ঈদের আনন্দ যেন কোনোভাবেই দুর্ঘটনা বা দুর্ভোগের কারণে ম্লান না হয়, তা নিশ্চিত করতে ঈদযাত্রার সময় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সরকার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা সম্ভব।
এই সাধারণ কাজটি বাংলাদেশের শাসন-কাঠামোর একটি গভীর সত্যকে সামনে নিয়ে আসে— আমাদের জাতীয় শাসন-আলোচনা ক্রমেই ‘প্রক্রিয়া’কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে, যেখানে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়— ‘পদ্ধতি’ —থেকে গেছে উপেক্ষিত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে। সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সর্বসম্মত। সংসদের সদস্যরা ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করায় সংসদীয় কার্যক্রমের শুরুতেই একটি ইতিবাচক বার্তা পাওয়া গেছে।
এবারের একুশে বইমেলা যে সুপার ফ্লপ করল, আর এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আমরা এই ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত বাঙালির প্রাণের উৎসবটির যে কত বড় ক্ষতি করে ফেললাম, তার কারণ, দায় ও উত্তরণ নিয়ে গভীর গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজন।
দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কার্ডের পরিকল্পনা করেছে নতুন সরকার।
বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষা যেভাবে একটি শক্তিশালী একাডেমিক শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, তার পেছনে যাঁদের অবদান অগ্রগণ্য, তাদের মধ্যে অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান অন্যতম। তার জীবনকে একটি বাক্যে সংক্ষেপ করা যায় এভাবে— তিনি ছিলেন সাংবাদিকতা শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল সেতুবন্ধন।
ফ্যামিলি কার্ড মূলত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিবারের জন্য স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে। সাধারণত পরিবারে নারীর নামেই এই কার্ড ইস্যু করা হয়। ফলে পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ও নিয়ন্ত্রণ নারীর হাতে আসে। এটি কেবল একটি কার্ড নয়, বরং নারীর অ
নারীরা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকেও ছিটকে গিয়ে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নীতিনির্ধারণীর প্ল্যাটফর্ম থেকেও ছিটকে যাবেন। আর এর বিরূপ প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। নারী নেতৃত্বহীনতার ভারসাম্যহীন অবস্থা পুরুষতান্ত্রিক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামোকেও সুষম ও ভারসাম্যহীন করে তুলবে বলে মনে করছেন বোদ্ধা ও বিশ্লেষকরা।
কেউ কেউ বলেছেন, শেখ মুজিব হেয়ালি পরিহার করে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেন, তাহলে পাকিস্তানের অপ্রস্তুতির সুযোগ নিয়ে আমরা আরও কম জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত-আব্রুর বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে যেতাম। কী হতো জানি না, তবে বিতর্ক না বাড়িয়ে অনুমান করা যায়— এটি হতো হঠকারী আচরণের নব সংযোজন এবং তার
এ পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে, বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও বৈদেশিক আয় কাঠামো মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর। ফলে আঞ্চলিক যুদ্ধ বা দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা দেখা দিলে শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত, ভিসা নবায়নে জটিলতা, প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রত্যাবাসনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা সরাসরি দেশের অর্থনীতিকে প্র
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিএনপি ক্ষমতায় আসার সময়গুলোর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বড় যুদ্ধের সময়কাল মিলে গেছে, যার প্রভাব দেশের কৃষি ও বিদ্যুৎ খাতে অনুভূত হয়েছে। ফলে এসব সংকটকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়েছে।
বেলুচরা আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও স্বাধীনচেতা। ইংরেজ আমলেও তাদের শাসন করা হতো পরোক্ষ স্বাধীনতা বা সমঝোতার মাধ্যমে। এই পরোক্ষ স্বাধীনতার অর্থ ‘পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন’ও হতে পারে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কালে তার মর্যাদা ছিল স্বাধীন রাষ্ট্রের। কিছুদিন পর একে অনেকটা বলপূর্বক পাকিস্তানের অংশ করে নেওয়া
মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির শেষ পর্ব একাত্তরের মার্চ মাস। ১৯৬২ সালে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে গঠিত হয় ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’। ছাত্রলীগের ভেতরের এই গোপন সংগঠন প্রতিটি আন্দোলনেই সক্রিয়। ধাপে ধাপে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে স্বাধীনতার পথে।
একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চের ৪ তারিখও ছিল ঘটনাবহুল। প্রতিদিনই সেনাবাহিনীর বেপরোয়া নির্মম আচরণ চলতে থাকে। জবাবে বাঙালি আরও বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। আগের দিনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিকামী বাঙালিকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন ছাত্রনেতারা।
রাজনীতি মানে মতের লড়াই। কিন্তু ভাষার শালীনতা হারালে সেই লড়াই আর নীতির থাকে না, হয়ে যায় কাদা ছোড়াছুড়ি। জেনজি প্রজন্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেড়ে উঠেছে; তারা জানে শব্দের শক্তি কতটা। তবু যদি তারা সচেতনভাবে আক্রমণাত্মক ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করে, তবে সেটি কেবল ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়, রাজনৈতিক অদূরদর্শি
বাংলাদেশ এই দুই সংকটের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অভিঘাতের পরিধির ভেতরেই অবস্থান করছে। সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে যদি সংঘাতগুলো সীমাবদ্ধ থাকে এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক বিস্তারে না গড়ায়, তবে ঢাকা তার দীর্ঘদিনের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক কৌশল বজায় রাখতে পারবে— কঠোর কোনো পক্ষ না নিয়ে পশ্চিমা অংশীদার, উপসাগরীয় রাষ্ট