
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্ররা যদি সরকারে থেকে দল গঠন করেন, তাহলে দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টর খেলার মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে ‘দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর ধরে আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। এই ১৫ বছরে আমাদের বহু লোক মারা গেছে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের ৪২৬ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। আমরা আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) কাছে যেটা চাই, নিরপেক্ষ থাকবেন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবেন। নির্বাচন এই দেশে অবশ্যই হবে, এই নির্বাচনটি হতে হবে সব সময় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আমরা চাইব, অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করতে চায়, আমাদের এতটুকু আপত্তি নাই বরং আনন্দিত বলে উল্লেক করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্ররা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবে, রাজনীতিতে আসবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তারা তাদের নতুন চিন্তা-ভাবনা দিয়ে মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবে কিন্তু সরকারে থেকে যদি দল গঠন করেন, এই দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা দল করবেন, দল করেন, আমরা আপনাদের স্বাগত জানাব, সহযোগিতা করব, আপনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য কাজ করে যাব। শুধু আপনাদের এই অনুরোধটুকু জানাব, অযথা সংঘাতমূলক কোনো কথাবার্তা রাজনীতির মধ্যে না আনাই ভালো হবে, আমরা এটা আশা করি।
শেখ হাসিনা আমাদের বুকে পাথরের মতো বসেছিলেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি পালিয়ে গেছেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলতে পারছি। আজকে আমরা হাসিনামুক্ত হয়েছি, কিন্তু আমাদের যে লক্ষ্য—একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া, এখন পর্যন্ত কিন্তু আমরা সেই গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পারি নাই।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, এত জঞ্জাল সৃষ্টি করেছেন হাসিনা, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন, বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, প্রশাসনকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এইগুলোকে ন্যূনতম ঠিক করে, সংস্কার করে নির্বাচন দেবে তারা। সেই নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করবেন, জনগণ যাদের চাইবে, তাদের ক্ষমতায় নিয়ে আসবে।

ছাত্ররা যদি সরকারে থেকে দল গঠন করেন, তাহলে দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টর খেলার মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে ‘দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর ধরে আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। এই ১৫ বছরে আমাদের বহু লোক মারা গেছে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের ৪২৬ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। আমরা আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) কাছে যেটা চাই, নিরপেক্ষ থাকবেন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবেন। নির্বাচন এই দেশে অবশ্যই হবে, এই নির্বাচনটি হতে হবে সব সময় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আমরা চাইব, অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করতে চায়, আমাদের এতটুকু আপত্তি নাই বরং আনন্দিত বলে উল্লেক করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্ররা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবে, রাজনীতিতে আসবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তারা তাদের নতুন চিন্তা-ভাবনা দিয়ে মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবে কিন্তু সরকারে থেকে যদি দল গঠন করেন, এই দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা দল করবেন, দল করেন, আমরা আপনাদের স্বাগত জানাব, সহযোগিতা করব, আপনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য কাজ করে যাব। শুধু আপনাদের এই অনুরোধটুকু জানাব, অযথা সংঘাতমূলক কোনো কথাবার্তা রাজনীতির মধ্যে না আনাই ভালো হবে, আমরা এটা আশা করি।
শেখ হাসিনা আমাদের বুকে পাথরের মতো বসেছিলেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি পালিয়ে গেছেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলতে পারছি। আজকে আমরা হাসিনামুক্ত হয়েছি, কিন্তু আমাদের যে লক্ষ্য—একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া, এখন পর্যন্ত কিন্তু আমরা সেই গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পারি নাই।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, এত জঞ্জাল সৃষ্টি করেছেন হাসিনা, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন, বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, প্রশাসনকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এইগুলোকে ন্যূনতম ঠিক করে, সংস্কার করে নির্বাচন দেবে তারা। সেই নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করবেন, জনগণ যাদের চাইবে, তাদের ক্ষমতায় নিয়ে আসবে।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে