।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ পড়েন নতুন সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়েন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর আগে সকাল ১০টায় প্রথমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ পড়েন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটের এমপিদের শপথ পড়ান সিইসি।

শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
৫ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুলকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। এর মধ্য দিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে