অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই একটি সুন্দর নির্বাচন হবে জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিএনপির দাবি—ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন, গতকাল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেই দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন ‘আপনার ছেলেমানুষি মানায় না। ৮৪ বছর বয়সে আপনার এই ধরনের অভিমান মানায় না।’ আমরা আপনার পাশে আছি। আমরা সরকারের পাশে আছি বলেন তিনি।’
নির্দিষ্ট সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলা কী মহাপাপ? তাদের (উপদেষ্টা পরিষদ) কথা শুনে মনে হচ্ছে তারা বিভিন্ন মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কেন?'
শনিবার (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা পৃথক পৃথক বৈঠকে এসব দাবি-দাওয়ার কথা জানিয়েছে। এসব বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সবগুলো রাজনৈতিক দলই প্রধান উপদেষ্টাকে আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে আমি, আমির খসরু সাহেব, মঈন খান সাহেব ও সালাহউদ্দিন আহমেদ এসেছিলাম। তবে আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু আগে জানানো হয়নি। তবুও আমরা বুঝতে পেরেছি যে, বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হবে।
সরেজমিন দেখা যায়, বিএনপির প্রতিনিধি দলের মধ্যে প্রথমে যমুনায় প্রবেশ করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর বাকি ৩ সদস্য প্রবেশ করেন।
দেশে চলমান সংকটে বিএনপি সরকারকে কী ধরনের পরামর্শ দেবে?— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোথায় সংকট? আমরা তো কোনো সংকট দেখছি না।’
চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর উপদেষ্টা ভবনে এই দুই দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের চলাচলের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। দিনের পর দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত শত মিথ্যা মামলায় আমাদের জীবনযাপন করতে হয়েছে। সেই জায়গা থেকে মুক্ত করেছে এই আরমান মোল্লারা। তার সন্তানরা কেন এতিমখানায় থাকবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিয়ে আমাদের পাঠিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ বিএন
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা না করে যদি তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান, সেটিও তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে একান্তই যদি তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তাহলে রাষ্ট্র তো বসে থাকবে না। রাষ্ট্র নিজ দায়িত্বে বিকল্প ব্যবস্থা নেবে।’
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘আপনার মতো সচেতন নাগরিক, যিনি বিশ্বের দরবারে আমাদের গর্বিত করেছেন, আপনি নোবেলজয়ী। আপনি ব্যক্তিগত ইউনূস নন, আপনি জনগণের। আপনি বলেছেন পদত্যাগ করতে চাই, এসব দেখে আমার মন খারাপ হয়েছে। ড. ইউনূস, আপনি এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন, আমরা আপনার পদত্যাগ চাই না।’
সরকারের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যেই রাজপথের এই আন্দোলনে জয় নিয়ে আপাতত ঘরে ফেরার অপেক্ষায় বিএনপি। দলটি মনে করছে, আগামী রোববারের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়াতে সরকার বাধ্য হলে বিএনপিকে আগামীতে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। প্রায় ১৯ বছর ক্ষমতার বাইরে
সরকারে থাকা বিতর্কিত উপদেষ্টাদের সরানোর আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে বিতর্কিত কয়েকজন উপদেষ্টা- যাদের বক্তব্যে এবং কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, এমন বিতর্কিত উপদেষ্টাদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি আমরা তুলেছিলাম। অন্তর্বর্ত
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে মানুষের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকারসহ ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিগগির জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই, আমরা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের আলটিমেটাম দিয়ে আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেলে কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনস্থলে এসে তিনি এ ঘোষণা করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানর অপসারণ চেয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে ইশরাককে মেয়র হিসেবে শপথ পড়াতে বাধা নেই। উচ্চ আদালতের এই রায়ে জনগণের বিজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইশরাকের অনুসারী