
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি নয়, সরকারই বিদেশিদের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন- সরকার যাতে ক্ষমতায় থাকতে না পারে সেজন্য বিদেশি বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা কম্বেডিয়ার মতো নিষেধাজ্ঞা আশা করছে। আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলতে চাই, বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই বিদেশীদের ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে। এটা এখন আমার বক্তব্য নয়… যারা বিএনপি করেন না এই ধরণের বুদ্ধিজীবী-কলামিস্ট-লেখক তারা প্রতিনিয়ত একথাগুলো বলছেন।
রোববার দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এই প্রতিক্রিয়া বক্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, একদিকের রাষ্ট্রশক্তিকে বানিয়েছেন তিনি আওয়ামী চেতনায় লালিত করে…পুলিশ-র্যাব দিয়ে জনগনের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার-নিপীড়ন-নির্যাতন-কারা নির্যাতন করে যাচ্ছেন। আর পেছনে তাদের রয়েছে একটি বড় শক্তি। এই শক্তিতে উদ্ধুদ্ধ হয়েই প্রধানমন্ত্রী আহ্বলাদিত আওয়ামী সরকার।
তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে বলতে চাই, ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ডামি সরকার গঠন করে আপনারা এখন ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন। জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এখন আপনারা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খুঁজছেন। ৭ জানুয়ারীতে জনগণ আপনাদেরকে চুড়ান্তভাবে একেবারে মাঠ থেকে বের করানোর জন্য যে লালকার্ড দেয় সেই লাল কার্ড জনগণ আপনাদের দেখিয়েছে। সেই একদলীয় একতরফা ভুয়া নির্বাচনে ভোটাররা যায়নি।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাল ভোট ও অনিয়মের হাজারো চিত্র ভাইরাল হয়েছে। শিশুরাও দেদারসে সিল মারছে। আগে ভোট কেন্দ্রে গরু ছাগলসহ চতুস্পদ প্রাণীরা বিচরণ করলেও এবারের নির্বাচনে নতুন সংযোজন বানর। এই বারনরা বাদরামি করেছে যে, যার নজির অধিকাংশ ভাইরাল হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের পরাজিত দলীয় প্রার্থীরাও এই নির্বাচনকে প্রহসন ও তামাশার নির্বাচন বলে অভিহিত করেছে।
রিজভী বলেন, এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন দেশে—বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং আমাদের উন্নয়নে অংশীদারী দেশগুলোও তামাশার নির্বাচন বাতিল করে নতুনভাবে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। সহিংসতা ও বিরোধী নেতাকর্মীদের দমনের মধ্য দিয়ে একতরফা নির্বাচন করলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বলছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
‘নির্বাচনের পর কৃত্রিম আনন্দ-ফুর্তিতে মেতে থাকার চেষ্টা করলেও ক্ষমতাসীনরা প্রতিনিয়ত ক্ষমতার ভয় তাড়া করছে’ বলে মন্তব্য করেন রিজভী। বলেন, এখন অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় বসে দেশবাসীর সাথে সস্তা রসিকতা করছেন। উনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের হুমকী দিচ্ছেন, ফুরফুরে মেজাজী ঢংয়ে পেয়ারা হিন্দুস্থানের হিন্দি গান শোনাচ্ছেন, রবিন্দ্র সংগীত শোনাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এটা শুনে আমরা হতবাক হয়েছি। কালকে উনি গোপালগঞ্জের মতবিনিময় সভায় এটা বলছেন যে, আমাদের অফিসের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে এটা বলেছেন যে, এক কামরা ম্যা বান্দ চাবি খো গিয়া হ্যা… এটা উদ্ধৃতি করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দি গানের প্রতি খুব অনুরাগ… উনার মন তো সমসয় দিল হ্যায় হিন্দুস্থানি …এই হয়ে আছে। সুতরাং দিল হ্যায় হিন্দুস্থানি গানের কলি সব সময় উনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। তারপরেও উনি একটা রবীন্দ্র সঙ্গীতের কলিও বলেছেন… ভেঙে মোর ঘরের চাবি…এটা বাউল সুরের একটি গানের কলি নিসন্দেহে একটি ভালো গান…এটা অন্য সময় শোনার গান।
তিনি বলেন, কিন্তু আমরা যে বোধে উদ্ধুদ্ধ হয়ে একটি অন্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক দলের অফিস পুলিশ প্রশাসন যেভাবে বন্ধ করে দিয়ে ক্রাইম সিন লাগিয়ে এখানে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলো… আপনারা গণমাধ্যমের যারা সাংবাদিকরা রয়েছেন আপনারা জানেন কিভাবে লাল ফিতা দিয়ে পুলিশ ব্যারিকেড করে রে্খেছিলো।সেটার পর প্রচন্ড দমনপীড়নের মধ্য দিয়ে তারা একতরফা নির্বাচন করেছে।
এই পরিস্থিতিতে আমরা রবীন্দ্রনাথের ওই গানে উদ্ধুদ্ধ হয়েছি বান ভেঙে দাও, বান ভেঙে দাও… এই গানের উদ্ধুদ্ধ হয়ে আমরা তালা ভাঙতে এসেছি আর জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের কারা ওই লৌহ কপাট ভেঙে ফেল করলে লোপাট… এই দুই মহাকবি, বিখ্যাত কবির গান আমাদেরকে উদ্ধুব্ধ করেছে এই স্বৈরাচারি সরকারের তালা ভাঙতে, যোগ করেন রিজভী।

বিএনপি নয়, সরকারই বিদেশিদের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন- সরকার যাতে ক্ষমতায় থাকতে না পারে সেজন্য বিদেশি বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা কম্বেডিয়ার মতো নিষেধাজ্ঞা আশা করছে। আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলতে চাই, বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই বিদেশীদের ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে। এটা এখন আমার বক্তব্য নয়… যারা বিএনপি করেন না এই ধরণের বুদ্ধিজীবী-কলামিস্ট-লেখক তারা প্রতিনিয়ত একথাগুলো বলছেন।
রোববার দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এই প্রতিক্রিয়া বক্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, একদিকের রাষ্ট্রশক্তিকে বানিয়েছেন তিনি আওয়ামী চেতনায় লালিত করে…পুলিশ-র্যাব দিয়ে জনগনের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার-নিপীড়ন-নির্যাতন-কারা নির্যাতন করে যাচ্ছেন। আর পেছনে তাদের রয়েছে একটি বড় শক্তি। এই শক্তিতে উদ্ধুদ্ধ হয়েই প্রধানমন্ত্রী আহ্বলাদিত আওয়ামী সরকার।
তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে বলতে চাই, ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ডামি সরকার গঠন করে আপনারা এখন ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন। জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এখন আপনারা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খুঁজছেন। ৭ জানুয়ারীতে জনগণ আপনাদেরকে চুড়ান্তভাবে একেবারে মাঠ থেকে বের করানোর জন্য যে লালকার্ড দেয় সেই লাল কার্ড জনগণ আপনাদের দেখিয়েছে। সেই একদলীয় একতরফা ভুয়া নির্বাচনে ভোটাররা যায়নি।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাল ভোট ও অনিয়মের হাজারো চিত্র ভাইরাল হয়েছে। শিশুরাও দেদারসে সিল মারছে। আগে ভোট কেন্দ্রে গরু ছাগলসহ চতুস্পদ প্রাণীরা বিচরণ করলেও এবারের নির্বাচনে নতুন সংযোজন বানর। এই বারনরা বাদরামি করেছে যে, যার নজির অধিকাংশ ভাইরাল হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের পরাজিত দলীয় প্রার্থীরাও এই নির্বাচনকে প্রহসন ও তামাশার নির্বাচন বলে অভিহিত করেছে।
রিজভী বলেন, এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন দেশে—বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং আমাদের উন্নয়নে অংশীদারী দেশগুলোও তামাশার নির্বাচন বাতিল করে নতুনভাবে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। সহিংসতা ও বিরোধী নেতাকর্মীদের দমনের মধ্য দিয়ে একতরফা নির্বাচন করলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বলছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
‘নির্বাচনের পর কৃত্রিম আনন্দ-ফুর্তিতে মেতে থাকার চেষ্টা করলেও ক্ষমতাসীনরা প্রতিনিয়ত ক্ষমতার ভয় তাড়া করছে’ বলে মন্তব্য করেন রিজভী। বলেন, এখন অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় বসে দেশবাসীর সাথে সস্তা রসিকতা করছেন। উনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের হুমকী দিচ্ছেন, ফুরফুরে মেজাজী ঢংয়ে পেয়ারা হিন্দুস্থানের হিন্দি গান শোনাচ্ছেন, রবিন্দ্র সংগীত শোনাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এটা শুনে আমরা হতবাক হয়েছি। কালকে উনি গোপালগঞ্জের মতবিনিময় সভায় এটা বলছেন যে, আমাদের অফিসের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে এটা বলেছেন যে, এক কামরা ম্যা বান্দ চাবি খো গিয়া হ্যা… এটা উদ্ধৃতি করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দি গানের প্রতি খুব অনুরাগ… উনার মন তো সমসয় দিল হ্যায় হিন্দুস্থানি …এই হয়ে আছে। সুতরাং দিল হ্যায় হিন্দুস্থানি গানের কলি সব সময় উনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। তারপরেও উনি একটা রবীন্দ্র সঙ্গীতের কলিও বলেছেন… ভেঙে মোর ঘরের চাবি…এটা বাউল সুরের একটি গানের কলি নিসন্দেহে একটি ভালো গান…এটা অন্য সময় শোনার গান।
তিনি বলেন, কিন্তু আমরা যে বোধে উদ্ধুদ্ধ হয়ে একটি অন্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক দলের অফিস পুলিশ প্রশাসন যেভাবে বন্ধ করে দিয়ে ক্রাইম সিন লাগিয়ে এখানে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলো… আপনারা গণমাধ্যমের যারা সাংবাদিকরা রয়েছেন আপনারা জানেন কিভাবে লাল ফিতা দিয়ে পুলিশ ব্যারিকেড করে রে্খেছিলো।সেটার পর প্রচন্ড দমনপীড়নের মধ্য দিয়ে তারা একতরফা নির্বাচন করেছে।
এই পরিস্থিতিতে আমরা রবীন্দ্রনাথের ওই গানে উদ্ধুদ্ধ হয়েছি বান ভেঙে দাও, বান ভেঙে দাও… এই গানের উদ্ধুদ্ধ হয়ে আমরা তালা ভাঙতে এসেছি আর জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের কারা ওই লৌহ কপাট ভেঙে ফেল করলে লোপাট… এই দুই মহাকবি, বিখ্যাত কবির গান আমাদেরকে উদ্ধুব্ধ করেছে এই স্বৈরাচারি সরকারের তালা ভাঙতে, যোগ করেন রিজভী।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে