
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নিউইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, মার্কিন ওই পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের সূত্রগুলো তাদের জানিয়েছে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হতে পারে। এ ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি জবাব দিয়েছেন, ‘সম্ভাবনা আছে।’
বুধবার (২২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্ক পোস্টের সঙ্গে কথা হয় ট্রাম্পের। গত কয়েক দিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের এ আলোচনা রয়েছে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফায় আলোচনা হয়। প্রায় দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনা হলেও তাতে কোনো সমঝোতা হয়নি। এর সপ্তাহখানেক পরই দ্বিতীয় দফা আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ঘোষণা করলে পরিস্থিতি বদলে যায়।
ইরান সাফ জানিয়ে দেয়, যতদিন হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ চলবে, ততদিন তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। আলোচনা ও চুক্তির জন্য বারবার যুক্তরাষ্ট্র নানা ধরনের চাপ তৈরির চেষ্টা করলে ইরান জানিয়েছে, তারা কোনো চাপের মুখেও নতি স্বীকার করবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বুধবার বলেন, পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির আহ্বানের পর ইরান তাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর সতর্কভাবে নজর রাখছে। ইরান জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভবিষ্যতে আলোচনার সম্ভাবনা আছে কি না— সে প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চান বাঘাইয়ের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হলো কূটনীতি। যখনই আমরা মনে করব যে কূটনীতি প্রয়োগের প্রয়োজন আছে এবং তার জন্য যথোপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তখন আমরা পদক্ষেপ নেব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুরু হয়েছিল ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন, যার শেষ দিন আজ বুধবার। তবে ট্রাম্প মঙ্গলবার রাতেই জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।
এর আগে অবশ্য তিনি ইরানকে আগের মতো টানা হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন। ইরানকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া, সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া, সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু উড়িয়ে দেওয়া— এমন নানা হুমকি দিয়ে বেশ তটস্থ করে রেখেছিলেন পরিবেশ। এখন পর্যন্ত সেসব হুমকির সবই কাগুজে বলেই প্রমাণিত হয়েছে।

আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নিউইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, মার্কিন ওই পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের সূত্রগুলো তাদের জানিয়েছে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হতে পারে। এ ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি জবাব দিয়েছেন, ‘সম্ভাবনা আছে।’
বুধবার (২২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্ক পোস্টের সঙ্গে কথা হয় ট্রাম্পের। গত কয়েক দিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের এ আলোচনা রয়েছে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফায় আলোচনা হয়। প্রায় দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনা হলেও তাতে কোনো সমঝোতা হয়নি। এর সপ্তাহখানেক পরই দ্বিতীয় দফা আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ঘোষণা করলে পরিস্থিতি বদলে যায়।
ইরান সাফ জানিয়ে দেয়, যতদিন হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ চলবে, ততদিন তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। আলোচনা ও চুক্তির জন্য বারবার যুক্তরাষ্ট্র নানা ধরনের চাপ তৈরির চেষ্টা করলে ইরান জানিয়েছে, তারা কোনো চাপের মুখেও নতি স্বীকার করবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বুধবার বলেন, পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির আহ্বানের পর ইরান তাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর সতর্কভাবে নজর রাখছে। ইরান জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভবিষ্যতে আলোচনার সম্ভাবনা আছে কি না— সে প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চান বাঘাইয়ের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হলো কূটনীতি। যখনই আমরা মনে করব যে কূটনীতি প্রয়োগের প্রয়োজন আছে এবং তার জন্য যথোপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তখন আমরা পদক্ষেপ নেব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুরু হয়েছিল ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন, যার শেষ দিন আজ বুধবার। তবে ট্রাম্প মঙ্গলবার রাতেই জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।
এর আগে অবশ্য তিনি ইরানকে আগের মতো টানা হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন। ইরানকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া, সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া, সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু উড়িয়ে দেওয়া— এমন নানা হুমকি দিয়ে বেশ তটস্থ করে রেখেছিলেন পরিবেশ। এখন পর্যন্ত সেসব হুমকির সবই কাগুজে বলেই প্রমাণিত হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৬ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১৯ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে