কোনো ব্যাংক হিসাব উল্লেখ না করায় অর্থের উৎস ও ব্যয়ের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কর্মসূচি সফল করার জন্য ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের জনশক্তি ও মহানগরবাসীর প্রতি শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
সৈয়দ তাহের বলেন, সংসদে উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে ভোটের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। কিন্তু আমাদের দাবি, পিআর হতে হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ— উভয় কক্ষেই। সেই ইস্যুতে আমরা আন্দোলন করব।
প্রধান উপদেষ্টা ও সিইসির এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। অন্যদিকে আরও কিছু দল নির্বাচনের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও জুড়ে দিচ্ছে নানা শর্ত। জামায়াত ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাম ঘরোনার কিছু দল বলছে, নির্বাচনের আগেই এসব শর্ত পূরণ করতে হবে। জুলাই সনদসহ যেসব শর্ত দেওয়া হচ্ছ
মুহাম্মাদ ওয়াসিফ হাসপাতালে গিয়ে জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুলাই সনদের ভিত্তিতে হতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।
প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাপত্র পাঠের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আমি মনে করি, জুলাইয়ের যে আকাঙ্ক্ষা এই ঘোষণাপত্রে সেটার তেমন কোনো প্রতিফলন হয়নি। একটা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা আমরা দেখেছি।’
জাহিদুল ইসলাম বলেন, গুম, খুন, আয়নাঘর তৈরি করে মুক্তিকামী জনতাকে দমন করতে চেয়েছিল ফ্যাসিস্ট শক্তি। কিন্তু ইতিহাসের অনিবার্য দাবিতে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। জুলাই শুধু একটি আন্দোলনের নাম নয়, এটি একটি জাগরণের নাম।
জামায়াত নেতা ডা. তাহের বলেন, জনগণের রক্তের ওপর দিয়েই জুলাই বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই আপনি এখন ক্ষমতায়। আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো সদস্য আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তাই নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করার রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সমাবেশে অংশ নেবে।
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত আমির বাংলাদেশের চিকিৎসকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এত বড় সার্জারির বিষয়টি দেশের চিকিৎসক সমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও জানান তিনি।’
দেশে সংস্কার ও নির্বাচন পদ্ধতির প্রস্তাবনা নিয়ে তৈরি ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ এর খসড়া নিয়ে বিপরীত অবস্থানে রয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি।
নজরুল ইসলাম জানান, দলীয়ভাবে জামায়াত আমিরকে দেশের বাইরে পাঠানোর চিন্তা করা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাব নাকচ করেছেন। জানিয়েছেন, দেশের চিকিৎসার প্রতি তার পূর্ণ আস্থা আছে। তাই দেশেই জরুরি ভিত্তিতে এখন তার বাইপাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুলাই সনদের খসড়াকে অসম্পূর্ণ এবং এর কিছু অংশ বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে কমিশন বলছে, খসড়া একটি নমুনা মাত্র। তবে যদি সেটাই গ্রহণ করা হয়, তাহলে প্রস্তাবিত সনদ গ্রহণ করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি দেশের জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে সেবা করার সুযোগ পাই, তাহলে সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয় সরকারের কর্তৃত্ব থেকে আলাদা করে একটি স্বতন্ত্র সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে থাকব। এ অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট—এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই।’
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে হলে জামায়াতের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, তবে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়নি এবং ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা আছে।