ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশেই গত জুলাই-আগস্টে গণহত্যা সংঘঠিত হয়েছে তা জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বিশ্ববাসীর নিকট উন্মোচিত হওয়ায় জাতি স্বস্তিবোধ করছে এবং অপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে আশান্বিত হয়েছে। জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, খুনি শেখ হাসিনার
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী ১৭-২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সদর দপ্তরে (নয়াদিল্লি) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৫তম মহাপরিচালক পর্যায়ের এই সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী (মহাপ
বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), নাগরিক ঐক্য, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিশ, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। জাতীয় নাগরিক কমিটিও বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস— এমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, ছয় সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে, আমাদের আশা থাকবে সব রাজনৈতিক দল এটাতে স্বাক্ষর করবে। সেটা হবে জুলাই চার্টার।
বর্তমানে দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলটির কাঠামো, গঠনতন্ত্র, নাম এবং প্রতীক নির্ধারণের কাজ চলছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে। তবে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে, এই নতুন দলের আদর্শ কী হবে এবং এর নেতৃত্বে কারা
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, দলের কার্যক্রমে যোগ দিতে তিনিসহ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন কয়েকদিনের মধ্যেই।
দুদু বলেন, ‘সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট রাজনীতিবিদরা তৈরি করেছেন। তাই যারা রাজনীতিবিদদের ছোট করছেন, তারা স্বৈরতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরছেন।’
বৈঠকের বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির সহ-মুখপাত্র ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে জাতীয় নাগরিক কমিটির ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।
বাংলাদেশে গত প্রায় দেড় দশকের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে এড়িয়ে চলছে অন্তর্বর্তী সরকার। ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ বা ‘ফ্যাসিবাদের সহযোগী’ হিসেবে রাজনৈতিক আলোচনায় ঘুরেফিরে আসছে দলটির নাম। তবে জাতীয় পার্টির মূল্যায়ন— অন্তর্বতী সরকারের সময়ে দেশ ভালো চলছে না। দেশকে বিভক্ত করার জন্য দলটির নীতিনির্ধারকরা দায়ী ক
স্থানীয় নয়, অবশ্যই জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে মন্তব্য করেছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, নির্বাচন প্রলম্বিত করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থপতি ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি হয়েছে। কোনোটি টিকে আছে, কোনোটি হারিয়ে গেছে। এই দলগুলোর কোনোটি ডান, কোনোটি বামপন্থি আদর্শের। কোনো দল জাতীয়তাবাদকে প্রাধান্য দেয়, আবার কোনোটি ধর্মনিরপেক্ষ কিংবা ধর্মভিত্তিক আদর্শকে সামনে রেখে এগিয়েছে।
ছয় সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সংস্কারের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে এবারে যাত্রা শুরু করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। খোদ প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন এই কমিশন সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসহ অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনার ভিত্তিতে এই রূপরেখা চূড়ান্ত হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সফরে আমাদের বড় অর্জন হলো— এতে আমিরাতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে এ সফর সহায়তা করবে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা তাকে (হাসিনা) বিচারের আওতায় আনব। এটি অবশ্যই করা হবে। তা না হলে জনগণ আমাদের ক্ষমা করবে না। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং আইনের মুখোমুখি করা হবে।
রাশেদ খান বলেন, ছয় মাস হয়ে গেল, এখনো আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেনি অন্তর্বর্তী সরকার। দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছেন, যুবলীগ-আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগ বাংলার মাটিতে আর রাজনীতি করতে পারবে না।
মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচন নিয়ে উনারা কথা বলছেন। কখনো বলেন যাবেন না, কখনো বলেন যাবেন। কখনো বলেন এটা হলে যাব, কখনো বলেন ওটা হলে যাব। এটা আমি সরকারকে বলছি না। আমি বলছি, সরকারকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে। এই সরকারকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে