যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মুক্ত বাণিজ্য থেকে ব্যাপক উপকৃত হয়েছে। কিন্তু এখন বিভিন্ন দেশ থেকে অতিরিক্ত দাম আদায় করার জন্য দর কষাকষির মাধ্যম হিসেবে তারা শুল্ককে ব্যবহার করছে।
অমর্ত্য সেন বলেন, বাংলায় কথা বললে নাকি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। আমি ফরাসি জানি না। জানলে কি আমাকে ফ্রান্সে পাঠিয়ে দেওয়া হতো? এটা চিন্তার বিষয়।
শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়াকে সমালোচনা করে দেশটির মজলিস-ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) প্রধান ও হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য (এমপি) আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বলেন, যদি ভারত থেকে বাংলাদেশিদের তাড়াতে হয়, তাহলে তো শেখ হাসিনাকে দিয়ে সেটা শুরু করা উচিত।
এদিকে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর ‘রকেট ফোর্স কমান্ড’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
মূলত পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেন মিঠুন।
এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময় যখন সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী ‘অপারেশন আখাল’ নামে এক অভিযান চালাচ্ছে
এই নিয়ে যেমন ভারতীয় গণমাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছে তেমনই রাশিয়ান গণমাধ্যমেও এই নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। প্রশ্ন উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি এইভাবে চাপ তৈরি করে রাশিয়া থেকে ভারতকে দূরে রাখতে পারবে?
ডোনাল্ড ট্রাম্প পরে বলেছিলেন, আগামী শুক্রবার বা ৮ অগাস্টের মধ্যে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতিতে রাশিয়া রাজি না হলে এই দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কে থাকা যেকোনো দেশের ওপর নতুন সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করা হবে।
উত্তরকাশীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত আর্য ৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, আকস্মিক বন্যার এক বিশাল ঢেউ এলাকাটি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। বর্তমানে জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এসব হুমকি সত্ত্বেও রাশিয়ার কাছ থেকেই জ্বালানি তেল কেনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ সিদ্ধান্তকে অস্বাভাবিকও মনে করছেন না সংশ্লিষ্টরা। কেননা ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মস্কোর সঙ্গে ভারতের যেসব বাণিজ্যচুক্তি রয়েছে তার অনেকগুলোই দীর্ঘমেয়া
ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এবার দেশটির ৬ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
দিল্লি সালতানাতের শাসকরা—বিশেষত গিয়াসউদ্দিন বলবন, জালালউদ্দিন খিলজি, এবং পরবর্তী কালে ফিরোজ শাহ তুঘলক—বাংলার উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়েছেন। বাংলা থেকে বিদ্রোহ ও স্বাধিকার দাবি দিল্লির কর্তৃত্বকে একাধিকবার চ্যালেঞ্জ করেছে। এই সমস্ত রাজনৈতিক ঘটনার পেছনে শুধু ক্ষমতার প্রশ্ন ছিল না, বরং বাংলা