রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট নির্বাচনে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত প্রশাসন ভবনের সামনে তারা এ কর
কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা, পাঠদানের সুশৃঙ্খল পরিবেশ নষ্ট করা ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযোগে তারা ওই তিন শিক্ষককে বদলি করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
রোববার সকালে ওই ছাত্রী শিক্ষকের বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরতে সড়কের পাশে ইজিবাইকের জন্য অপেক্ষা করছিল। ওই সময় সড়কে লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। সুযোগ পেয়ে কবীর হোসেন মেয়েটির মুখ চেপে ধরে তাকে পাঁজাকোলা করে কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ভবনের দোতলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
অধ্যাপক মুজিবর বলেন, বহিরাগতদের হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার বাস্তবতা নেই। শিক্ষার্থীদের সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। সরকারের কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাসে প্রায় চার ঘণ্টা পর বিকেল পৌনে ৪টায় তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘পূবালী ব্যাংক দেশের বিভিন্ন কারাগারে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। রাজশাহীতেও ৩ হাজার গাছ রোপণ করা হলো। এর মধ্যে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ রয়েছে। বন্দিরা যেমন এর ছায়ায় স্বস্তি পাবে, তেমনি ফল ও অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করতে পারবে। সামগ্রিকভাবে এ উদ্যোগ
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। তবে স্থানীয় লোকজন কথা শুনতে চাননি। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে প্রশাসনের সব
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাতের ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করছে। বেলা ১২টার দিকে দুই নম্বর গেট এলাকায় আন্দোলনের জেরে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর ঘটনাস্থলে উপ-উপাচার্য, প্রক্টর-সহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ফাঁকা গুলি ছোড়ে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “একটি সংগঠনের দাবির ভিত্তিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। যখন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, তখন তারা ভর্তি ছিল না, তাই ভোটার হওয়ার যোগ্যতাও ছিল না। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে বর্তমান তফসিল অনুযায়ী এ পরিবর্তন করা যাব
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকালে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা একটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভেঙে ফেলেন ও একটি টেবিল উল্টে দেন। এরপর ফটকে তালা মেরে স্লোগান দেন— ‘প্রথম বর্ষের ভোটাধিকার দিতে হবে’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’ ইত্যাদি।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
এলাকাবাসী ও পরিবার জানিয়েছে, নিজাম সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রশিক্ষণে ছিলেন। সেখান থেকে ছুটি নিয়ে ২৭ আগস্ট বাড়ি ফেরেন। পরে তিনি রাজীবপুর ইউনিয়নের রামগোপালবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে যান।