সংস্কারের নামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হতে পারে, এমন কোনো আইন চালু করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক বসছে বিএনপি। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে যাবে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করেছি। আমাদের ২০ হাজার নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন। আমরা বাবার সম্পত্তি, স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে জীবনযাপন করেছি। আমাদের বাবা-ভাই ও বোনের জানাজা পড়তে পারিনি। ১৭ বছর বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। এক মাসে এই আন্দোলন হয় নাই। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন ত
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
২০১৫ সালে রাজধানীর দারুস সালাম ও যাত্রাবাড়ী থানায় বাস পোড়ানোর অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা ৮ মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি পৃথকভাবে এসব রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যে ‘মব কালচার’ দেখা যাচ্ছে তা মোকাবেলায় অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, হাজার-লাখো মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। অবশ্যই হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার করতে হবে। শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাকে কোনোভাবে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এই প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আর বিএনপির মধ্যে পার্থক্য আছে। আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, গুম-খুন করেছে, নোংরামি করেছে। জীবনে কোনোদিন নির্বাচন করে তারা ক্ষমতায় আসবে, জনপ্রতিনিধি হয়ে বক্তব্য রাখবে এটা কখনো চেষ্টা করেনি। নির্বাচনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। জনগণ-শিক্ষা প্
স্বৈরাশাসকদের মতো কিছু কিছু উপদেষ্টা ভোগবিলাসে ব্যস্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি বলেন, যে সরকার দেশের একটি পরিবর্তনের শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালনের কথা বলেছিল, যারা সংস্কারের দাবি করে, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, আমরা দেখলাম স্বৈরাশাসকরা যেভাব
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তাদের বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নামে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না।”
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি সবার জন্য স্বাস্থ্য নীতির ভিত্তিতে কল্যাণকামী উন্নত রাষ্ট্রে বিদ্যমান ব্যবস্থার আলোকে সবার জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেবে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা জাতীয় সর্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারে
সংস্কারের কথা বলে ধোঁয়াশা তৈরি না করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হল নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা এবং দ্রুত সুষ্ঠু ভোট দেওয়া।
রিজভী বলেন, দেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন ও আইনের শাসন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো বর্বর শাসন আর এদেশে আনা যাবে না। কিন্তু আবারও শেখ হাসিনা তার বর্বর শাসন ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের ভেতর নানা উসকানি দিচ্ছেন, নানা ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি জনগণের সা
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। এদিন বিকেলে পাকিস্তান দূতাবাস থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে বলে জানান শায়রুল।
ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করতে চায়, আমাদের এতটুকু আপত্তি নাই বরং আনন্দিত বলে উল্লেক করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্ররা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবে, রাজনীতিতে আসবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তারা তাদের নতুন চিন্তা-ভাবনা দিয়ে মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবে কিন্তু সরকারে থেকে যদি দল গঠন করেন, এই দেশের মানুষ স
শনিবার ১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের আব্বাস উদ্দিন খান মডেল কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যদি শেখ হাসিনার আমলের মতো এই সরকারের সময়েও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটতে থাকে, তবে জাতি হতাশ হবে।