
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আমাদের দেশের প্রতিটি বাজারেই কলা সহজলভ্য ফল। ছোট-বড়, ধনী-গরিব—সব শ্রেণির মানুষই কলা খায়, কেউ নাশতায়, কেউবা বিকেলের জলখাবারে। শিশুদের মুখে তুলে দেওয়া সবচেয়ে সহজ ফলও হলো কলা। আবার রোগীকে পথ্য হিসেবে দেওয়া হয় প্রথম দিকেই এই ফলটি। এত পরিচিত ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকেই ভুলে যান—এই সাধারণ ফলটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ। আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া শরীর ও মন—দুটোই ভালো রাখে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন বিভাগ পর্যন্ত—অনেক গবেষণা হয়েছে এই কলা নিয়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কলা শুধু শক্তি দেয় না, বরং হজমশক্তি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র ভালো রাখে, এমনকি মন ভালো রাখার মতো মানসিক প্রভাবও ফেলে।
একটি মাঝারি আকারের কলায় প্রায় ১১০ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। এতে ফ্যাট প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু এতে থাকে প্রচুর পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কলায় থাকা প্রাকৃতিক শর্করা—যেমন সুউকলোজ, ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ—দেহে ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। এ কারণে যারা ব্যায়াম করেন বা শরীরচর্চা করেন, তাঁদের জন্য কলা আদর্শ প্রাকৃতিক স্ন্যাকস।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউট্রিশন বিশেষজ্ঞ ড. অ্যাঞ্জেলা গিবন্স বলেন, “কলা এমন একটি ফল, যেটি একদিকে যেমন শক্তি জোগায়, অন্যদিকে তেমনই দেহে অল্প সময়ের মধ্যেই শোষিত হয়। এতে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের নার্ভকে শান্ত রাখে এবং স্নায়বিক ভারসাম্য রক্ষা করে।”
কলার পটাশিয়াম নিয়ে বিজ্ঞানীরা বরাবরই উচ্ছ্বসিত। কারণ, এই খনিজ উপাদানটি হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পটাশিয়াম অত্যন্ত জরুরি। আমেরিকার নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের কার্ডিওলজি গবেষক ড. টমাস গ্রিন বলেন, “পটাশিয়াম হৃৎপিণ্ডের সঠিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে। আর কলা হচ্ছে প্রাকৃতিক পটাশিয়ামের সবচেয়ে সহজ উৎস।”
শুধু শরীর নয়, মন ভালো রাখতেও কলা সাহায্য করে। এতে থাকে ট্রিপটোফান নামে একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা দেহে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়। এই সেরোটোনিন হলো আমাদের ‘হ্যাপি হরমোন’। মানসিক চাপে ভোগা মানুষদের প্রতিদিন একটি কলা খেলে কিছুটা হলেও মেজাজ উন্নত হয় বলে মত দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিকাল সাইকোলজি গবেষক ড. হেলেন সিমন্স। তাঁর মতে, “ট্রিপটোফান থেকে সেরোটোনিন তৈরি হয় বলেই কলা খেলে মানুষ আনন্দ অনুভব করে। এটি বিষণ্ণতা কমাতেও সাহায্য করে।”
এ ছাড়া কলায় রয়েছে উচ্চ মাত্রার ফাইবার, বিশেষ করে ‘পেকটিন’ নামের এক ধরনের দ্রবণীয় আঁশ। এই ফাইবার হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কলা খেলে মলত্যাগ সহজ হয়, পেট পরিষ্কার থাকে।
বাচ্চাদের জন্যও কলা খুব উপকারী। চিবোনো সহজ এবং স্বাদে মিষ্টি, তাই ছোটদের পছন্দের একটি ফল এটি। তাছাড়া কলায় থাকা ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।
কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও অধিকাংশ গবেষক মনে করেন, মাঝারি পরিমাণে কলা খাওয়া নিরাপদ। এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়তে সাহায্য করে, তাই তা ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব ফ্রাইবুর্গ-এর খাদ্যবিজ্ঞানী ড. হান্স পিটার ব্রাউন এই বিষয়ে বলেন, “গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে কলা মাঝামাঝি স্থানে আছে। পরিমাণ বুঝে খেলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী হতে পারে।”
এ ছাড়া কলা খেলে মাংসপেশি ও হাড়ের গঠন ভালো হয়। ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম একসঙ্গে কাজ করে হাড়কে মজবুত করে তোলে। বৃদ্ধ বয়সে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন একটি কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন চিকিৎসক।
কলা পেটের আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের বিরুদ্ধে একধরনের প্রাকৃতিক প্রটেকশন তৈরি করে। এতে থাকা ‘লেপ্টিন’ নামের একটি প্রোটিন হজমনালীতে প্রটেকটিভ আস্তরণ তৈরি করে, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড থেকে দেয় রক্ষা। তাই যারা নিয়মিত পেটে জ্বালাপোড়া বা অম্বলের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য কলা এক প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।
তবে কলা খাওয়ার সময় কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি। খুব বেশি পাকলে কলায় শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, যেটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার না পাকা কলা অনেকের পেটে গ্যাস তৈরি করে। তাই মাঝামাঝি পাকা কলা সবচেয়ে উপকারী।
কলার বাইরের খোসাও ফেলে দেওয়ার আগে একবার ভাবা উচিত। অনেক দেশেই কলার খোসা দিয়ে তৈরি হয় ঘরোয়া ফেসপ্যাক, আবার কোথাও তা রান্নাতেও ব্যবহৃত হয়। খোসায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বক ও দাঁতের জন্য ভালো।
একটি ছোট্ট ফল, অথচ তার মধ্যে এত গুণ—এই কথা ভাবলে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। কলা শুধু পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নয়, এটি একটি পরিবেশবান্ধব ফলও। এটি পরিবহনে কম খরচ হয়, সংরক্ষণে বিশেষ কোনো কেমিক্যাল দরকার পড়ে না, আবার খোসা মাটিতে সহজেই মিশে যায়।
আজকের দিনে যখন ব্যয়বহুল ‘সুপারফুড’-এর পেছনে ছুটছে মানুষ, তখন কলা হলো আমাদের ঘরের সুপারফুড, যার দরকারি গুণাগুণ আন্তর্জাতিক গবেষণায়ও স্বীকৃত।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন গবেষক ড. লরা ম্যাক্সওয়েল একেবারেই সঠিকভাবে বলেন, “আপনি যদি একটিমাত্র ফল খাওয়ার সুযোগ পান, তবে কলা-ই হওয়া উচিত আপনার প্রথম পছন্দ।”
এই সহজ ফলটিকেই তাই আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় পুঁজি হলো স্বাস্থ্যকর খাবার। আর কলা ঠিক তেমনই একটি অনন্য উপহার, প্রকৃতির পক্ষ থেকে আমাদের জন্য।

আমাদের দেশের প্রতিটি বাজারেই কলা সহজলভ্য ফল। ছোট-বড়, ধনী-গরিব—সব শ্রেণির মানুষই কলা খায়, কেউ নাশতায়, কেউবা বিকেলের জলখাবারে। শিশুদের মুখে তুলে দেওয়া সবচেয়ে সহজ ফলও হলো কলা। আবার রোগীকে পথ্য হিসেবে দেওয়া হয় প্রথম দিকেই এই ফলটি। এত পরিচিত ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকেই ভুলে যান—এই সাধারণ ফলটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ। আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া শরীর ও মন—দুটোই ভালো রাখে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন বিভাগ পর্যন্ত—অনেক গবেষণা হয়েছে এই কলা নিয়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কলা শুধু শক্তি দেয় না, বরং হজমশক্তি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র ভালো রাখে, এমনকি মন ভালো রাখার মতো মানসিক প্রভাবও ফেলে।
একটি মাঝারি আকারের কলায় প্রায় ১১০ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। এতে ফ্যাট প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু এতে থাকে প্রচুর পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কলায় থাকা প্রাকৃতিক শর্করা—যেমন সুউকলোজ, ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ—দেহে ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। এ কারণে যারা ব্যায়াম করেন বা শরীরচর্চা করেন, তাঁদের জন্য কলা আদর্শ প্রাকৃতিক স্ন্যাকস।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউট্রিশন বিশেষজ্ঞ ড. অ্যাঞ্জেলা গিবন্স বলেন, “কলা এমন একটি ফল, যেটি একদিকে যেমন শক্তি জোগায়, অন্যদিকে তেমনই দেহে অল্প সময়ের মধ্যেই শোষিত হয়। এতে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের নার্ভকে শান্ত রাখে এবং স্নায়বিক ভারসাম্য রক্ষা করে।”
কলার পটাশিয়াম নিয়ে বিজ্ঞানীরা বরাবরই উচ্ছ্বসিত। কারণ, এই খনিজ উপাদানটি হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পটাশিয়াম অত্যন্ত জরুরি। আমেরিকার নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের কার্ডিওলজি গবেষক ড. টমাস গ্রিন বলেন, “পটাশিয়াম হৃৎপিণ্ডের সঠিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে। আর কলা হচ্ছে প্রাকৃতিক পটাশিয়ামের সবচেয়ে সহজ উৎস।”
শুধু শরীর নয়, মন ভালো রাখতেও কলা সাহায্য করে। এতে থাকে ট্রিপটোফান নামে একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা দেহে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়। এই সেরোটোনিন হলো আমাদের ‘হ্যাপি হরমোন’। মানসিক চাপে ভোগা মানুষদের প্রতিদিন একটি কলা খেলে কিছুটা হলেও মেজাজ উন্নত হয় বলে মত দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিকাল সাইকোলজি গবেষক ড. হেলেন সিমন্স। তাঁর মতে, “ট্রিপটোফান থেকে সেরোটোনিন তৈরি হয় বলেই কলা খেলে মানুষ আনন্দ অনুভব করে। এটি বিষণ্ণতা কমাতেও সাহায্য করে।”
এ ছাড়া কলায় রয়েছে উচ্চ মাত্রার ফাইবার, বিশেষ করে ‘পেকটিন’ নামের এক ধরনের দ্রবণীয় আঁশ। এই ফাইবার হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কলা খেলে মলত্যাগ সহজ হয়, পেট পরিষ্কার থাকে।
বাচ্চাদের জন্যও কলা খুব উপকারী। চিবোনো সহজ এবং স্বাদে মিষ্টি, তাই ছোটদের পছন্দের একটি ফল এটি। তাছাড়া কলায় থাকা ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।
কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও অধিকাংশ গবেষক মনে করেন, মাঝারি পরিমাণে কলা খাওয়া নিরাপদ। এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়তে সাহায্য করে, তাই তা ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব ফ্রাইবুর্গ-এর খাদ্যবিজ্ঞানী ড. হান্স পিটার ব্রাউন এই বিষয়ে বলেন, “গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে কলা মাঝামাঝি স্থানে আছে। পরিমাণ বুঝে খেলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী হতে পারে।”
এ ছাড়া কলা খেলে মাংসপেশি ও হাড়ের গঠন ভালো হয়। ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম একসঙ্গে কাজ করে হাড়কে মজবুত করে তোলে। বৃদ্ধ বয়সে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন একটি কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন চিকিৎসক।
কলা পেটের আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের বিরুদ্ধে একধরনের প্রাকৃতিক প্রটেকশন তৈরি করে। এতে থাকা ‘লেপ্টিন’ নামের একটি প্রোটিন হজমনালীতে প্রটেকটিভ আস্তরণ তৈরি করে, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড থেকে দেয় রক্ষা। তাই যারা নিয়মিত পেটে জ্বালাপোড়া বা অম্বলের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য কলা এক প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।
তবে কলা খাওয়ার সময় কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি। খুব বেশি পাকলে কলায় শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, যেটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার না পাকা কলা অনেকের পেটে গ্যাস তৈরি করে। তাই মাঝামাঝি পাকা কলা সবচেয়ে উপকারী।
কলার বাইরের খোসাও ফেলে দেওয়ার আগে একবার ভাবা উচিত। অনেক দেশেই কলার খোসা দিয়ে তৈরি হয় ঘরোয়া ফেসপ্যাক, আবার কোথাও তা রান্নাতেও ব্যবহৃত হয়। খোসায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বক ও দাঁতের জন্য ভালো।
একটি ছোট্ট ফল, অথচ তার মধ্যে এত গুণ—এই কথা ভাবলে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। কলা শুধু পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নয়, এটি একটি পরিবেশবান্ধব ফলও। এটি পরিবহনে কম খরচ হয়, সংরক্ষণে বিশেষ কোনো কেমিক্যাল দরকার পড়ে না, আবার খোসা মাটিতে সহজেই মিশে যায়।
আজকের দিনে যখন ব্যয়বহুল ‘সুপারফুড’-এর পেছনে ছুটছে মানুষ, তখন কলা হলো আমাদের ঘরের সুপারফুড, যার দরকারি গুণাগুণ আন্তর্জাতিক গবেষণায়ও স্বীকৃত।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন গবেষক ড. লরা ম্যাক্সওয়েল একেবারেই সঠিকভাবে বলেন, “আপনি যদি একটিমাত্র ফল খাওয়ার সুযোগ পান, তবে কলা-ই হওয়া উচিত আপনার প্রথম পছন্দ।”
এই সহজ ফলটিকেই তাই আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় পুঁজি হলো স্বাস্থ্যকর খাবার। আর কলা ঠিক তেমনই একটি অনন্য উপহার, প্রকৃতির পক্ষ থেকে আমাদের জন্য।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, সেবামুখী মনোভাব গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে হাওর অঞ্চলে ব্যপক ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়কে ‘মানবসৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে ৩ জন এবং হামের উপসর্গে ৬ জন মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৫২ জনে।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে উত্তরা এলাকায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়ীদের বিচারে কোনো পক্ষপাত বা আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
৭ ঘণ্টা আগে