সূত্রাপুরের দুই ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে এরশাদ শাসনামলে সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হয়েছিলো জিন্টুর। ওই আদেশে আরো তিন জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে আবুল হাসনাত কামাল নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও বিদেশে পালিয়ে যায় জিন্টু।
শামসুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। যেকোনও সময় সরকারের পতন ঘটতে পারে। এই ফ্যাসিবাদের পতন হতে পারে। এত বড় লুণ্ঠনকারী, বেহায়া, স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনও ক্ষমতায় আসেনি।’
ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণসহ চার মহানগরে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ছাত্রদলের চার কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না’র নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি। সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণ ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে। আমরা হয়ত তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করত
গতকাল একটা ফোরামে নোয়াব (সংবাদপত্র মালিক সমিতি) এর একটা সেমিনারে দেশের সবচেয়ে স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদরা তারা বলেছেন যে, অর্থনীতি একটা বিপর্যয়ের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।
রিজভী বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষ এক দম বন্ধ করা পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছি, দিনযাপন করছি। একদিকে সরকারি আক্রমণ, একদিকে গুম খুন ক্রসফায়ার, আরেক দিকে ক্ষুধায় দারিদ্রতায় বঞ্চনায় মানুষ আত্মহত্যা করছে। মায়েরা, পিতামাতারা তার সন্তান বিক্রি করছে। এ উপহার দিয়েছেন সরকার।
মির্জা ফখরুল বলেন, নিজের স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে দেশকে কীভাবে বিক্রি করে দিচ্ছে, পরনির্ভরশীল করে ফেলেছে। তাদের (সরকার) কথা-বার্তায় সব বেরিয়ে আসছে। তারা আজকে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে কার স্বার্থে? সম্পূর্ণভাবে বিদেশিদের স্বার্থে। পরনির্ভরশীল একটা জাতিতে পরিণত করেছে সরকার।
শনিবার বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনসহ রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনটি বিএনপি কার
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,জাতীয় সংসদে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রাঘববোয়ালদের লুট করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বাঙালি জাগরণে করণীয় ও সিরাজুল আলম খান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় সমাজতা
এদিকে, শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে বাজেট প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট ‘কালো টাকার’। সুতরাং বাজেট নিয়ে কথা বলার দরকার নেই।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম হাফিজ কেনেডির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পেশাজীবী পরিষদের সদস্যসচিব
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদানের অর্থ ‘অসততাকে উসাহিত করা’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (২০২৪-২৫) অর্থবছরের বাজেটে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘বাজেট তো বাংলাদেশের গুটি কয়েক অলিগার্কদের (কোনও গোষ্ঠীর শাসন) জন্য। এদের ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার জন্য বাজেট। বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাজেট হওয়ার কোনও সুযোগ নাই এখানে। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ
এই বাজেটকে আপনারা কীভাবে দেখছেন এবং এখানে মানুষের জন্য কী দেখতে পাচ্ছেন এই সংকটকালে—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘এটা লুটেরাদের দেশে পরিণত হয়েছে। সরকার লুটেরাতে পরিণত হয়েছে। লুটেরাদের বাজেট হবে কী জন্য? লুট করার জন্য।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, একটি মৌলিক বিষয় হচ্ছে, আওয়ামী লীগ আজ অন্যায়ভাবে গায়ের জোরে সরকারের ক্ষমতা দখল করে আছে । কাজেই এদেশের ১৮ কোটি মানুষের আগামী বছরের ভাগ্য নির্ধারণে জনপ্রতিনিত্ববিহীন এই সরকারের কোন নৈতিক অধিকার নেই এবং এটাই হচ্ছে আজকের দিনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য।
আওয়ামী লীগকে রক্ষা করার জন্য এবং তাদের ক্ষমতায় রাখার জন্য পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ তার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বেনজীর আহমেদ আওয়ামী লীগের লোক নন বলে দলটির সাধারণ সম্পাদক সম্প্রতি যে মন্তব্য করেন, এর জবাবে ওই অভিযোগ করেন তিনি।