জবাবে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পালটা পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল। পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে পশ্চিম তীরের বসতি ইস্যুতে ইসরায়েল ও তার কয়েকটি ঐতিহ্যগত পশ্চিমা মিত্রের মধ্যে কূট
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুরকি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের বৈরী কর্মকাণ্ডের দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।’
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিজানে প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় শোধনাগার রয়েছে। গত জুলাই থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে। এর আগে জিজান ও ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
হামলার আগে শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অনলাইনে কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। হামলার বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলার স্থানে চিকিৎসাকর্মী ও শিশুরা থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিল কি না এবং কেন কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি— এ
ইরানের এ ঘোষণা এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমুদ্রপথে সরাসরি সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ ও এর আশপাশে কয়েকটি জাহাজে পালটা হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এস
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছিল, সেনারা গাড়ির ভেতরে হামাসের সদস্য থাকার ভুল ধারণা থেকে হামলা চালিয়েছিল। আইডিএফ পরে স্বীকার করে যে ঘটনাটিতে গুরুতর ভুল হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেকের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদক ইরান। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটির অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশই খারগ দ্বীপের মাধ্যমে রপ্তানি করা হতো। তবে এপ্রিলের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর অবরোধ আরোপের পর থেকে এই তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
প্রায় দুই বছর আগে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর ওই ভবনটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন মালকা পরিবারের সদস্যরা। পরিবারটির প্রায় ৬০ জন সদস্য সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
গত ৪৮ ঘণ্টায় ইয়েমেনের তাইজ এবং হোদাইদায় হামলা ও পাল্টা হামলার মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত এখনও অব্যাহত রয়েছে, যা নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে।
দক্ষিণ ইরানের ছোট শহর কুহেস্তাকে বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে চারজন নিহত ও অন্তত ৬৮ জন আহত হওয়ার ঘটনায় মার্কিন বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনজন সামরিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বিস্ফোরণটি অন্য কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে ছিটকে আসা গোলার কারণে নয়, বরং বিয়ের অনুষ্ঠান চলা বাড়িটির ছাদে
কুয়েত জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলাটিকে ‘নির্লজ্জ ইরানি আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এর আগে বুধবার বাহরাইন ও জর্ডানও জানিয়েছিল, তারা ইরানের কয়েকটি বিমান হামলা প্রতিহত করেছে।
সাম্প্রতিক ইসরায়েলি প্রতিবেদনে পরিকল্পনাটিকে ‘ডিজিএংগেজমেন্ট ৭১০’ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে প্রথম বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার এবং সাত বছরের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনিকে গাজা থেকে সরানোর লক্ষ্য রয়েছে। পরিকল্পনায় গাজা ছাড়তে আগ্রহীদের জন্য গন্তব্য দেশের সঙ্গে সমঝোতা, নিয়ন্ত্রিত অভিবাসনপথ এবং পুনর
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইরানে বেসামরিক মানুষের হতাহতের খবরে ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ বলে জানিয়েছেন। বিশেষ করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার খবর তাকে উদ্বিগ্ন করেছে। তার মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক এ কথা জানান। তিনি সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের উত্তরে ‘সিদর’ জাহাজটিকে লক্ষ্য করে কয়েকটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল ছোঁড়া হয়। প্রায় একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার মালিকানাধীন ‘সেনেগাল প্রসপারিটি’ নামের আরেকটি তেলবাহী জাহাজেও হামলা চালানো হয়। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল করে সৌদি অপর
কুয়েত কর্তৃপক্ষ সাধারণ বাসিন্দাদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে স্পষ্ট করেছে যে, দেশজুড়ে যে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কর্তৃক শত্রুর লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জর্ডানের ‘প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি’তে অবস্থিত মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে একটি ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সেনা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জর্
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প