
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বয়সসীমা লঙ্ঘন করে ভর্তি করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে গতকাল বুধবার হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে মাউশি।
এই ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বিভিন্ন শাখায় ভর্তি চ্যালেঞ্জ করে ভর্তিচ্ছু অপর দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক রিট আবেদন করেছিলেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাউশির পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) কাজী মইনুল হাসান, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ভিকারুননিসা স্কুল কর্তৃপক্ষকে মাউশির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এবং আগামী ৬ মার্চের আগে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত। তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি নীতিমালায় বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে জন্ম এমন শিক্ষার্থীরা ভিকারুননিসা নূন স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। কিন্তু মাউশি দেখেছে, ওই ১৬৯ শিক্ষার্থীর জন্ম ২০১৫ ও ২০১৬ সালে এবং ভর্তির বয়সসীমার নীতি লঙ্ঘন করে তাদের ভর্তি করা হয়েছে।
মাউশির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভিকারুননিসার গভর্নিং বডি বৈঠক করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ভিকারুননিসা স্কুলের পক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিউল ইসলাম।
তিনি জানান, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাউশির সঙ্গে পরামর্শ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে বেইলি রোড, আজিমপুর শাখা, ধানমন্ডি শাখা ও বসুন্ধরা শাখায় ওই ১৬৯ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করেছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বয়সসীমা লঙ্ঘন করে ভর্তি করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে গতকাল বুধবার হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে মাউশি।
এই ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বিভিন্ন শাখায় ভর্তি চ্যালেঞ্জ করে ভর্তিচ্ছু অপর দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক রিট আবেদন করেছিলেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাউশির পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) কাজী মইনুল হাসান, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ভিকারুননিসা স্কুল কর্তৃপক্ষকে মাউশির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এবং আগামী ৬ মার্চের আগে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত। তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি নীতিমালায় বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে জন্ম এমন শিক্ষার্থীরা ভিকারুননিসা নূন স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। কিন্তু মাউশি দেখেছে, ওই ১৬৯ শিক্ষার্থীর জন্ম ২০১৫ ও ২০১৬ সালে এবং ভর্তির বয়সসীমার নীতি লঙ্ঘন করে তাদের ভর্তি করা হয়েছে।
মাউশির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভিকারুননিসার গভর্নিং বডি বৈঠক করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ভিকারুননিসা স্কুলের পক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিউল ইসলাম।
তিনি জানান, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাউশির সঙ্গে পরামর্শ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে বেইলি রোড, আজিমপুর শাখা, ধানমন্ডি শাখা ও বসুন্ধরা শাখায় ওই ১৬৯ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার আসনে (ঢাকা-১৫) এ ‘ফুডপ্যাক’ বিতরণ করেন। জামায়াতের ফেসবুক পেজে শুরুতে বলা হয়েছিল, চীন এবং তাদের যৌথ উদ্যোগে এ উপহার বিতরণে করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সদরঘাট রিভার পুলিশের ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
১৫ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ আন্দোলনবিরোধী ভূমিকা শনাক্ত করতে আল হাদিস বিভাগের জামাতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। লিখিত অভিযোগ, ভিডিওচিত্র ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিটি সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করলেও, সেই তথ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্
১৬ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৮ মার্চ) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর ফকির স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্র
১৬ ঘণ্টা আগে