
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে। এরই মধ্যে তার পদত্যাগ কিংবা পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবিতে একমত হয়েছেন অন্তত ৮৬ জন লেবার এমপি। শুধু তাই নয়, স্টারমারের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে এখন পর্যন্ত চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
এ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত স্টারমার পদত্যাগ না করার অবস্থানে কতক্ষণ অনড় থাকতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১২ মে) সুরক্ষামন্ত্রী জেস ফিলিপস ও কমিউনিটিবিষয়ক মন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহর পদত্যাগের মাধ্যমে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা কেঁপে ওঠে।
এরপর বিচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় আন্ডার-সেক্রেটারি অ্যালেক্স ডেভিস-জোন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার পদত্যাগপত্রের ছবি দেন। সেখানে স্টারমারকে দেশের স্বার্থে পদক্ষেপ নেওয়ার ও সরে যাওয়ার একটি সময়সূচি ঘোষণা করার আহ্বান জানান তিনি।
এখানেই শেষ নয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা নাগাদ ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে চতুর্থ সদস্য হিসেবে পদত্যাগ করেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুবাইর আহমেদ। তিনিও এক্সে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। সেখানে লিখেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাজ্যের মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার (স্টারমার) ওপর বিশ্বাস হারিয়েছে।
মঙ্গলবার শেষ হতে হতে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগীদের তালিকা আরও দীর্ঘ হবে— এমন আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে ব্রিটেনের গণমাধ্যমগুলোতে।
এদিকে কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানানো লেবার এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮৬ জনে পৌঁছেছে। সবশেষ এ আহ্বানে যোগ দিয়েছেন অ্যান্ড্রু কুপার। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর উচিত কবে তিনি সরে দাঁড়াবেন, সে বিষয়ে পরিষ্কার সময়সূচি দেওয়া।
এর আগে মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে এক বিবৃতিতে বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট, প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন। একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনি এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।
এ দাবিতে একমত হওয়া এমপির সংখ্যা ৮১ জনে পৌঁছে যাওয়ার ফলে এখন স্টারমারের সরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। কেননা লেবার পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলীয় এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ অন্তত ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
এখন পর্যন্ত সে সংখ্যা ৮৬ জনে পৌঁছে গেছে। তবে এসব এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।
দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের দাবির মুখে কিয়ের স্টারমার পদত্যাগ করলে লেবার পার্টির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিয়ম অনুযায়ী দলটির এমপিদের অন্তত ২০ শতাংশ কোনো বিকল্প প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন দিলে বর্তমান নেতাকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।
তবে এর আগে স্টারমার তার মন্ত্রিসভাকে বলেছেন, এখনো সে প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে লেবার নেতাদের নাম আলোচনায় আসতে শুরু করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার ও গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
তবে স্ট্রিটিং বা রেনার কেউই এখনো এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। আর বার্নহ্যাম বর্তমানে এমপি নন, কারণ জানুয়ারিতে তাকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তাকে নেতৃত্বে আসতে হলে আগে এমপি নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন লেবার নেতা কিয়ের স্টারমার। ওই নির্বাচনে লেবার পার্টি ৪১২টি আসনের মাঝে ১৭৪টিতে জয়লাভ করেছিল। বর্তমানে দলটির আসন সংখ্যা ৪০৩টি।
এ হিসাবে স্টারমার তার মেয়াদের মাত্র দুবছর পূর্ণ করেছেন। তার মেয়াদ রয়েছে আরও তিন বছর। কারণ যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালের ১৫ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখন স্টারমার যে পরিস্থিতিতে পড়েছেন, তাতে কেউ কেউ আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম সাধারণ নির্বাচন ডাকতে পারেন। এ জন্য তাকে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার (ডিজলভ) অনুরোধ করতে হবে। এরপর বর্তমান ৬৫০ জন এমপির মধ্যে যারা নিজেদের আসন ধরে রাখতে চান, তাদের আবার নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
গত সপ্তাহে ইংল্যান্ড জুড়ে অনুষ্ঠিত স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির কারণেই কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি উঠেছে। এ নির্বাচনে প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলর হারিয়েছে দলটি। দলীয় নেতাদের দাবি, কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই নির্বাচনে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।
জনমত জরিপের ফলাফলে আগেই লেবার পার্টির দুর্বলতা দেখা যাচ্ছিল। এর মধ্যে পিটার ম্যান্ডেলসনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এরপর স্থানীয় নির্বাচনকে স্টারমারের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সে পরীক্ষায় তিনি ফেল করেছেন বলেই মনে করছেন লেবার নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে। এরই মধ্যে তার পদত্যাগ কিংবা পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবিতে একমত হয়েছেন অন্তত ৮৬ জন লেবার এমপি। শুধু তাই নয়, স্টারমারের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে এখন পর্যন্ত চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
এ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত স্টারমার পদত্যাগ না করার অবস্থানে কতক্ষণ অনড় থাকতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১২ মে) সুরক্ষামন্ত্রী জেস ফিলিপস ও কমিউনিটিবিষয়ক মন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহর পদত্যাগের মাধ্যমে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা কেঁপে ওঠে।
এরপর বিচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় আন্ডার-সেক্রেটারি অ্যালেক্স ডেভিস-জোন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার পদত্যাগপত্রের ছবি দেন। সেখানে স্টারমারকে দেশের স্বার্থে পদক্ষেপ নেওয়ার ও সরে যাওয়ার একটি সময়সূচি ঘোষণা করার আহ্বান জানান তিনি।
এখানেই শেষ নয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা নাগাদ ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে চতুর্থ সদস্য হিসেবে পদত্যাগ করেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুবাইর আহমেদ। তিনিও এক্সে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। সেখানে লিখেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাজ্যের মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার (স্টারমার) ওপর বিশ্বাস হারিয়েছে।
মঙ্গলবার শেষ হতে হতে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগীদের তালিকা আরও দীর্ঘ হবে— এমন আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে ব্রিটেনের গণমাধ্যমগুলোতে।
এদিকে কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানানো লেবার এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮৬ জনে পৌঁছেছে। সবশেষ এ আহ্বানে যোগ দিয়েছেন অ্যান্ড্রু কুপার। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর উচিত কবে তিনি সরে দাঁড়াবেন, সে বিষয়ে পরিষ্কার সময়সূচি দেওয়া।
এর আগে মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে এক বিবৃতিতে বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট, প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন। একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনি এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।
এ দাবিতে একমত হওয়া এমপির সংখ্যা ৮১ জনে পৌঁছে যাওয়ার ফলে এখন স্টারমারের সরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। কেননা লেবার পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলীয় এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ অন্তত ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
এখন পর্যন্ত সে সংখ্যা ৮৬ জনে পৌঁছে গেছে। তবে এসব এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।
দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের দাবির মুখে কিয়ের স্টারমার পদত্যাগ করলে লেবার পার্টির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিয়ম অনুযায়ী দলটির এমপিদের অন্তত ২০ শতাংশ কোনো বিকল্প প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন দিলে বর্তমান নেতাকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।
তবে এর আগে স্টারমার তার মন্ত্রিসভাকে বলেছেন, এখনো সে প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে লেবার নেতাদের নাম আলোচনায় আসতে শুরু করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার ও গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
তবে স্ট্রিটিং বা রেনার কেউই এখনো এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। আর বার্নহ্যাম বর্তমানে এমপি নন, কারণ জানুয়ারিতে তাকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তাকে নেতৃত্বে আসতে হলে আগে এমপি নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন লেবার নেতা কিয়ের স্টারমার। ওই নির্বাচনে লেবার পার্টি ৪১২টি আসনের মাঝে ১৭৪টিতে জয়লাভ করেছিল। বর্তমানে দলটির আসন সংখ্যা ৪০৩টি।
এ হিসাবে স্টারমার তার মেয়াদের মাত্র দুবছর পূর্ণ করেছেন। তার মেয়াদ রয়েছে আরও তিন বছর। কারণ যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালের ১৫ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখন স্টারমার যে পরিস্থিতিতে পড়েছেন, তাতে কেউ কেউ আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম সাধারণ নির্বাচন ডাকতে পারেন। এ জন্য তাকে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার (ডিজলভ) অনুরোধ করতে হবে। এরপর বর্তমান ৬৫০ জন এমপির মধ্যে যারা নিজেদের আসন ধরে রাখতে চান, তাদের আবার নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
গত সপ্তাহে ইংল্যান্ড জুড়ে অনুষ্ঠিত স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির কারণেই কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের দাবি উঠেছে। এ নির্বাচনে প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলর হারিয়েছে দলটি। দলীয় নেতাদের দাবি, কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই নির্বাচনে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।
জনমত জরিপের ফলাফলে আগেই লেবার পার্টির দুর্বলতা দেখা যাচ্ছিল। এর মধ্যে পিটার ম্যান্ডেলসনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এরপর স্থানীয় নির্বাচনকে স্টারমারের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সে পরীক্ষায় তিনি ফেল করেছেন বলেই মনে করছেন লেবার নেতারা।

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার বোর্নো রাজ্যের সীমান্তবর্তী ইয়োবোর একটি বাজারে দেশটির বিমানবাহিনীর চালানো হামলায় অন্তত ১০০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ তথ্য জানিয়ে অবিলম্বে তদন্তের
৮ ঘণ্টা আগে
মাদকমুক্ত রাজ্য গড়ার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এটি তার প্রথম প্রশাসনিক পদক্ষেপ। যদিও রাজ্যের রাজস্বের বড় একটি অংশ এই খাত থেকে আসে, তবুও জনসাধারণের কল্যাণ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরান এমন কিছু শর্তে অনড় অবস্থান নিয়েছে, যেগুলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায়’ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আশা কার্যত আরও ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
১৩ ঘণ্টা আগে