জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ‘ট্রাস্ট অ্যান্ড কনফিডেন্ট’ হারিয়ে ফেলেছে।
মিয়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৮ এপ্রিল) এক বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনযাপন কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসন। এজন্য জামায়াতে ইসলামী আরাকানভিত্তিক স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে জামায়াত প্রতিটি নির্বাচনি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার দাবি করেছে বলে জানান দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চেয়েছে জামায়াত।
জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর করার যে প্রস্তাব সংবিধান সংস্কার কমিশন দিয়েছে তাতে একমত নয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছরই চায়।
একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চায় জামায়াত। আমরা মনে করি বাংলাদেশের বর্তমান দুরবস্থার পেছনে বড় দায় এই দুর্নীতি। একজন মানুষ যদি দুর্নীতিবাজ না হয়, দুর্নীতি না করে তাহলে তো কোনো নৈরাজ্য হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আজ মতবিনিময় করবে জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে মতবিনিময় শুরুর কথা রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী কখনোই কোনো নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অমুসলিম কাউকে মনোনয়ন দেয়নি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দলটি মোট ছয় বার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এসব নির্বাচনে তারা মোট ৫৬ জন জনপ্রতিনিধি সংসদে পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের কেউ ছিলেন না।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, 'আপনারা প্রস্তুতি নিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর ব্যানারে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। আপনাদের স্বাগত জানানো হবে।'
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব ও যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে। তা হলো প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ফ্যাসিস্টদের বিচার, তারপর সঠিক নির্বাচন। নির্বাচনের আগে দৃশ্যমান, গ্রহণযোগ্য এবং মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন। সংস্কার প্রক্রিয়ায় আমরা সরকারকে সহায়তা করতে চাই। সংস্
নিবন্ধন নিয়ে হতাশ না হতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। শিগগিরই দলটি নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পেতে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জামায়াতের আমির নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে তিনটি শর্তের কথা তাদের জানিয়েছেন বলে মিট দ্য প্রেসে তুলে ধরেন। এগুলো হলো— দৃশ্যমান গ্রহণযোগ্য মৌলিক সংস্কার, জুলাই আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের দৃশ্যমান বিচার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য পারস্পরিক সম্মানের পরিবেশ তৈরি করা।
এদিকে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানতে একইদিন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। দলটির ৮ শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। বৈঠক শেষে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
লন্ডনে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির লিখেন, প্রথম আলো ঈদের মতো একটি পবিত্র ইবাদতকেও কটাক্ষ করতে দ্বিধা করে নাই। তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
সরকার বারবার এ কথা বললেও বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চাইছে। তারা সরকারসহ বিভিন্ন মহলের কার্যক্রমে সংস্কারের নামে নির্বাচন পেছানোর ‘ষড়যন্ত্র’ও দেখছে। তবে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলনসহ বেশকিছু দলই নির্বাচন প্রশ্নে সরকারকেই সমর্থন করছে। তাদের অবস্থান সরকারের ‘পক