ফরাসি কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে সম্প্রতি আলোচনায় আসা হান্টাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে অন্তত ৫০ জনের মধ্যে বমি, ডায়রিয়া ও তীব্র পেটের সমস্যার মতো উপসর্গ দেখা গেছে, যেগুলো নোরোভাইরাসের উপসর্গ।
সুরক্ষামন্ত্রী জেস ফিলিপস ও কমিউনিটিবিষয়ক মন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহর পদত্যাগের মাধ্যমে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা কেঁপে ওঠে। এরপর বিচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় আন্ডার-সেক্রেটারি অ্যালেক্স ডেভিস-জোন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার পদত্যাগপত্রের ছবি দেন। সেখানে স্টারমারকে দেশের স্বার্থে পদক্ষেপ নেওয়ার ও সরে
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ঐকমত্যের পর ইইউর পররাষ্ট্রনীতি–বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘অচলাবস্থা কাটিয়ে (নিষেধাজ্ঞা) বাস্তবায়নের এটাই উপযুক্ত সময়।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে মিলে স্টারমারের সরে যাওয়ার রোডম্যাপ ঘোষণার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এতে স্টারমারের দল লেবার পার্টির পাশাপাশি সরকারের শীর্ষ পর্যায়েও স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে।
স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের জাতীয়তা অনুযায়ী আলাদা দলে ভাগ করে তীরে নেওয়া হচ্ছে। এরপর বাসে করে তাদের স্থানীয় বিমানবন্দরে নেওয়া হবে। সেখান থেকে চার্টার বিমানে করে পাঠানো নিজ নিজ দেশে।
দুই বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর এটিই ছিল স্টারমারের জন্য সবচেয়ে বড় নির্বাচনি পরীক্ষা। দলের নেতারা বলছেন, সে পরীক্ষায় ডাহা ফেল করেছেন স্টারমার। তবে দলের খারাপ ফলাফলের বিষয়টি স্বীকার করলেও স্টারমার বলছেন, তার পদত্যাগ করার ‘কোনো ইচ্ছা নেই’।
বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস সতর্ক করে বলেন, এবারের আলোচনা থেকে যদি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতো শক্তিশালী কোনো সমঝোতায় না পৌঁছানো যায়, তাহলে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হতে পারে।
প্রতিবেদন বলছে, গত প্রায় দেড় দশকে বিবিসি আর কখনো একযোগে এত বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করেনি। এ ছাড়া রাজপরিবারের কোনো আয়োজন বা রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের মতো অনুষ্ঠানগুলো কাভার জন্য টিমকেও ব্যাপকভাবে ছোট করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বিবিসি। তারা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ইভেন্ট কভারেজের জন্য একজন স্থায়ী কর্মীর সঙ্
এ ছাড়া লাফার্জের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আট সাবেক কর্মীও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধান নির্বাহী ব্রুনো লাফোঁকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিশ্চিয়ান হেরোকে দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।
চলমান প্রেক্ষাপটে ন্যাটোকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান এই জোটের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ধরে রাখা যাবে কি না, তা নিয়েই সন্দিহান হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্ররা।
দক্ষিণ কোরিয়া সফররত ম্যাখোঁ বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি সত্যিই সিরিয়াস হতে চান, তাহলে একেক দিন একেক ধরনের কথা বলা ঠিক নয়। অতিরিক্ত কথা বলা হচ্ছে। সবকিছুই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দরকার স্থিতিশীলতা, শান্ত পরিবেশ— এটা কোনো প্রদর্শনী নয়!’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলো ‘সব ধরনের কার্যকর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ পর্যালোচনা করবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ৬ মাস পর্যন্ত মেয়াদি ভিজিট ভিসার ফি বেড়েছে ৬ পাউন্ড, তাতে নতুন ফি দাঁড়িয়েছে ১৩৫ পাউন্ডে। দুই বছর মেয়াদি ভিজিট ভিসা ফি ৩১ পাউন্ড বেড়ে হয়েছে ৫০৬ পাউন্ড, পাঁচ বছর পর্যন্ত ভিজিট ভিসা ফি ৫৫ পাউন্ড বেড়ে হয়েছে ৯০৩ পাউন্ড। আর ১০ বছর পর্যন্ত ভিজিট ভিসা ফি ৬৯ পাউন্ড বেড়ে এক হাজার ১২৮ প
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেখানে জাতিগতভাবে নিধন করে ফিলিস্তিনিদের নির্মূল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সে অভিযোগ নিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারস্থ হয় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের।
ইউরোপীয় নেতারা একতা বজায় রাখার চেষ্টা করছেন এবং ট্রাম্পের অনিশ্চিত নেতৃত্বের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল নিচ্ছেন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস বলেন, ‘এখন আমরা অনেকটা শান্ত। কারণ আমরা ধরে নিয়েছি, যেকোনো সময় অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে এগোচ্ছি।’
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন দেখা যাক, তারা আমাদের সহায়তা করে কি না। যদি তাদের কাছ থেকে (সহায়তার বিষয়ে) কোনো সাড়া না পাওয়া যায় অথবা নেতিবাচক সাড়া আসে, তাহলে আমি মনে করি এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আগ্রাসী হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’