
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামে সামাজিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পালটাপালটি হামলায় সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সংঘাতে আহত হয়েছেন আরও দুজন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে পালটাপালটি এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন— ঝামাটি গ্রামের মইজ উদ্দিনের ছেলে দোজাহান মিয়া (৪৮) ও একই গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে নূর মোহাম্মদ (৩০)।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে পালটাপালটি হামলা হয়। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। থানায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
ওই বিরোধের জের ধরে শনিবার রাতে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সম্মেলন থেকে বাড়ি ফেরার পথে গ্রামের রাস্তায় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দোজাহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রাখে। গুরুতর আহত অবস্থায় নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে ফের দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আমজাদের পক্ষের নূর মোহাম্মদ টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ এ মরদেহটিও উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ছাড়া গুরুতর আহত আহত রফিক মিয়া ও মনোয়ারা বেগমকে রাতে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামে সামাজিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পালটাপালটি হামলায় সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সংঘাতে আহত হয়েছেন আরও দুজন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে পালটাপালটি এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন— ঝামাটি গ্রামের মইজ উদ্দিনের ছেলে দোজাহান মিয়া (৪৮) ও একই গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে নূর মোহাম্মদ (৩০)।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে পালটাপালটি হামলা হয়। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। থানায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
ওই বিরোধের জের ধরে শনিবার রাতে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সম্মেলন থেকে বাড়ি ফেরার পথে গ্রামের রাস্তায় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দোজাহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রাখে। গুরুতর আহত অবস্থায় নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে ফের দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আমজাদের পক্ষের নূর মোহাম্মদ টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ এ মরদেহটিও উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ছাড়া গুরুতর আহত আহত রফিক মিয়া ও মনোয়ারা বেগমকে রাতে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ দিন আগে