জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, ‘মোখলেস উর রহমানকে না, তাদের টার্গেট ছিল জনপ্রশাসন সচিব। তাদের আরও টার্গেট ছিল, এই পদটাকে যদি ভালনারেবল করা যায়, তবে সরকারের একটা করে স্টাম্প পড়ে যাবে। রোববার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে সরকার গৃহীত কার্যক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের ‘থ্রি-জিরো’ তত্ত্ব যুক্ত করার চিন্তা করছে সরকার। সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে এই তত্ত্বের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করা সহ
সিইসি বলেন, জাতির প্রত্যাশা পূরণে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবো। আমার জীবনে ব্যর্থতা নেই। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। জীবনে কঠিন দায়িত্ব পালন করেছি। সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা আছে। দেশের ক্রান্তিলগ্নে দায়িত্ব নিলাম। এখন নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ আসবে, সেগুলো মোকাবিলা করবো।
নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম মো. নাসির উদ্দীন বলেছেন, আমাদের নিয়ত সহিহ। জাতিকে আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। আর এ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করা দরকার তাই করব।
ভারতের নয়া দিল্লি ও যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে প্রেস উইংয়ে মিনিস্টার (প্রেস) পদে দুই সাংবাদিককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের যুক্তরাজ্য মিশনে নিয়োগ পেয়েছেন আকবর হোসেন মজুমদার। আর নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিয়োগ পেয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ।
পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ১৮ হাজার ১৪৯ জনকে নিয়োগ দেবে সরকার। এর মধ্যে ক্যাডার পদে ১২ হাজার ৭১০ এবং নন-ক্যাডারে ৫ হাজার ৪৩৯ জন নিয়োগ পাবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, ব্যাটারি রিকশা নিয়ে আমরা তো উচ্চ আদালতের একটা নির্দেশানাই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। হয়তো উচ্চ আদালতে আজকে একটা সিদ্ধান্ত আসবে, যে সিদ্ধান্ত আসবে আমরা তা বাস্তবায়ন করব।
নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন ও চারজন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) শপথ নিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ রোববার (নভেম্বর ২৪) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে সিইসি ও চার কমিশনারকে শপথবাক্য পাঠ করান।
২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে স্বাক্ষরিত বড় বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তি পর্যালোচনায় সহায়তার জন্য একটি স্বনামধন্য আইন ও তদন্তকারী সংস্থাকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি।
পুলিশের বিশেষ শাখা আরও জানায়, শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলের ‘ব্লকড লিস্ট’ এর কারণে এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে। এ তালিকায় কয়েক হাজার লোককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাতে করে তাদের বিদেশ সফরের সময় আটকে দেওয়া যায় বা বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত রাখা যায়।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে পুরোনোর দিনের একটি গান বলতে চাই। এই পথ চলা যদি শেষ না হয় তবে কেমন হত তুমি বলো তো? উল্টো দিকে তুমি বলো। আমি প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, এই পথ চলা যদি শেষ না হয় তবে কেমন হবে আপনি বলুন, আপনি ভাবুন, আপনি উত্তর দিন।
তিনি আরও বলেন, এখন দেশে দ্বিতীয় বিপ্লব, দ্বিতীয় স্বাধীনতা চলছে। ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন ভবিষ্যৎ ও নতুন বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছি। নতুন বাংলাদেশের কারিগর হলো- এই শিক্ষক ও ছাত্ররা। আমরা সবাই নতুন বাংলাদেশ গঠনে উঠে পড়ে লেগেছি। এটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে শহীদদের আম
মওলানা ভাসানীর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমাদের মওলানা ভাসানীর আদর্শে রাজনীতিতে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলে রাজনীতিবিদদের মধ্যে কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি, ক্ষমতার লোভ, দুর্নীতি, এমপি-মন্ত্রী হওয়ার খায়েশ জাগবে না। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে মওলানা ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মেজর এম এ জলিল, শফিউল আ
সমাবেশে হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আবু হাসনাত বদরুল কবির, আলমগীর আলম বিপ্লব, সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, আবদুল হাই, মোনায়েম হোসেন খান খোকন, শহীদুল হক খান সুজন, জেলা যুবদলের সহসভাপতি আ. আজিজ খান, জেলা মহিলা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পতিত স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে। কিন্তু তারা তো বসে নেই। তারা সবসময় ষড়যন্ত্র করছে। যদি তাদের ষড়যন্ত্র সফল হয় তাহলে আপনাদের সবার নামে যে মামলা আছে- তা তো উঠবেই না বরং জ্যামিতিকহারে বেড়ে যাবে। সেই সম্ভাবনা (স্বৈরাচার সফল হওয়া) কিন্তু আছে। তবে সেই সম্ভাবনা
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, তোমরা সবাই বড় হও। নানান দিকে বিকশিত হও। চারিদিকে তোমাদের আলোর ঝরণাধারা ছড়িয়ে পড়ুক। জীবনকে মূল্যবান ভেব। প্রতিটা মিনিট এই পৃথিবীকে উপহার দাও, বড় কিছু দিয়ে, সুন্দর কিছু দিয়ে।
জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পার্লামেন্টারি সিস্টেম আনার কথা ভাবছে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার বিষয়ক কমিশন। এতে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার সদস্যরা তাদের সভায় সরকার প্রধান নির্বাচন করবেন। আর সব স্থানীয় সরকার গঠন হবে এক আইনে এক নির্বাচনে।