
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, হাজার-লাখো মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্যই হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার করতে হবে। বিচার না হলে স্বৈরাচারের দোসররা আরও উৎসাহী হবে। তাই শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাকে কোনোভাবে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এই প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের এক থাকতে হবে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেনীতে আয়োজিত এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
সংস্কারের নামে সব প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কিছু মানুষ সংস্কার সংস্কার বলে সব ধরনের প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে। সংস্কারের কথা বলে দেরি করাটা ষড়যন্ত্র কি না, দেখতে হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত এই চেয়ারম্যান বলেন, যে হারে দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, এসবের লাগাম টানতে হবে। এসব বন্ধ করতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যত দ্রুত এটি হবে তত দ্রুত জনগণ মুক্তি পাবে।
তিনি বলেন, শহিদদের আত্মার মর্যাদা দিতে হলে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে বিএনপি ৩১ দফা দিয়েছে। রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের জন্য বিএনপি আড়াই বছর আগেই সংস্কারের কথা বলেছে। কারণ বিএনপি বিশ্বাস করত একদিন স্বৈরাচারের পতন হবেই।
তারেক রহমান আরও বলেন, যতদিন দেশে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কর্মসংস্থান তৈরি করা যাবে না, ততদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জামায়াতের উদ্দেশে বলেন, ইসলামের নামে রাজনীতি করেন। গণতন্ত্র হলো বিষ মাখানো দুধের মাখনের মতো। নির্বাচনে যাবেন না বলেও বিগত নির্বাচনে শেখ হাসিনার আঁচল ধরে গেছেন। প্রতিটি সময় জনগণের সঙ্গে মোনাফেকি করছেন। অথচ আপনারা ইশারা-ইঙ্গিতে বিএনপিকে দোষারোপ করার চেষ্টা করছেন।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, হাজার-লাখো মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্যই হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার করতে হবে। বিচার না হলে স্বৈরাচারের দোসররা আরও উৎসাহী হবে। তাই শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাকে কোনোভাবে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এই প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের এক থাকতে হবে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেনীতে আয়োজিত এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
সংস্কারের নামে সব প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কিছু মানুষ সংস্কার সংস্কার বলে সব ধরনের প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে। সংস্কারের কথা বলে দেরি করাটা ষড়যন্ত্র কি না, দেখতে হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত এই চেয়ারম্যান বলেন, যে হারে দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, এসবের লাগাম টানতে হবে। এসব বন্ধ করতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যত দ্রুত এটি হবে তত দ্রুত জনগণ মুক্তি পাবে।
তিনি বলেন, শহিদদের আত্মার মর্যাদা দিতে হলে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে বিএনপি ৩১ দফা দিয়েছে। রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের জন্য বিএনপি আড়াই বছর আগেই সংস্কারের কথা বলেছে। কারণ বিএনপি বিশ্বাস করত একদিন স্বৈরাচারের পতন হবেই।
তারেক রহমান আরও বলেন, যতদিন দেশে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কর্মসংস্থান তৈরি করা যাবে না, ততদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জামায়াতের উদ্দেশে বলেন, ইসলামের নামে রাজনীতি করেন। গণতন্ত্র হলো বিষ মাখানো দুধের মাখনের মতো। নির্বাচনে যাবেন না বলেও বিগত নির্বাচনে শেখ হাসিনার আঁচল ধরে গেছেন। প্রতিটি সময় জনগণের সঙ্গে মোনাফেকি করছেন। অথচ আপনারা ইশারা-ইঙ্গিতে বিএনপিকে দোষারোপ করার চেষ্টা করছেন।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে