২০০৯ সালে একটি দলীয় সরকার রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্রমান্বয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে জলাঞ্জলি দিয়ে অগণতান্ত্রিক চরিত্র ধারণ করতে থাকে। তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের মানবাধিকার হরণ, গুম, খুন, নিপীড়ন-নির্যাতন, মামলা ও হামলার মাধ্যমে একটি নৈরাজ্যকর ও বিভীষিকাময় ত্রাসের রাজত্ব কায
শফিকুল আলম বলেন, আজ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক, বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম, জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, ঐকমত্য কমিশনের সংলাপগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফারুক হোসেন বলেন, নবনিযুক্ত উপাচার্যের আশ্বাসে আমরা তিন মাসের জন্য আন্দোলন স্থগিত করেছি। প্রশাসন ক্লাস শুরুর ঘোষণা দিলে শিক্ষকরা ক্লাসে যোগ দেবেন।
এর পেছনে রয়েছে আর্দ্রতা, শহরের কংক্রিট কাঠামো, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আমাদের প্রতিদিনের জীবনধারার প্রভাব। বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন এবং তুলে ধরেছেন কিছু চমকপ্রদ তথ্য, যা আমাদের এই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার পেছনের বিজ্ঞান বুঝতে সাহায্য করে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা চাই এগুলো নিষ্পত্তি করে জাতীয় সনদে এগুলো যুক্ত করে জনগণের সামনে সেগুলোকে উপস্থাপন করে সকলে মিলে স্বাক্ষর করে একটা ঐতিহাসিক দলিল করতে। রাজনৈতিক দলগুলোর অব্যাহত সহযোগিতা থাকলে আগামী দুই-তিন দিনে সনদের একটা চূড়ান্ত জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
শফিকুল আলম বলেন, সামনে নির্বাচন আসছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রিভিউ করা হয়েছে। কিছুদিন আগেও প্রধান উপদেষ্টা এ রকম একটা মিটিং করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে দ্বিতীয় মিটিং হলো। এই মিটিংয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত এসেছে।
প্রায় দুই ঘণ্টা ২৪ মিনিটের ভিডিওতে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন, বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। উমামা বলেন, ‘আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সবাই গিয়েছি। ছাত্র ফেডারেশনের সময়কার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘৩০–৪০ জন নিয়ে মিছিল করেছি, তখন বলতাম ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। কিন্তু কখনো ভাবিনি এই স্লোগান
শিশু-বৃদ্ধ সবাই জুলাই অভ্যুত্থানে নেমে এসেছিলেন জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে কোনো একটি দল বা ছাত্র একা আন্দোলন করেননি, বরং গোটা বাংলাদেশ নেমে এসেছিল। জুলাই আন্দোলনে যুবদলের শহীদ ৭৯ জন, ছাত্রদলের ১৪২ জন। যার যা অবদান আছে, তা তাকে দিতে হবে। সাদাকে সাদা, কালোক
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন বিভাগ পর্যন্ত—অনেক গবেষণা হয়েছে এই কলা নিয়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কলা শুধু শক্তি দেয় না, বরং হজমশক্তি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র ভালো রাখে, এমনকি মন ভালো রাখার মতো মানসিক প্রভাবও ফেলে।
প্রথমদিকে, নাদির শাহ দিল্লিতে শান্তভাবেই অবস্থান করেন। কিন্তু একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সবকিছু বদলে যায়। দিল্লির বাজারে গুজব ছড়ায়, নাদির শাহ নিহত হয়েছেন। এতে শহরের কিছু মানুষ পারস্য সেনাদের উপর হামলা চালায়। প্রায় কয়েকশ পারস্য সৈন্য নিহত হয়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নাদির শাহ দিল্লিতে গণহত্যার নির্দেশ
মস্তিষ্কের নিজের জন্যও তো কিছু সময় দরকার! যেমন, আমাদের মেমোরি কার্ড, যেটাকে আমরা স্মৃতি বলি। বহু পুরোনো স্মৃতি আমাদের মনে থাকে কেন?
জার্মানিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী লোকাল ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে তিনজন নিহত ও আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজের প্রত্যাশা, জুলাইয়ের মধ্যেই সংস্কার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এ আলোচনা শেষ করা যাবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের অব্যাহত আলোচনায় এ পর্যন্ত ১২টি বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা সমাপ্ত হবে বলে আশা করছি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘কোরাস’ সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মনুষ্যত্ব রক্ষার পরিপূরক সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলবে। ‘কোরাস’-এর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক প্রগতি বর্মন তমা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) যে ১৫টি ‘বডিব্যাগ’ নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো থেকে চূড়ান্তভাবে ১৪ জনের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। আগে সিএমএইচে ১৫ জন নিহত হিসাব করায় মোট সংখ্যা থেকে নিহত একজন কমবে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ে যে ঘটনাগুলো, ঘটেছে এটা হচ্ছে সত্য। কিন্তু এই সত্যকে অবলম্বন করে সত্যের সত্যকে নিয়ে যদি আমরা আমাদের ন্যারেটিভ নির্মাণ না করি, তাহলে একসময় আমাদের এ গল্পগুলো হারিয়ে যাবে। ফলে জুলাইয়ের সত্যকে আমাদের কালেক্টিভ ন্যারেটিভে পরিণত করতে হবে।