সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার ইমামতি কে করবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত্য হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা বজায় রাখতে গণমাধ্যমসহ সর্বস্তরের মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে, যাতে জানাজা ও দাফন কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দরদি অভিভাবক হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে দেওয়া এক ফেসবুকে পোস্টে সংগঠনটি এ মন্তব্য করে।
জামায়াত আমির বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে একটি ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম ছিল, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষই ছিল প্রধান লক্ষ্য। তবে কেউই সেই দমন-পীড়ন থেকে রেহাই পায়নি। তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন দাবিতে যুবসমাজ যেভাবে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছিল, তা জাতির ই
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, খালেদা জিয়া একদিকে যেমন সত্যি সত্যি অভিভাবক ছিলেন, অন্যদিকে মাতৃস্নেহে আমাদের দেখতেন। কোনো দিন বাসায় যাওয়ার পর কোনো কিছু না খেয়ে ওনার বাসা থেকে কখনো কেউ যেতে পারতো না।
তারেক রহমান বলেন, অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের মা। আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
দেড় দশকের বেশি সময় ধরে অবস্থান করছেন লন্ডনে। এর মধ্যেই তারেক রহমান পেয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। দলের স্থায়ী কমিটির সঙ্গে তাই নিয়মিতই বৈঠক করতে হয়েছে তাকে। তবে সেসব বৈঠকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হতেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে হার না মানার রেকর্ড গড়েছিলেন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি যতবার, যত আসন থেকেই সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, প্রতিবারই প্রতিটি আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।
এ ছাড়া খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন্যান্য শোকাহত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই শোক বই থাকবে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পর্যন্ত এতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানানো যাবে।
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি থেকে যাবেন ইতিহাসের পাতায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে নিজেকে যেভাবে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেই তকমাটিও ইতিহাসের পাতায় তার নামের পাশে রয়ে যাবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে, এটা আমরা কখনো ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম ঠিক আগের মতোই আবারও তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আমরা মহা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে। ইতোমধ্যে আপনারা শুনেছেন ডক্টর শাহাবুদ্দিনের ঘোষণা।
কর্মসূচি ঘোষণার প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এগুলো আমাদের প্রাথমিক কর্মসূচি। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’