
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে কাতারের ব্যবস্থা করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসছে না। ফলে আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া। এ ছাড়া তার সিটিস্ক্যানসহ কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো আসায় তাকে দেশে রেখেই সুস্থ করা এবং বিদেশে না নেওয়ার চিন্তা তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার অনুমতি নিয়েছিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু তারা আজ সেই অনুমতি প্রত্যাহারের আবেদন করেছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, জার্মানভিত্তিক এফএআই এভিয়েশন গ্রুপ স্থানীয় সমন্বয়কারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্বের স্লট অনুমোদন প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাতিলের অনুরোধটি আমরা প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।’
এর আগে, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগের চেয়ে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সুস্থ আছেন। আমরা চেষ্টা করছি দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে। আমাদের বিশ্বাস তিনি দেশের চিকিৎসাতেই সেরে উঠবেন। এর আগে উনার অবস্থা আরও বেশি ক্রিটিক্যাল ছিল। তখনো সেরে উঠেছিলেন। দোয়া রাখেন, লন্ডন নেওয়ার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। আজ (রবিবার) সিটিস্ক্যান, ইসিজিসহ কয়েকটি টেস্ট করা হয়েছে। সেগুলোর রেজাল্টও ভালো এসেছে।’
খালেদা জিয়াকে আর কতদিন সিসিইউতে রাখা হবে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি নির্ভর করছে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার ওপর। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। উনার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান শয্যাপাশে থেকে চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। তিনি বেশ কয়েকদিন দেশেই থাকবেন।’
খালেদা জিয়া কথা বলতে পারছেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে এই চিকিৎসক বলেন, ‘কিছুটা বলার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। উনার ছোট ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, দুই পুত্রবধূ সর্বক্ষণ পাশে আছেন। তাদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে কাতারের ব্যবস্থা করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসছে না। ফলে আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া। এ ছাড়া তার সিটিস্ক্যানসহ কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো আসায় তাকে দেশে রেখেই সুস্থ করা এবং বিদেশে না নেওয়ার চিন্তা তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার অনুমতি নিয়েছিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু তারা আজ সেই অনুমতি প্রত্যাহারের আবেদন করেছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, জার্মানভিত্তিক এফএআই এভিয়েশন গ্রুপ স্থানীয় সমন্বয়কারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্বের স্লট অনুমোদন প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাতিলের অনুরোধটি আমরা প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।’
এর আগে, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগের চেয়ে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সুস্থ আছেন। আমরা চেষ্টা করছি দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে। আমাদের বিশ্বাস তিনি দেশের চিকিৎসাতেই সেরে উঠবেন। এর আগে উনার অবস্থা আরও বেশি ক্রিটিক্যাল ছিল। তখনো সেরে উঠেছিলেন। দোয়া রাখেন, লন্ডন নেওয়ার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। আজ (রবিবার) সিটিস্ক্যান, ইসিজিসহ কয়েকটি টেস্ট করা হয়েছে। সেগুলোর রেজাল্টও ভালো এসেছে।’
খালেদা জিয়াকে আর কতদিন সিসিইউতে রাখা হবে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি নির্ভর করছে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার ওপর। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। উনার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান শয্যাপাশে থেকে চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। তিনি বেশ কয়েকদিন দেশেই থাকবেন।’
খালেদা জিয়া কথা বলতে পারছেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে এই চিকিৎসক বলেন, ‘কিছুটা বলার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। উনার ছোট ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, দুই পুত্রবধূ সর্বক্ষণ পাশে আছেন। তাদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন।’

অলটারনেটিভস’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নতুন রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম প
২ দিন আগে
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, হাসপাতালে কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেগুলো উত্তরণে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হসপিটালে যান্ত্রিক কিছু সমস্যা রয়েছে। ইসিজি মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে এরকম নানাবিধ সরঞ্জামের লিমিটেশন আছে। সেগুলো উত্তরণের জন্য আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা
৩ দিন আগে
তিনি আরও বলেন, জীবনের বিনিময়ে হলেও জুলাই অভ্যুত্থান রক্ষা করা হবে। জুলাই টিকে না থাকলে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জাতীয় নির্বাচন ও নবগঠিত সরকার কারোরই অস্তিত্ব থাকবে না।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’
৩ দিন আগে