সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মোসাদ্দেক বিল্লাহ দাবি করেন, তিনি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকেই বক্তব্য রেখেছেন। কিন্তু তার বক্তব্য গণমাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি।
সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘৪০ বছর ধরে অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন মাদরাসার শিক্ষকরা বিনা বেতনে শিক্ষকতা পেশায় মানবেতর জীবন যাপন করার পরেও তাদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান না করা দুঃখজনক। অতীতের সরকারগুলো এগুলো সমাধান না করে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিয়োজিত থেকে নিজেরা আঙল ফুলে বটগাছ হয়েছে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের ভাষায় কথা বলছে। ফ্যাসিবাদের লোকেরা জামায়াতে ইসলামীকে যেভাবে নির্মূল করতে চেয়েছিল, তাদের মুখে এখন ফ্যাসিবাদের সেই গন্ধ পাওয়া যায়। এ পথ সর্বনাশার পথ।
অবিলম্বে সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সব অপতৎপরতা বন্ধ করার আহ্বান করে সাজিদুর রহমান বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরতন্ত্রের পতনে অর্জিত মজলুমানের বিজয় ও যথার্থ স্বাধীনতার চেতনাকে অর্থবহ করতে ইসলামী শক্তির সুসংহত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সুপারিশের আলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের ঘোষণাসহ ছয় দাবিতে এদিন সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক ঐক্যজোট।
সংস্কার ব্যতীত নির্বাচন হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই শুধু নির্বাচন চায়। নির্বাচন চায় না এমন কোনো রাজনৈতিক দল নেই। আমরা সবাই নির্বাচনমুখী। তবে নির্বাচন কবে দেবেন, কালকে? আগামীকাল যদি নির্বাচন দেন সেটা কি সুষ্ঠু হবে? গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে কি লাভ হবে? সংস্কারের আগে যদি নির্বাচ
জামায়াতে ইসলামী মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যারা কথায় কথায় আমাদের অন্য দেশে চলে যেতে বলত, তারাই এখন দেশের বাইরে। দেশ থেকে জুলুমকারী বিদায় হয়েছে, কিন্তু জুলুম বন্ধ হয়নি।
চকবাজার থানা আমির আহমেদ খালেদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি সাদুর রশিদের সঞ্চালনায় প্রগ্রামে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন ও কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
ইসলামী, ন্যায়ভিত্তিক রাস্ট্র গঠনের লক্ষে সবার ভালোবাসা চান আমীরে জামায়াত। বলেন, আপনারা যদি আমাদের ভালোবাসেন, আগামীতে সরকারের দায়িত্ব দেন, তাহলে সরকার প্রধানের জেলায় মুখ দেখে দেখে উন্নয়ন করা হবেনা। সমতার উন্নয়ন করা হবে। পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোতে আগে উন্নয়ন করা হবে। এমনকি ওইসব জেলার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করা হ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আবু সাঈদরা স্লোগান দিয়েছিলেন ‘উই ওয়ান জাস্টিস’। আমরাও ন্যায়বিচার চাই, বৈষম্য চাই না। ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, প্রত্যেক খুনের বিচার হতে হবে।
মামুনুল হক আরো বলেন, ‘দেশের ৯০ শতাংশ মুসলমান ইসলামী আদর্শ নিয়ে চলতে চায়। তার প্রমাণ গত ৫ আগস্ট বিপ্লবে মূর্তি ভেঙে বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের জনতা। সুতরাং সেই একই পথে দেশ চলতে পারে না। তাই বাংলাদেশ চলবে ইসলাম অনুযায়ী। কুরআন হবে আমাদের সংবিধান।’
মাওলানা ইমতিয়াজ আলম আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত নগর সম্মেলন ২০২৫ সফল করার জন্য মহানগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় সম্মান দেখাতে হবে। সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমগুলো সত্য প্রকাশ করলে ফ্যাসিবাদ তৈরি হতো না।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এরই মধ্যে সবগুলো আসনে তাদের প্রার্থী সম্পন্ন করেছে। এরপরও অন্যান্য ইসলামিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। তারাও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আগের চাইতে বেশি আগ্রহী হয়েছেন। নির্বাচন এগিয়ে আসলে অনেক সমীকরণ হয়। কে কার সঙ্গে জোট করবে এবং জোটে কয়টি দল থাকবে। নির্বাচনের সময়
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ পরিবর্তনের জন্য জীবন দেওয়া সন্তানদের রক্তের ওপর দিয়ে চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্য, ঘুষ, ভাগবাটোয়ারা ও মামলা বাণিজ্য কেন চলবে? আমাদের সন্তানেরা ন্যায়বিচার চায়, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চায়, তারা দুর্নীতি চায় না। সেই বাংলাদেশ এখনো কায়েম হয় না বলেই সেই বীর যোদ্ধারা আবারও স্লোগান তুলেছে আ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অনেক লড়াই আমাদের সামনে রয়ে গেছে। যেখানে কালো টাকা ও পেশিশক্তি যেন আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে। এখন থেকে হাত মজবুত করতে হবে। আমরা আর কোন কালো টাকার মালিকদের বরদাস্ত করব না।
সমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকে জেলা শহরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সমবেত হতে থাকে। এক পর্যায়ে কানায় কানায় ভরে যায় নোমানী ময়দান ও আশেপাশের অঞ্চল। সকাল থেকে স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দিতে থাকেন। ১২টার পরপরই বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির।