আবেদ ভাই, আপনি যেখানেই আছেন, ভালো থাকুন। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে নিশ্চয়ই ভালো রাখবেন। আজ আপনার চিরবিদায়ের ক্ষণে এই আমাদের প্রার্থনা।
আরও স্পষ্ট করে বললে বিষয়টি এরকম- জর্ডি এবং রাজকন্যা যেহেতু গোলাপ এবং জ্ঞান বিনিময় করেছিলেন, তাই এই দিবসে ছেলেদের গোলাপ এবং মেয়েদের বই দেয়ার রেওয়াজ চালু হয়। তাই জর্ডি ডে- তে পুরো কাতালানের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানগুলোতে বই আর ফুলের বিপুল পসরা বসতো। এই উৎসব ক্রমশ পুরো স্পেনে ছড়িয়ে পড়ে, সেই সঙ্গে ইউরো
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইরান সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে ইসরায়েলের তুলনায় তিন ধাপ এগিয়ে আছে। তবে দুটি দেশই বিশ্বের সামরিক শক্তিধর দেশের শীর্ষ কুড়িটি দেশের মধ্যে অবস্থান করছে। সামরিক সক্ষমতায় শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে র্যাংকিংয়ে ইরানের অবস্থান ১৪তম আর ইসরায়েলের অবস্থান ১৭তম।
গত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা কারো অর্জন এবং কারো বর্জনে পরিণত হয়েছে। নির্বাচন দেখলেই পিছু হটছে বিরোধীরা। সরকারি দলের নেতাদের পকেটে চলে যাচ্ছে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের পদগুলো।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার বিশ্লেষণ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে প্রতিবছর ১ হাজারেও বেশি মানুষ নিহত হয়। ২০২১-এর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ যে গুলি চালায় সেসব তথ্যের মাত্র তিনভাগের একভাগ এফবিআই-এর ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়। বাকিটা উধাও। কেননা থানাগুলো কেন্দ্রীয় সরকারকে এসব তথ্য দিতে বাধ্য নয়।
বইটির ৭১ পৃষ্ঠায় তিনি বলেছেন যে, ‘রেডিওর চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে সর্বপ্রথম এই ঘোষণাটি পাঠ করেন। তারপর অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ট্রান্স-মিটারের মাধ্যমে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাটি অধিকাংশ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ত
ধানমন্ডি ৩২ এর এই বাড়িটি সবাই যেন দেখতে পারে, সে জন্যই বঙ্গবন্ধুর বাড়িটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের জন্য "বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট" এর কাছে হস্তান্তর করেছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
জনপ্রিয় অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান নির্বাচনের আগে ‘কিংস পার্টি’ খ্যাত বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্টের (বিএনএম) কো-চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। এ-সংক্রান্ত একাধিক ছবি প্রকাশ পেয়েছে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
বাঙালির জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তার নাম একাকার হয়েছে। এ তো শুধু একটি নাম নয়, বাঙালির জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস। যে জন্য বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক। ১৭ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে প্রতিবছর পালিত হয়ে থাকে।
সাদি ভাই আপনার এমন মৃত্যু ভীষণ বেদনার! আপনার হঠাৎ এমন মৃত্যু ভীষণ পীড়া দিচ্ছে। আফসোস আপনাদের সংগ্রাম আর ত্যাগের কথা দেশের বেশিরভাগ মানুষ জানে না। জানে না তরুণ প্রজন্ম। এই রাষ্ট্র বা আমরা সেগুলো জানাতে পারিনি। আপনাদের যোগ্য সম্মান দিতে পারিনি! চলুন এই শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সেই ইতিহাস জানাতে চলুন আপ
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বিটিভিতে ‘মহাব্যবস্থাপক’ নামে কোনো পদ সৃষ্টি করা হয়নি। যেটি ছিলো এবং এখনো আছে সেটি হলো ‘জেনারেল ম্যানেজার’ বা ‘মহাধ্যক্ষ’ নামে একটি পদ। হঠাৎ করে এই সৃজনশীল পদটিকে নিছক ‘মহাব্যবস্থাপক’ পদে রূপান্তরিত কিভাবে করা হলো? এজন্য কি অরগানোগ্রাম সংশোধন করা হয়েছে?
ভাসানীর মতো তার অনুসারীরা আজও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করেন। এটা করে তারা ভাসানীর দল ও আদর্শের রাজনীতির কবর রচনা করেছেন।
বঙ্গবন্ধুকে অত্যন্ত কৌশলী প্রক্রিয়ায় অপ্রচলিত পথ ধরে মঞ্চে আনা হয়েছিল। ভাষণের সময় রেসকোর্সের আকাশে একটি হেলিকপ্টার উড়তে থাকায় এবং ভাষণটি রেডিওতে প্রচার শুরু করেও আবার বন্ধ করে দেয়ার জনসভায় এক চাঞ্চল্যকর ও ভয়ার্ত পরিবেশের জন্ম হয়েছিল। ভাষণটি ছিল এককভাবে বঙ্গবন্ধু প্রণীত, তার সবটা লিখিতও ছিল না।
আমি মনে করি নিয়ম না মানলে নাগরিকের বিরুদ্ধে যেমন ব্যবস্থা নিতে হবে তেমনি দায়িত্বে অবহেলাকারী বা ঘুষখোরদের বিরুদ্ধেও শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এটা দ্বিপাক্ষিক বিষয়। নাগরিককে যেমন নিয়ম মানতে হবে, যারা নীতি নির্ধারক যারা দায়িত্বে আছেন তাদের সততাও জরুরি। সুশাসন গড়ে না উঠলে এমন অপমৃত্যু কখনোই বন্ধ হবে ন
আমরা দেখতে পাচ্ছি, দেশের বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নানা কারণে এমনিতেই ধুঁকছে। বিশেষ করে কোভিডের পর সংকট প্রকট হয়েছে। সেই সময়ে অনেকেই সঞ্চয় খরচ করতে বাধ্য হয়। ফলে তাদের তহবিল শূন্য হয়েছে বা শূন্যের কাছাকাছি। তার ওপর যদি ২০০৭ সাল থেকে বকেয়া আয়কর দিতে হয়, সেটি হবে বড় ধরনের ধাক্কা।
এই দেশে আপনি খেতে গিয়ে মরবেন, হাসপাতালে সুন্নতের খতনা করতে গিয়ে মরবে আপনার শিশু, এন্ডোসকপি করতে গিয়ে মরবে ভাই, বাস দুর্ঘটনা, ট্রেনে আগুন কিংবা ভবনের আগুনে মারা যাবে সাধারণ মানুষ, গার্মেন্ট বা কারখানায় মরবে শ্রমিক। এই দেশে প্রতিদিন কেউ না কেউ কোথাও নানা অবহেলায় মরবেই।
একুশে বই মেলার জাতীয় চরিত্র ক্ষুণ্ন করা যাবে না। বাংলাদেশে প্রকাশিত বই ছাড়া অন্য দেশে প্রকাশিত বই এ মেলায় বিক্রি ও প্রদর্শন করা যাবে না। এই বই মেলায় দেশের ছোট-বড় সকল প্রকাশনীকে স্থান দিতে হবে। লিটল ম্যাগাজিনগুলোকে ভালো জায়গা দিতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে প্রকাশিত বই বিক্রি ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে