আগামী দিনে বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেই ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে জানিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, গত দেড় যুগের আন্দোলনে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমি সহমর্মিতা জানাই। আমরা আশাবাদী, গুম হওয়া প্রিয়জনদের সুস্থভাবে ফিরিয়ে
হাসনাতের ভাষায়, ‘আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। কিন্তু তিনি লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়েছেন এবং কিছু উপহারও দিয়েছেন। এটি ইতিবাচক বার্তা, আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাই। ’
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দোসররা এখনো রয়েছে। তারা নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে এবং কৌশল করছে।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। বাংলাদেশে গায়ের জোরে কারো মুখ বন্ধ করা যাবে না।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ আলমগীর, জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ জাতীয় নেতারা।
রাজধানীর কাকরাইলে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে হামলার শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সব ধরনের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চাকে ব্যাহত করে— এমন কোনো কর্মকাণ্ডকে বিএনপি সমর্থন করে না এবং সুস্থধারার রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলাকেও আমরা নিন্দা জানাই।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসি কতটা নির্বিঘ্নে রোডম্যাপ ধরে নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। কোনো কোনো রাজনৈতিক দল এই রোডম্যাপকে পুরোনো বন্দোবস্তে নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা বলে অভিহিতও করেছে।
তিনি বলেন, রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে। আমরা এতে আশাবাদী হয়েছি, এই রোডম্যাপ থেকে বুঝা যায়, নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মূল কথা হচ্ছে আমরা খুশি… উই আর হ্যাপী।
মেজর হাফিজ বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীকে আমরা এতো বছর আশ্রয় দিয়েছি, আমাদের প্রতীক নিয়ে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের মন্ত্রী হিসেবে স্থান দিয়েছি। আমাদের এখানে ফারুক আছে, আলাল আছে, সরোয়ার আছে। এরকম মন্ত্রী হতে পারত। এদের জায়গা আমরা দিয়েছি জামায়াতকে। ঠিক আছে, বন্ধু প্রতীম দল। আজকে তারপর তারা
এ সময় আমীর খসরু প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের সবাইকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে, এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন দক্ষ প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ান একজন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের চেয়েও বেশি আয় করতে পারেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দক্ষ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় জামালপুর জেলার ’২৪-এর ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা ও অটোরিকশা প্রদান করে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে বানচাল করতে নিত্য নতুন দাবি তুলছে। যার সঙ্গে দেশের মানুষই পরিচিত নয়। এগুলো নিয়ে তাঁরা হুমকি দিচ্ছেন, বেশ জোরেশোরেই হুমকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘বসে নেই কেউ...। যারা ফায়দা নিতে চায়, তারা বিভিন্নভাবে কাজ করছে।’
আমি যখন বলি ‘ফকিন্নির বাচ্চা’, তখন তার নিচে শেয়ার করা ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যাবে, কে কাকে ইঙ্গিত করছে। আমার আওয়ামী লীগের সম্পাদক হওয়া নিয়ে ওরা যে ভাষায় কথা বলেছে, তার প্রেক্ষিতে আমি প্রতিক্রিয়া দিয়েছি।
হাসনাত বলেন, রুমিন আপাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বাজে কমেন্ট ও নারীকে অসম্মান করার কোনো সুযোগ নেই। ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের ক্ষতি হয়, এমন সিলেক্টিভ আক্রমণ ও আচরণ যেন কেউ না করেন, সে আহ্বান জানান হাসনাত।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার সময় আরো ২৪ ঘণ্টা বর্ধিত করা হয়। আপনি আজ নোটিশের যে জবাব দিয়েছেন, তা সন্তোষজনক নয়। তথাপিও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে আপনার অবদান বিবেচনা করে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিয়ে আপনার দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ তিন মাসের জন্য নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর বরাবর পাঠানো লিখিত জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, ২৪ আগস্ট রাত ৯টায় আপনার স্বাক্ষরিত একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ আমি হাতে পাই। এরপর যথাসময়ে নোটিশের জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর জন্য আমি আবেদন করি। আপনি আমাকে ২৪ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধি করেছেন, এজন্য ধন্যবাদ।