এক বিবৃতিতে এইওআই বলেছে, “যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী ও অপরাধী সরকার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আগ্রাসী ও বর্বর হামলা চালিয়েছে।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, "ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সম্ভাব্য হামলার জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো আগ্রাসন বা নিষ্ঠুরতার জবাব দেওয়া হবে দৃঢ় ও ধ্বংসাত্মকভাবে।"
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি দেশটির রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুজেস্তানের সালান্দ এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্রস্থল।
ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলা দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এর পালটা প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেও সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথার দাম এক কোটি ডলার ঘোষণা করেছে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)। ইরানপন্থি এই সংগঠনটি জানিয়েছে, ট্রাম্পকে কেউ হত্যা করতে পারলে তাকে পুরস্কার হিসেবে এ অর্থ দেওয়া হবে।
গত সপ্তাহে তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির কফিনের পাশে হাঁটছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। চারপাশে কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষের ভিড়। তবে তাদের কেউ কেউ প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানানোর বদলে সরাসরি প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে স্লোগান দেন— ‘সমঝোতাকারীর মৃত্যু হোক।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, বুধবার পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান এক আদেশে কুমিরকে ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনায় থাকা বন্য প্রাণী’ হিসেবে পুনঃশ্রেণিবদ্ধ করেন। ফলে নির্দিষ্ট শর্তে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য কুমির ব্যবহারের আইনি বাধা দূর হলো।
হামাসের সঙ্গে কথিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার নয় মাস পরও ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই তা লঙ্ঘন করে চলেছে। গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের একাধিক হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের অর্ধেকের বেশি একটি জানাজার শোকযাত্রায় ড্রোন হামলার শিকার হন।
ইরানকে দ্রুত নতি স্বীকার করানো যাবে— ট্রাম্প প্রশাসনের এই ধারণাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নের মুখে। যে সংঘাতের দ্রুত সমাপ্তি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেটিই ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। আর সেই পথই যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেলে দিতে পারে আরেকটি নতুন ‘ফরএভার ওয়ার’— অর্থাৎ ‘অন্তহীন যুদ্ধে’র দিকে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ইরানকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেই এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে। বিমান হামলার পাশাপাশি ইরানের কৌশলগত বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ কার্যকর করা শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, মাইনক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই ট্যাঙ্কার দুটিকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে। একই সাথে তারা নাবিকদের নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ছড়ানো ‘বিভ্রান্তি’ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্তত পাঁচটি সেতুতে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে শুক্রবার কুয়েতের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে তেহরান। এর ফলে দুই দেশের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে।
গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও প্রতিদিনের হামলা-পালটা হামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি
হুতিদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাহাজ চলাচলে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও এডেন উপসাগরের দিকে নজর রাখা পার্বত্য এলাকায় এবং লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করেছে। এখন শুধু হামলা শুরুর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তা
হরমুজ প্রণালিতে খার্গ দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের গ্রেটার তুনব দ্বীপ, প্রধান বন্দর বান্দার আব্বাসসহ বিভিন্ন শহরের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে দুই দফায় হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার অভিযানের অংশ হ
গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ‘প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করায়’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।