
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয় লোকজন ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। তারা নিপীড়নকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল রোড বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। নান্দাইল রোড বাজারের একটি বাসায় এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ে সে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের একটি পিকআপ ঘিরে উৎসুক জনতার ভিড়। পিকআপের পেছনে হাতকড়া পড়িয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। পুলিশ জানায়, ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মো. কবীর হোসেন (৩৫)। তিনি পাশের বারুইগ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে। তিনি বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকালে ওই ছাত্রী শিক্ষকের বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরতে সড়কের পাশে ইজিবাইকের জন্য অপেক্ষা করছিল। ওই সময় সড়কে লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। সুযোগ পেয়ে কবীর হোসেন মেয়েটির মুখ চেপে ধরে তাকে পাঁজাকোলা করে কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ভবনের দোতলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
বাজার এলাকার অনয় মাইক সার্ভিসের কর্মচারী আমিন শেখ বিষয়টি দেখে বাজারের আরেক ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মিয়াকে জানান। দুজনে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। পরে তারা দুজন মিলে অভিযুক্ত কবীর হোসেনকে আটক করেন।
খবর পেয়ে আরও লোকজন ছুটে গিয়ে কবীরকে সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রেখে থানায় খবর পাঠান। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়।
মেয়েটিকে উদ্ধারকারী আমিন শেখ বলেন, তিনি একা প্রতিরোধ করতে সাহস পাননি। তাই ইব্রাহিম মিয়াকে ঘটনাটি জানিয়ে দুজনে মিলে মেয়েটিকে রক্ষা করেন। ওই সময় অভিযুক্ত কবীর তাদের দুজনকে টাকার লোভ দেখিয়ে ছেড়ে দিতে অনুরোধও করেন।
এ ঘটনা শোনার পর সহপাঠী ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয় লোকজন ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। তারা নিপীড়নকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল রোড বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। নান্দাইল রোড বাজারের একটি বাসায় এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ে সে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের একটি পিকআপ ঘিরে উৎসুক জনতার ভিড়। পিকআপের পেছনে হাতকড়া পড়িয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। পুলিশ জানায়, ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মো. কবীর হোসেন (৩৫)। তিনি পাশের বারুইগ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে। তিনি বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকালে ওই ছাত্রী শিক্ষকের বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরতে সড়কের পাশে ইজিবাইকের জন্য অপেক্ষা করছিল। ওই সময় সড়কে লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। সুযোগ পেয়ে কবীর হোসেন মেয়েটির মুখ চেপে ধরে তাকে পাঁজাকোলা করে কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ভবনের দোতলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
বাজার এলাকার অনয় মাইক সার্ভিসের কর্মচারী আমিন শেখ বিষয়টি দেখে বাজারের আরেক ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মিয়াকে জানান। দুজনে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। পরে তারা দুজন মিলে অভিযুক্ত কবীর হোসেনকে আটক করেন।
খবর পেয়ে আরও লোকজন ছুটে গিয়ে কবীরকে সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রেখে থানায় খবর পাঠান। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়।
মেয়েটিকে উদ্ধারকারী আমিন শেখ বলেন, তিনি একা প্রতিরোধ করতে সাহস পাননি। তাই ইব্রাহিম মিয়াকে ঘটনাটি জানিয়ে দুজনে মিলে মেয়েটিকে রক্ষা করেন। ওই সময় অভিযুক্ত কবীর তাদের দুজনকে টাকার লোভ দেখিয়ে ছেড়ে দিতে অনুরোধও করেন।
এ ঘটনা শোনার পর সহপাঠী ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে