
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এ হামলার শিকার হন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলাম আদিব নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারণায় অংশ নিতে গেলে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়। এতে প্রার্থীসহ এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি এ ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য দেশবাসী মেনে নেবে না। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এ হামলার শিকার হন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলাম আদিব নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারণায় অংশ নিতে গেলে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়। এতে প্রার্থীসহ এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি এ ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য দেশবাসী মেনে নেবে না। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলে কোনো দল নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘এনসিপি সরকার গঠন করতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মাদক পাচার রোধ করা যায়। ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদক উৎপাদন ও পাচার বাড়ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর পড়ছে।’
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।
২ দিন আগে
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় টিকা কেনা হয়নি। জনগণের জীবন রক্ষার চেয়ে সরকার অন্য বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণেই সময়মতো ইউনিসেফের টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
২ দিন আগে