
চাঁদপুর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে কথা বলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারো বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে নিজেদের ঐক্যের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিনা ফেরিঘাট এলাকায় রাজনৈতিক সফরকালে এ রুটে যাওয়ার সময় ঘাটে অবস্থানরত জামায়াতের নেতারা ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ৫ আগস্ট এর চেতনাকে কঠোরভাবে ধারণ করি। একই সঙ্গে একটি কল্যাণ ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী দল। বিগত বছরে যতগুলো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে জামায়াত তাতে অংশগ্রহণ করেছে এবং বিজয়ী হয়েছে। ওই সময় জাতীয় সংসদে কমবেশি জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব ছিল।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এরই মধ্যে সবগুলো আসনে তাদের প্রার্থী সম্পন্ন করেছে। এরপরও অন্যান্য ইসলামিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। তারাও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আগের চাইতে বেশি আগ্রহী হয়েছেন। নির্বাচন এগিয়ে আসলে অনেক সমীকরণ হয়। কে কার সঙ্গে জোট করবে এবং জোটে কয়টি দল থাকবে। নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসবে এ জোট করার বিষয়টি তত গুরুত্ব পাবে।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, আমাদের দল জোট করার ক্ষেত্রে অনেকটা ছাড় দেবে। এর কারণ হচ্ছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা মাঠে আন্দোলন করেছে, দেশ ও জাতির স্বার্থে তাদের আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আসন দিয়ে সুযোগ করে দেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা জামায়াতের ইসলামের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, শহর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান, সেক্রেটারি শেখ বেলায়েত হোসেন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী, সেক্রেটারি মো. জুবায়ের হোসেন ও সহ-সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে কথা বলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারো বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে নিজেদের ঐক্যের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিনা ফেরিঘাট এলাকায় রাজনৈতিক সফরকালে এ রুটে যাওয়ার সময় ঘাটে অবস্থানরত জামায়াতের নেতারা ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ৫ আগস্ট এর চেতনাকে কঠোরভাবে ধারণ করি। একই সঙ্গে একটি কল্যাণ ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী দল। বিগত বছরে যতগুলো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে জামায়াত তাতে অংশগ্রহণ করেছে এবং বিজয়ী হয়েছে। ওই সময় জাতীয় সংসদে কমবেশি জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব ছিল।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এরই মধ্যে সবগুলো আসনে তাদের প্রার্থী সম্পন্ন করেছে। এরপরও অন্যান্য ইসলামিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। তারাও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আগের চাইতে বেশি আগ্রহী হয়েছেন। নির্বাচন এগিয়ে আসলে অনেক সমীকরণ হয়। কে কার সঙ্গে জোট করবে এবং জোটে কয়টি দল থাকবে। নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসবে এ জোট করার বিষয়টি তত গুরুত্ব পাবে।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, আমাদের দল জোট করার ক্ষেত্রে অনেকটা ছাড় দেবে। এর কারণ হচ্ছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা মাঠে আন্দোলন করেছে, দেশ ও জাতির স্বার্থে তাদের আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আসন দিয়ে সুযোগ করে দেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা জামায়াতের ইসলামের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, শহর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান, সেক্রেটারি শেখ বেলায়েত হোসেন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী, সেক্রেটারি মো. জুবায়ের হোসেন ও সহ-সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদ।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘বিরোধী দল ও মত দমন কমিশন’ বরে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, এই আইন কার্যকর হলে তা জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে দেবে।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলছেন, বিএনপি বিলটি পাশ করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং তার মতে, "আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব স্বৈরশাসককেই সম্মান করতে হবে"।
৩ দিন আগে
নেপালের তরুণ প্রজন্মের মতো করে বাংলাদেশেও তরুণ প্রজন্মের উত্তাল বিক্ষোভ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। তবে প্রায় দুই বছর হতে চললেও বাংলাদেশ তরুণদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত তেমন অর্থবহ রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
৩ দিন আগে