এর আগে ২০২২ সালের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে এক রানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়েছিল বরিশালের। শেষের নাটকীয়তায় কাছাকাছি গিয়েও স্বপ্ন ছুঁতে না পারার যন্ত্রণা বছর দুয়েক ধরেই বয়ে বেড়াচ্ছিল বরিশাল। অবশেষে এবার ফাইনালে কুমিল্লাকে পেয়ে সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ আসে। আর ভাগ্যও সঙ্গে ছিল ফরচুনদ
তিনি বলেন, ‘আজকে সকালে প্রধানমন্ত্রী পৌনে সাতটার সময় আমার সাথে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসার সকল ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আমি সকল রোগীদের দায়িত্ব নিলাম। সরকারের পক্ষ থেকে রোগীদের চিকিৎসার জন্য সব কিছু করা হবে।’
পরিদর্শন শেষে তারা জানান, সাততলা ভবনটির নিচতলা থেকে সাততলা পর্যন্ত বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও কাপড়ের দোকান ছিল। সিঁড়ির সাথেই রেস্টুরেন্টের রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য বড় বড় গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় উপরে আটকেপড়া লোকজন সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে পারেনি। এ জন্য এত হতাহত হয়েছে।
তিনি বলেন, বেইলি রোডে গতকাল রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢামেক মর্গে রয়েছে ৬ জনের মরদেহ। তাদের মধ্যে ৩ জনের নামপরিচয় শনাক্ত করতে দেওয়া হয়েছে ডিএনএ টেস্ট। বাকি ৩ জনের মরদেহ দাবিকরা স্বজনরা ঢাকায় আসছেন। তাদের যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একজনের স্বজন কুষ্টিয়া থেকে আসছেন এমনটি জান
অন্যদিকে, ২০২২ সালের ফাইনালে কুমিল্লার কাছেই হেরে রানার্সআপ হওয়া ফরচুন বরিশালের এটি দ্বিতীয় ফাইনাল। তবে ‘ফরচুন বরিশাল’ নামে না হলেও বিপিএলে বরিশাল দল ফাইনাল খেলেছে আরও দুবার। ২০১২ সালের প্রথম বিপিএলে বরিশাল বার্নার্স নামে ফাইনাল খেলে তারা হেরেছিল চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়টর্সের কাছে। ‘বরিশাল বুলস’ ন
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত ও হতাহাতের খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার নেপথ্যের কারণ, ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ হতাহত বেশি হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করবে এই কমিটি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, গতকাল রাতে অত্যন্ত মর্মান্তিক একটি দুর্ঘটনা ঘটে, যেটি কখনো কাম্য ছিল না। এই দুর্ঘটনায় সর্বমোট ৪৬ জন মারা গেছেন। বাকি যে কয়জন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তারা কেউ শঙ্কামুক্ত নন। আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে তাদের জন্য চেষ্টা করছি।
নিহতদের মধ্যে ১০ জন মারা যান শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে, ঢাকা মেডিকেলে মারা যান ৩৪ জন এবং একজন পুলিশ হাসপাতালে মারা গেছেন। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন ৪৩ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন। মন্ত্রী আরো জানান, ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সবার কণ্ঠনালী পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।
মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যুক্ত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ঢাকা জেলা প্রশাসনের কাছে নিহত ১৬ জনের তথ্য রয়েছে। রাতেই ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। এরপর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই চিকিৎসকের গায়ে আগুন দেওয়ার পর তার সাবেক স্বামী নিজের গায়েও আগুন দিয়েছিলেন। তিনি ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান।
এ ছাড়া বনলতা ট্রেনে একটি কোচ, পদ্মা, ধূমকেতু ও সিল্কসিটি ট্রেনে দুইটি কোচ, তিতুমীর ট্রেনে একটি কোচ; বরেন্দ্র ট্রেনে একটি কোচ, সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ ট্রেনে দুইটি করে কোচ, ঢালারচর এক্সপ্রেস এবং বাংলাবান্ধা ট্রেনে একটি করে অতিরিক্ত কোচ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
হিজাব না পরার কারণে হঠাৎ করে রুনিয়া সরকার নামে শিক্ষিকা কাঁচি দিয়ে ৭ম শ্রেণির ৬ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেন। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ধামা-চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, হিজাব না পরার
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাউশির পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) কাজী মইনুল হাসান, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ছেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, আর বাবার মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে ট্রেনটি জেলার বাসাইল উপজেলার সোনালিয়া এলাকায় বিকল হয়। এ সময় টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জে বেশ কয়েকটি স্টেশনে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন আটকা পড়ায় ভোগান্তি পড়তে হয় যাত্রীদের।