টেকনাফের সেই পাহাড়ে ৩ মরদেহ পড়ে থাকার খবর, ‘নিশ্চিত নয়’ পুলিশ

কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওই পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলিতে এক সেনাসদস্য নিহত হন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সেখানে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে মরদেহের সংখ্যা কিংবা সেখানে আদৌ কোনো মরদেহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত চৌধুরী বলেন, “এইরকম একটি মেসেজ এখানে আছে। কিন্তু আমরা নিশ্চিত নই। আদৌ ওইখানে লাশ আছে, নাকি নেই। থাকলে কয়টা আছে।”
অন্যদিকে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম মরদেহ পড়ে থাকার খবর অস্বীকার করে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান এখনো চলছে।
শুক্রবার বিকেলেও উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরসংলগ্ন পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানাগুলোতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযান চলছে। লাশের খবরটা আমরা শুনেছি। এখন পুলিশ দেখবে যে কী অবস্থা।”
এর আগে বৃহস্পতিবার রঙ্গীখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গহীন পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালিকে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল জিম্মি করে রেখেছ— এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. তিতাস শেখ (২৮) নামের এক সেনাসদস্য নিহত হন।














-73bad5-256x144.webp)
