তিনি বলেন, এখন পবিত্র রমজান মাস। এটি হলো সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস। অথচ বিএনপি-জামায়াত সংযমি না হয়ে আন্দোলনের নামে মানুষের দুঃখ কষ্টকে আরো বাড়ানোর জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এরা নিজেরা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে দুর্নীতির বিপক্ষে বড় বড় কথা বলে। আমরা দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের ঘৃণা করি। আমরা লুটেরাজদের
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কাল রাতে মানবসভ্যতার ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা ভারত বিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, ইন্ডিয়া আউট বলছে- তারা আজকে বাংলাদেশের জনগণ থেকে আউট হয়েছে। তারা পাকিস্তানপন্থী এবং পাকিস্তানের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ভারত সহযোগিতা করেছে বলেই ভারত বিরোধী স্লোগান এবং রাজনীতিতে যখনই পরাজিত হয়ে যায় এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়-তখনই ভারত বির
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একটা কথা না বলে পারলাম না। বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে পুড়ল। যে নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে? আমি জানি, ঈদের আগে দেখি বিএনপির মন্ত্রীদের বউরা ভারত থেকে শাড়ি এনে বিক্রি করত।
মহান স্বাধীনতা দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার ভোরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডিতে আসেন। প্রথমে সরকারপ্রধান হিসেবে শ্রদ্ধা করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এতদিন পরেও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক করে। পাঠক ঘোষক হতে পারে না। কে ঘোষক এই বিতর্কের অবসান তখনই হবে, যখন সত্যের অনুসন্ধান করতে যাব। স্বাধীনতা ঘোষণার ম্যান্ডেট ৭০ এর নির্বাচনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুই পেয়েছিলেন।’
মন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশটি দীর্ঘ ২১ বছর যাবৎ উল্টো পথে চলেছে।এই বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। এই দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। এই বাংলাদেশে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণের রেকর্ড তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই ভাষণ আমরা যারা বাজানোর চেষ্টা কর
বিদেশে আওয়ামী লীগের বন্ধু আছে প্রভু নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে প্রভু নেই। বিএনপির প্রভু আছে যারা তাদের স্বার্থের পক্ষে ওকালতি করে। আমাদের বন্ধুরা একাত্তরের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের নির্বাচনে কোন বিদেশি বন্ধু হস্তক্ষেপ করেনি। বিএনপির বন্ধুরা যখন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্
শেখ পরশ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তারা এদেশের দুঃখী-দরিদ্র, বঞ্চিত মানুষদের আরও বঞ্চিত করেছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এটা তাদের বদলা। বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যই হচ্ছে এদেশের জনগণের ওপর অত্যাচার করা ও বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা।
নাছিম বলেন, নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।তারা ছাত্র-ছাত্রী যুবক-যুবতী কাউকে ছাড়েনি। নির্মমভাবে সবাইকে হত্যা করে। তারা রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোকে টার্গেট করে হত্যাযোগ্য চালায়। তাদের লক্ষ্য ছিল একটাই দেশকে
নাছিম বলেন, যারা দ্রব্যমূল্য নিয়ে কারসাজি ও মজুদদারি করে মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি করে সে সকল অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমরা সব সময় সোচ্চার। তাদের এই অপকর্মকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। তাদের বিপক্ষে সব সময় সরকারের অবস্থান রয়েছে। সরকার তার জায়গা থেকে যেমন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তেমনি আমাদের নেতাক
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভির শাল চাদর পুড়িয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জন প্রসঙ্গে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শীতকালের শালচাদর গরম কালে পুড়িয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা যায় না। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের উপর আস্থাঅর্জনশীল দল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো চিন্তা আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরকার এ ধরনের চিন্তাভাবনা কেন করবে? এর কোনো যুক্তি নেই, বাস্তবতা নেই। নির্বাচন যখন হওয়ার তখন হবে সংবিধান অনুসারে। আমাদের সংবিধানে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলতে কিছু নেই।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা ভারত থেকে আসা পেয়াঁজ খাবেন, আপনাদের নেত্রী ভারত থেকে আসা শাড়ি পরিধান করবেন, আপনাদের নেত্রী যেগুলো মাঠে গলা ফাটায় - তারাও আবার ভারতীয় শাড়ি পড়বেন। ভারত থেকে আসা গরুর মাংস দিয়ে আপনারা ইফতার করবেন, সেহেরি খাবেন। ক'দিন আগে তাদের নেতা ভারতে চিকিৎসা নিতে
এতে বলা হয়, সোমবার বিকাল ২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। আমি আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। নির্বাচনের পরে নিয়ম অনুযায়ী সবার কাছে যেতে হয়।আমি যেতে পারিনি। আপনারা কেউ মনে কষ্ট নিবেন না। আমি সেবক হিসেবে বারবার আপনাদের কাছে আসব।
নানক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে খুনিদের অবাধ বিচরণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। যাদের আমরা মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত করেছিলাম, সেই ঘাতকদের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত করেছিল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল এরশাদরা। আজকের দিনে বঙ্গবন্ধুর কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।