৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক, কী তাদের রাজনৈতিক পরিচয়

নাজমুল ইসলাম হৃদয়
ছয় সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত ছয় প্রকাশক (বাঁ থেকে) ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটিতে মো. শফিকুল ইসলাম খান, খুলনা সিটিতে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেট সিটিতে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ সিটিতে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান ও গাজীপুর সিটিতে মো. শওকত হোসেন সরকার। কোলাজ: রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করল বিএনপি। ক্ষমতায় আসার এক সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে আগের প্রশাসককে সরিয়ে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া ছয় প্রশাসকই বিএনপির নেতা।

এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশনগুলোর মেয়রদের পদচ্যুত করে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিল। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এবার ‘রাজনৈতিক’ প্রশাসক নিয়োগ দিল।

ছয় সিটি করপোরেশনের কোনটিতে কে নিয়োগ পেলেন—

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

মো. আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত
মো. আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আবদুস সালাম। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন। বিএনপির বর্ষীয়ান এই নেতা এক সময় অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব ছিলেন তিনি। পরে ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত হয়ে যায়। আবদুস সালাম বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হলেও তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তবে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে দলীয় প্রার্থী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডিএসসিসির মেয়র ছিলেন শেখ ফজলে নূর তাপস। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের দুই দিন আগে দেশ ছেড়ে যান তিনি, ১৯ আগস্ট তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শাহজাহান মিয়াকে ডিএসসিসির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রশাসকেরও দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

গত বছরের অক্টোবরের শেষের দিকে ডিএসসিসির প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শাহজাহান মিয়াকে। গত নভেম্বরে এ পদে নিয়োগ পান মো. মাহমুদুল হাসান। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মাহমুদুল হাসানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ডিএসসিসির প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন তার জায়গায় নতুন প্রশাসক হলেন আবদুস সালাম।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

মো. শফিকুল ইসলাম খান। ছবি: সংগৃহীত
মো. শফিকুল ইসলাম খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপি নেতা মো. শফিকুল ইসলাম খান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন তিনি। রাজধানীর শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল ও মিরপুরের একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের কাছে তিনি হেরে যান।

শফিকুল ইসলাম খান যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। এর আগে তিনি ঢাকা মহাগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব ছিলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সবশেষ মেয়র ছিলেন আতিকুল ইসলাম। জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট তাকে এ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান ও পরে রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের (আরডিআরসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ এ সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দুর্নীতি-অনিয়মে অভিযুক্ত এজাজকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সরিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আক্তার জাহানকে এই সিটির নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেয় সরকার। এবার এই সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।

খুলনা সিটি করপোরেশন

নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ছবি: সংগৃহীত
নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ছবি: সংগৃহীত

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক।

২০২১ সালের আগে দীর্ঘ ২৮ বছর খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এর মধ্যে ১৬ বছর সাধারণ সম্পাদক এবং ১২ বছর ছিলেন সভাপতি।

সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। তবে এবার জিততে পারেননি। জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলালের কাছে হারেন তিনি।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জোটের ভরাডুবির মধ্যেও খুলনা-২ আসনে জয় পেয়েছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও তিনি খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। একই বছরের খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ছিলেন তিনি। এই দুই নির্বাচনে তিনি হেরে যান।

এই সিটির সর্বশেষ মেয়র ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা তালুকদার আব্দুল খালেক, যাকে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে প্রশাসক হিসেবে সিটির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সর্বশেষ দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ। নতুন সরকারি আদেশে হেলাল মাহমুদ শরীফের স্থলাভিষিক্ত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

সিলেট সিটি করপোরেশন

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন তিনি।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ২০২২ সালের ২৯ মার্চ সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ পর্যন্ত সিলেটে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের সমন্বয়কারী ও সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন।

বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের দায়িত্বেও ছিলেন। বর্তমানে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তবে মনোনয়ন পাননি। এ আসনে দলের মনোনয়ন পান যুক্তরাজ্য বিএনপির সদ্যসাবেক সভাপতি এম এ মালিক। নির্বাচনে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট জেলার সবকটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীদের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট সর্বশেষ মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে অপসারণের পর থেকে এই সিটি করপোরেশনটি প্রশাসকের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসক খান মো. রেজা-উন-নবীর জায়গায় নতুন প্রশাসক হলেন আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন

সাখাওয়াত হোসেন খান। ছবি: সংগৃহীত
সাখাওয়াত হোসেন খান। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান।

আলোচিত সাত খুনের মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে পরিচিত পাওয়া সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন। ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন তিনি। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী ৭৮ হাজার ৯৬৭ ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত করেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এই সিটির প্রশাসক পদে দায়িত্ব দিয়েছিল আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে। এবার তার স্থালাভিষিক্ত হলেন সাখাওয়াত হোসেন খান।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন

শওকত হোসেন সরকার। ছবি: সংগৃহীত
শওকত হোসেন সরকার। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শওকত হোসেন সরকার। তিনি গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি।

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার আগে টানা ১০ বছর শওকত হোসেন সরকার কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বাবা গিয়াসউদ্দিন সরকার, চাচা সোহরাব উদ্দিন সরকার এবং দাদা জবেদ আলী সরকারও একই ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান ছিলেন।

আওয়ামী লীগ আমলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন আওয়ামী নেতা ও এই সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন। ২০২৪ সালের আগস্টের পটপরিবর্তনে তিনি পদ হারান। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ছিলেন শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এখন তার জায়গায় নিয়োগ পেলেন শওকত হোসেন সরকার।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন সময়ের দাবি: জামায়াত আমির

তিনি বলেন, ‘চাঁদার এ সংস্কৃতিকে এমনভাবে জাতীয়করণ করা হয়েছে, যেন চাঁদা না দেওয়াই অপরাধ! নেতৃত্বের জায়গা থেকে যখন চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া হয়, তখন এ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সকলের ওপরেই বর্তাবে। মাঝখানে নিরীহ জনগণের জীবন এভাবেই কি ঝরে পড়বে?’

২ দিন আগে

হাসনাতের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর স্ট্যাটাস ভাইরাল

এর আগে ইফতারের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২ শব্দের একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাস দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টের পর তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

৩ দিন আগে

বাংলাসহ সবার মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা-সংরক্ষণ আমাদের অন্যতম দায়িত্ব: নাহিদ

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যে সকল শহীদেরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন, দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, আমরা তাঁদেরই উত্তরসূরী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের সংগ্রাম, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৪৭ সালের আজাদীর লড়াই-আমরা সবকিছুকেই একই সুতায় গাঁথা মনে করি।’

৩ দিন আগে

চাঁদাবাজি নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের

বিবৃতিতে বলা হয়, “সম্প্রতি সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছেন। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”

৩ দিন আগে