
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির লিখেন, প্রথম আলো ঈদের মতো একটি পবিত্র ইবাদতকেও কটাক্ষ করতে দ্বিধা করে নাই। তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি একথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, “প্রথম আলোর ঈদ শুভেচ্ছা কার্টুনে কুকুরের ছবি- এ কেমন অদ্ভুত আচরণ? প্রথম আলোর গত ৩০ মার্চের পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি ব্যবহার করেছে।’
তিনি লিখেন, প্রথম আলোর গত ৩০ মার্চের পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি ব্যবহার করেছে। পত্রিকাটা এর আগেও মহানবী (ﷺ)-কে অবমাননায় বায়তুল মোকাররমের খতিবের হাত ধরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান সম্পাদক মতিউর রহমান। মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি খুবই জঘন্য।
গত ৩০ মার্চের প্রথম আলো পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি প্রকাশ করা হয়। পরে এটি নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এই ছবি দেওয়ায় দেশের আলেম সমাজসহ সাধারণ মানুষ এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। বলছে, এটা একটা ধর্ম অবমাননার শামিল। এর সাথে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রথম আলো নিষিদ্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির লিখেন, প্রথম আলো ঈদের মতো একটি পবিত্র ইবাদতকেও কটাক্ষ করতে দ্বিধা করে নাই। তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি একথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, “প্রথম আলোর ঈদ শুভেচ্ছা কার্টুনে কুকুরের ছবি- এ কেমন অদ্ভুত আচরণ? প্রথম আলোর গত ৩০ মার্চের পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি ব্যবহার করেছে।’
তিনি লিখেন, প্রথম আলোর গত ৩০ মার্চের পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি ব্যবহার করেছে। পত্রিকাটা এর আগেও মহানবী (ﷺ)-কে অবমাননায় বায়তুল মোকাররমের খতিবের হাত ধরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান সম্পাদক মতিউর রহমান। মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি খুবই জঘন্য।
গত ৩০ মার্চের প্রথম আলো পত্রিকায় ঈদ শুভেচ্ছার কার্টুনে কুকুরের ছবি প্রকাশ করা হয়। পরে এটি নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এই ছবি দেওয়ায় দেশের আলেম সমাজসহ সাধারণ মানুষ এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। বলছে, এটা একটা ধর্ম অবমাননার শামিল। এর সাথে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রথম আলো নিষিদ্ধ করতে হবে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে