
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী রমজানের আগেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন দেখতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (১৬ এপ্রিল) মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
এদিন দুপুরে গুলশানে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জামায়াত আমির। ঘণ্টাখানেক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর্যবেক্ষণ করছে তার দল। আগামী রমজানের আগে নির্বাচন দেখতে চান তারা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একইসঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচারও দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
এদিকে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানতে একইদিন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। দলটির ৮ শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। বৈঠক শেষে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা একেবারেই সন্তুষ্ট নই। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানাননি। তিনি ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলেছেন। আমরা বলেছি, ডিসেম্বর নির্বাচনের কাট অফ সময়। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।
অন্যদিকে এ বৈঠকের ব্যাপারে একটি ব্রিফিং করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খোলামেলা পরিবেশে কথা হয়েছে। সংস্কারের ব্যাপারে বিএনপি অত্যন্ত আন্তরিক।
বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যে যাই বলুক, জুনের পরে নির্বাচন যাবে না।

আগামী রমজানের আগেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন দেখতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (১৬ এপ্রিল) মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
এদিন দুপুরে গুলশানে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জামায়াত আমির। ঘণ্টাখানেক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর্যবেক্ষণ করছে তার দল। আগামী রমজানের আগে নির্বাচন দেখতে চান তারা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একইসঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচারও দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
এদিকে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানতে একইদিন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। দলটির ৮ শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। বৈঠক শেষে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা একেবারেই সন্তুষ্ট নই। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানাননি। তিনি ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলেছেন। আমরা বলেছি, ডিসেম্বর নির্বাচনের কাট অফ সময়। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।
অন্যদিকে এ বৈঠকের ব্যাপারে একটি ব্রিফিং করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খোলামেলা পরিবেশে কথা হয়েছে। সংস্কারের ব্যাপারে বিএনপি অত্যন্ত আন্তরিক।
বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যে যাই বলুক, জুনের পরে নির্বাচন যাবে না।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে