শামসুজ্জামান দুদু বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ নানা ভাবে বিএনপি ও দলের নেতাকর্মীদের ওপর গত ১৬ বছর ধরে যে নির্যাতন করেছে, সেভাবেই তারা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। এই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে একটা নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসলো। এরপর বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক ক্যাম্পেইন হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা এই দুষ্কর্ম করছে, ওই দুষ্কর্ম করছে। এর প্রেক্ষিতে বিএনপি বহিষ্কার করছে। বিএনপির তো আর ক্ষমতা নাই। এইটুকুই তার সাধ্য। দেশে তো সরকার আছে। তার
গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে দলগুলোকে জনসমর্থন নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা বোধ হয় রাজপথের পর্ব শেষ করেছি, এখন জনগণের কাছে মালিকানা ফেরানোর সময়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই জনগণের কাছে নিজ দলের ম্যান্ডেট নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে গণতন্ত্র চর্চার লক্ষ্যে প্রচলিত একটি বিশেষ দিন। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি, আহতদের সমবেদনা জানাচ্ছি। সারা বিশ্বের গণতন্ত
এদিকে দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। রোববার ৪টা ২২ মিনিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।
শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে আওয়ামী লীগ এবং তাদের ঘনিষ্ঠজনরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা পাবে এবং শেখ হাসিনার বিচার ত্বরান্বিত হবে। একইসঙ্গে বিদেশে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। এসব ভূমিকা কেবলমাত্র নির্বাচিত সরকারই
যারা অভ্যুত্থানে ছিলেন, তাদের অনেকে এখন সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি বরাবরই দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশ্রিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক চর্চার ধারক। ’
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অবস্থিত চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রাণী ও প্রাণের মিলন মেলা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা বিএনপির লক্ষ্য। রাষ্ট্রকে অনেক রক্তের বিনিময়ে একটি ট্র্যাকে উঠানো হয়েছে। এখন সাংবিধানিক আইনি কাঠামোয় রূপ দেয়া প্রয়োজন। জনগণ ও ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের অভিপ্রায় হলো জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
মুসল্লির চেয়ে ইমাম বেশি মন্তব্য করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমাদের অবস্থা হচ্ছে এমন, মুসল্লির চেয়ে ইমাম বেশি। আমরা বোধ হয় সেই অবস্থায় আসছি এখন। জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা একেকজনের একেক রকম। আমার মনে হয় জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ৫ আগস্টের পর ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। একসঙ্গে থাকলাম, একসঙ্গে জেল খাটলা
জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সিভিল সার্ভিসে বৈষম্য দূর করতে হবে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রথম পথিকৃৎ ছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রশাসনিক সংস্কারকে প্রাধান্য দেবে।
তিনি আরো বলেন, আপনাদের উপস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি শ্রীপুরের দুর্গ পরিণত হয়েছে তার প্রমান আপানার রেখেছেন। তৎকালীন পাকিস্তানি আমল এবং বিগত আওয়ামী বাংলাদেশ সময়ে শ্রীপুরের অবস্থা এরকম ছিল না। বিএনপি আজকে শ্রীপুরের ঘরে ঘরে, গ্রামে গ্রাামে। আগামী প্রজন্মকে একটি সুন্দর, সুখি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়
নির্বাচিত জাতীয় সংসদই সংবিধান সংশোধনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা রাখে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভিন্ন কোনো প্রক্রিয়ায় গেলে পরবর্তী সময়ে সংশোধনী সংবিধান আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, তোমাদেরকে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হয়ে বাবা-মার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে না পারলে হতাশা আসবে। সেই হতাশা পরিবার, সমাজ, দেশের উপর প্রভাব পড়বে। অভিভাবকদেরকে উচিত তাদের সন্তানের প্রতি সুদৃষ্টি রাখা। সন্তানেরা লেখাপড়ায় মনোযোগী আছে কি না সেদিকে খেয়
সেলিমা রহমান বলেন, আপনারা দেখেছেন ডাকসু নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দোসরদের সাথে মিলে আরেকটি রাজনৈতিক দল কীভাবে খেলা খেললো। এগুলো আপনাদের বুঝতে হবে, জানতে হবে এবং এখন থেকে কাজ করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীকে মোনাফেকের দল উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস দাবি করেন, দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ডাকসুর নির্বাচন থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। কালকের ইলেকশনে কিন্তু দুইটা কাজই হয়েছে। ২০০৮ সালের মত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আবার ছাত্রলীগের ভোট। দেখেন এরা কত বড় মোনা
জামায়াত-শিবির মুনাফেক দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত নেতাদের যখন আওয়ামী লীগ ফাঁসি দিয়েছিল, তখন বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সুরক্ষা দিয়েছিল। আজকে জামায়াত তা বেমালুম ভুলে গেছে। যারা ফাঁসি দিয়েছিল তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ৫ আগস্টের পর জামায়াতের আমির বলেছিল- আমরা আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিলাম, ভারতকে মাফ