
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজের অচলাবস্থা ১৯ দিনেও কাটেনি। তিন শিক্ষকের বদলিসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সমাবেশ অব্যাহত রেখেছেন। তিন শিক্ষক— নার্সিং ইন্সট্রাক্টর জামাল উদ্দিন ভূইয়া, তাজুল ইসলাম ও মোখলেসুর রহমানের কুশপুতুলও দাহ করেছেন তারা।
রোববার (৩১ আগস্ট) শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যহত রাখেন।
কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা, পাঠদানের সুশৃঙ্খল পরিবেশ নষ্ট করা ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযোগে তারা ওই তিন শিক্ষককে বদলি করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
দাবি মেনে না নেওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গত ১৩ আগস্ট থেকে ক্লাস বর্জন শুরু করেন। ওই দিন দুপুরে তারা একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেন। রোববার ১৯তম দিনেও তাদের সে কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এ দিন তারা ওই তিন শিক্ষকের কুশপুতুল দাহ করেন।
গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজের স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অরগানাইজেশনের (এসডব্লিউও) সভাপতি মেহেদী হাসান চয়ন বলেন, বারবার তিন শিক্ষকের বদলির দাবি জানিয়েছি। মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে প্রহসনমূলক রুটিন প্রকাশ করা হয়।
চয়ন বলেন, কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে ওই রুটিনে পাঠদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পাঁচ শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নামে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একই দাবিতে শিক্ষার্থীরা কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছিলেন। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলন বন্ধ করেন তারা।
চয়ন বলেন, ওই আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরলেও কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি রাখেনি। অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে এখন পর্যন্ত অন্য কোথাও বদলি না করে নিজ নিজ পদে বহাল রেখেছে। এ কারণেই এবার দাবি পূরণের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার না করার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছে।

গাজীপুরে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজের অচলাবস্থা ১৯ দিনেও কাটেনি। তিন শিক্ষকের বদলিসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সমাবেশ অব্যাহত রেখেছেন। তিন শিক্ষক— নার্সিং ইন্সট্রাক্টর জামাল উদ্দিন ভূইয়া, তাজুল ইসলাম ও মোখলেসুর রহমানের কুশপুতুলও দাহ করেছেন তারা।
রোববার (৩১ আগস্ট) শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যহত রাখেন।
কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা, পাঠদানের সুশৃঙ্খল পরিবেশ নষ্ট করা ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযোগে তারা ওই তিন শিক্ষককে বদলি করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
দাবি মেনে না নেওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গত ১৩ আগস্ট থেকে ক্লাস বর্জন শুরু করেন। ওই দিন দুপুরে তারা একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেন। রোববার ১৯তম দিনেও তাদের সে কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এ দিন তারা ওই তিন শিক্ষকের কুশপুতুল দাহ করেন।
গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজের স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অরগানাইজেশনের (এসডব্লিউও) সভাপতি মেহেদী হাসান চয়ন বলেন, বারবার তিন শিক্ষকের বদলির দাবি জানিয়েছি। মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে প্রহসনমূলক রুটিন প্রকাশ করা হয়।
চয়ন বলেন, কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে ওই রুটিনে পাঠদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পাঁচ শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নামে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একই দাবিতে শিক্ষার্থীরা কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছিলেন। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলন বন্ধ করেন তারা।
চয়ন বলেন, ওই আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরলেও কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি রাখেনি। অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে এখন পর্যন্ত অন্য কোথাও বদলি না করে নিজ নিজ পদে বহাল রেখেছে। এ কারণেই এবার দাবি পূরণের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার না করার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছে।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
২ দিন আগে